নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জাতীয় সরকার গঠনের নামে দেশের রাজনীতির মাঠ গরমের ষড়যন্ত্র করছে বিএনপি। শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এই দাবি করেছেন।
বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির একেক নেতা একেক সময় ভিন্ন ভিন্ন সুরে কথা বলছেন। কখনো নির্বাচনকালীন সরকার, কখনো নিরপেক্ষ সরকার, কখনো জাতীয় সরকারের কথা বলে রাজনীতির মাঠ গরম করার ষড়যন্ত্র করছে, যা কখনো সফল হবে না। সংবিধানসম্মতভাবে যথাসময়েই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’
এর আগে গত বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘দেশের সমস্যা সমাধানের একমাত্র পথ হতে পারে একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন। সেই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সরকার গঠিত হলেই সমস্যাগুলো সমাধান সম্ভব। সে জন্য আগে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে। সেই নির্বাচনের পরে জাতীয় সরকার গঠন করা হবে।’ —এর জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ ও দেউলিয়া। তাঁদের শীর্ষ নেতারা দুর্নীতিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত হয়ে আদালতের রায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত, পলাতক ও দেশান্তরি। শীর্ষনেতাদের দুর্নীতির দায় রাজনৈতিকভাবে বয়ে বেড়াচ্ছে দলটি। তাই তাঁদের নেতাকর্মীরা আজ হতাশ।’
বাংলাদেশের জনগণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকে, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির স্বার্থে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ বলে দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বাঙালি বীরের জাতি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নীতি ও আদর্শ বুকে ধারণ করে আওয়ামী লীগের লাখ লাখ নেতাকর্মী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশবিরোধী সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছে, একইভাবে ভবিষ্যতেও যেকোনো মূল্যে ষড়যন্ত্রকারীদের পরাজিত করবে।’
মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি নেতাদের প্রতিদিনের বক্তব্য-বিবৃতি রাজনীতির সব ধরনের শিষ্টাচার ও শালীনতা লঙ্ঘন করে চলেছে বলে বিবৃতিতে দাবি করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
কাদের বলেন, ‘তাদের বক্তব্য ও বিবৃতি সম্পূর্ণ মিথ্যাচার ও অপপ্রচারে পরিপূর্ণ। যেনতেন প্রকারে বিএনপি আজ ক্ষমতা দখলে এতই উন্মত্ত যে তাঁদের বক্তব্যের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো প্রকার মিল নেই। বিএনপি নেতাদের এ ধরনের বেপরোয়া ও দায়িত্বহীন বক্তব্য বাংলাদেশের রাজনীতিতে সংকট সৃষ্টির ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়।’

জাতীয় সরকার গঠনের নামে দেশের রাজনীতির মাঠ গরমের ষড়যন্ত্র করছে বিএনপি। শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এই দাবি করেছেন।
বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির একেক নেতা একেক সময় ভিন্ন ভিন্ন সুরে কথা বলছেন। কখনো নির্বাচনকালীন সরকার, কখনো নিরপেক্ষ সরকার, কখনো জাতীয় সরকারের কথা বলে রাজনীতির মাঠ গরম করার ষড়যন্ত্র করছে, যা কখনো সফল হবে না। সংবিধানসম্মতভাবে যথাসময়েই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’
এর আগে গত বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘দেশের সমস্যা সমাধানের একমাত্র পথ হতে পারে একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন। সেই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সরকার গঠিত হলেই সমস্যাগুলো সমাধান সম্ভব। সে জন্য আগে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে। সেই নির্বাচনের পরে জাতীয় সরকার গঠন করা হবে।’ —এর জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ ও দেউলিয়া। তাঁদের শীর্ষ নেতারা দুর্নীতিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত হয়ে আদালতের রায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত, পলাতক ও দেশান্তরি। শীর্ষনেতাদের দুর্নীতির দায় রাজনৈতিকভাবে বয়ে বেড়াচ্ছে দলটি। তাই তাঁদের নেতাকর্মীরা আজ হতাশ।’
বাংলাদেশের জনগণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকে, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির স্বার্থে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ বলে দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বাঙালি বীরের জাতি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নীতি ও আদর্শ বুকে ধারণ করে আওয়ামী লীগের লাখ লাখ নেতাকর্মী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশবিরোধী সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছে, একইভাবে ভবিষ্যতেও যেকোনো মূল্যে ষড়যন্ত্রকারীদের পরাজিত করবে।’
মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি নেতাদের প্রতিদিনের বক্তব্য-বিবৃতি রাজনীতির সব ধরনের শিষ্টাচার ও শালীনতা লঙ্ঘন করে চলেছে বলে বিবৃতিতে দাবি করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
কাদের বলেন, ‘তাদের বক্তব্য ও বিবৃতি সম্পূর্ণ মিথ্যাচার ও অপপ্রচারে পরিপূর্ণ। যেনতেন প্রকারে বিএনপি আজ ক্ষমতা দখলে এতই উন্মত্ত যে তাঁদের বক্তব্যের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো প্রকার মিল নেই। বিএনপি নেতাদের এ ধরনের বেপরোয়া ও দায়িত্বহীন বক্তব্য বাংলাদেশের রাজনীতিতে সংকট সৃষ্টির ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়।’

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
২ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
২ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানির এক পর্যায়ে ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বাগ্বিতণ্ডায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে বাধে হট্টগোল।
৫ ঘণ্টা আগে