নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ভোটারদের সঙ্গে নিয়ে নিজেই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে শপথ পড়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার যদি অবিলম্বে ডিএসসিসির মেয়র হিসেবে শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা না করে, তাহলে তিনি এই পথে হাঁটবেন।
আজ মঙ্গলবার বেলা ৩টায় রাজধানীর গুলিস্তানে নগর ভবনে গণ-অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ইশরাক হোসেন এই ঘোষণা দেন। আজ সকাল থেকে ঢাকাবাসীর ব্যানারে এই অবস্থান কর্মসূচি চলছিল।
ইশরাক হোসেন বলেন, ‘এই সরকারকে এখন বাধ্য হয়ে বলতে হচ্ছে, আপনারা যদি অবিলম্বে শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা না করেন, তাহলে ঢাকা শহরের দক্ষিণের ভোটারদের সঙ্গে নিয়ে আমি নিজেই শপথ পড়ে চেয়ার গ্রহণ করব এবং নগর ভবন কীভাবে চলবে, সেটা ঢাকাবাসী নির্ধারণ করবে, কোনো বহিরাগত উপদেষ্টা বা প্রশাসক দিয়ে এই নগর ভবন পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না, হবে না। এটাই আমাদের শেষ কথা, এটাই আমাদের শেষ বার্তা।’
ইশরাক বলেন, ‘দুই সপ্তাহ ধরে এই নগর ভবন আমাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং আমরাই নিয়ন্ত্রণে রেখেছি। এই শপথ কার্যক্রম যদি তারা নাও করায়, আমি গিয়ে আমার চেয়ারে বসতে পারি, দুই মিনিটও লাগবে না। ঢাকা শহরের জনগণ বারবার আমাকে আহ্বান জানিয়েছে, কেন আমি শহীদ মিনারে গিয়ে ঢাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে শপথ পড়ে দায়িত্ব পালন বা দায়িত্ব নিজেই নিচ্ছি না। তখন আমি বলেছি, যেহেতু আমরা একটি নিয়মতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল, আমাদের দলের পক্ষ থেকেও নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে বারবার যোগাযোগ করা হয়েছে। কারণ, আমরা নিয়মতান্ত্রিক রাষ্ট্র পরিচালনায় বিশ্বাসী, আমরা চাই না কোনো ধরনের একটা বাজে উদাহরণ সৃষ্টি হোক।’
এ সময় ঈদ ও মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে বর্তমান অবস্থান কর্মসূচি কিছুটা শিথিল ও বিরতি দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথাও জানান তিনি।

ভোটারদের সঙ্গে নিয়ে নিজেই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে শপথ পড়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার যদি অবিলম্বে ডিএসসিসির মেয়র হিসেবে শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা না করে, তাহলে তিনি এই পথে হাঁটবেন।
আজ মঙ্গলবার বেলা ৩টায় রাজধানীর গুলিস্তানে নগর ভবনে গণ-অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ইশরাক হোসেন এই ঘোষণা দেন। আজ সকাল থেকে ঢাকাবাসীর ব্যানারে এই অবস্থান কর্মসূচি চলছিল।
ইশরাক হোসেন বলেন, ‘এই সরকারকে এখন বাধ্য হয়ে বলতে হচ্ছে, আপনারা যদি অবিলম্বে শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা না করেন, তাহলে ঢাকা শহরের দক্ষিণের ভোটারদের সঙ্গে নিয়ে আমি নিজেই শপথ পড়ে চেয়ার গ্রহণ করব এবং নগর ভবন কীভাবে চলবে, সেটা ঢাকাবাসী নির্ধারণ করবে, কোনো বহিরাগত উপদেষ্টা বা প্রশাসক দিয়ে এই নগর ভবন পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না, হবে না। এটাই আমাদের শেষ কথা, এটাই আমাদের শেষ বার্তা।’
ইশরাক বলেন, ‘দুই সপ্তাহ ধরে এই নগর ভবন আমাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং আমরাই নিয়ন্ত্রণে রেখেছি। এই শপথ কার্যক্রম যদি তারা নাও করায়, আমি গিয়ে আমার চেয়ারে বসতে পারি, দুই মিনিটও লাগবে না। ঢাকা শহরের জনগণ বারবার আমাকে আহ্বান জানিয়েছে, কেন আমি শহীদ মিনারে গিয়ে ঢাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে শপথ পড়ে দায়িত্ব পালন বা দায়িত্ব নিজেই নিচ্ছি না। তখন আমি বলেছি, যেহেতু আমরা একটি নিয়মতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল, আমাদের দলের পক্ষ থেকেও নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে বারবার যোগাযোগ করা হয়েছে। কারণ, আমরা নিয়মতান্ত্রিক রাষ্ট্র পরিচালনায় বিশ্বাসী, আমরা চাই না কোনো ধরনের একটা বাজে উদাহরণ সৃষ্টি হোক।’
এ সময় ঈদ ও মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে বর্তমান অবস্থান কর্মসূচি কিছুটা শিথিল ও বিরতি দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথাও জানান তিনি।

নেটওয়ার্ক ফর পিপল অ্যাকশন (এনপিএ) নামে নতুন একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম আত্মপ্রকাশ করেছে। আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্ল্যাটফর্মটির আনুষ্ঠানিক যাত্রার ঘোষণা দেওয়া হয়।
২১ মিনিট আগে
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত নাগরিক শোকসভা চলছে। আজ শুক্রবার বেলা আড়াইটার পর পূর্বনির্ধারিত এই সভা শুরু হয়। রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠানস্থলে দুপুরের পর থেকেই আমন্ত্রিত অতিথিরা আসতে শুরু করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-১২ (তেজগাঁও-রমনা) আসনের রাজনৈতিক অঙ্গন সরগরম। বিএনপির সমর্থন নিয়ে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সাইফুল হকের নির্বাচনী তৎপরতা আলাদা করে নজরে পড়ছে।
২ ঘণ্টা আগে
নানা গুঞ্জনের পর এককভাবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন। জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ১১-দলীয় জোটে তারা থাকছে না।
২ ঘণ্টা আগে