আজকের পত্রিকা ডেস্ক

সার্কেলের বন্ধুবান্ধব নিয়ে সরকার গঠন করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘যাঁদের আমরা সরকার গঠনের দায়িত্ব দিলাম, তাঁরা তাঁদের সার্কেলের বন্ধুবান্ধব এবং তাঁদের লোকজনদের নিয়ে সরকার গঠন করলেন। মানুষকে হতাশ করলেন।’
আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদ কর্তৃক ‘ভারতীয় আগ্রাসন ও আধিপত্য বিরোধী’ জাতীয় যুব সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, ‘অনেক আশা–আকাঙ্ক্ষা নিয়ে এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দিকে গোটা জাতি তাকিয়ে আছে। কিন্তু দুঃখজনক হলো, সরকার জাতির মনের আশা–আকাঙ্ক্ষা বুঝতে পারছে না। জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনে সমস্ত রাজনৈতিক দল, শিল্পী, সাহিত্যিক সকলের প্রত্যাশা ছিল এই বাংলাদেশকে পুনর্গঠন করার জন্য, হাসিনার পতন–পরবর্তী নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করার জন্য আন্দোলনের অংশীজনদের নিয়ে জাতীয় সরকার গঠন করা হবে। রাষ্ট্র সংস্কার করা হবে। কিন্তু দুঃখজনক আমরা দেখলাম, আন্দোলনে থাকা নেতৃবৃন্দ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মনে আঘাত দিলেন। যার ফলে এখন রাজনৈতিক দলগুলো দ্রুত সময়ে নির্বাচন চাচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলো এখন সরকারের কর্মকাণ্ডে সন্দেহ সংশয় প্রকাশ করছে।’
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি বলেন, ‘এই সরকারের প্রতি আমাদের ক্ষোভ আছে, রাগ আছে। প্রয়োজনে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করব। আমাদের দাবি আদায়ে বাধ্য করব। কিন্তু এখনই ফেলে দিতে হবে, এই সরকারকে চলে যেতে হবে, এই লাইনে যাওয়া যাবে না। এ সরকারের জনগণের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। জনগণের বাইরে গেলে, জনসমর্থনের বাইরে গেলে তারা এক সপ্তাহ টিকে থাকতে পারবে না।’
নুরুল হক নুর আরও বলেন, ‘রাষ্ট্র সংস্কারের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোরও সংস্কার জরুরি। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যদি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং গণতান্ত্রিক জোট না থাকে তাহলে তার মধ্যে ক্ষমতার লোভ পেয়ে বসবে। কাজেই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রসারিত করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর সংস্কার করার প্রয়োজন আছে।’

সার্কেলের বন্ধুবান্ধব নিয়ে সরকার গঠন করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘যাঁদের আমরা সরকার গঠনের দায়িত্ব দিলাম, তাঁরা তাঁদের সার্কেলের বন্ধুবান্ধব এবং তাঁদের লোকজনদের নিয়ে সরকার গঠন করলেন। মানুষকে হতাশ করলেন।’
আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদ কর্তৃক ‘ভারতীয় আগ্রাসন ও আধিপত্য বিরোধী’ জাতীয় যুব সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, ‘অনেক আশা–আকাঙ্ক্ষা নিয়ে এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দিকে গোটা জাতি তাকিয়ে আছে। কিন্তু দুঃখজনক হলো, সরকার জাতির মনের আশা–আকাঙ্ক্ষা বুঝতে পারছে না। জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনে সমস্ত রাজনৈতিক দল, শিল্পী, সাহিত্যিক সকলের প্রত্যাশা ছিল এই বাংলাদেশকে পুনর্গঠন করার জন্য, হাসিনার পতন–পরবর্তী নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করার জন্য আন্দোলনের অংশীজনদের নিয়ে জাতীয় সরকার গঠন করা হবে। রাষ্ট্র সংস্কার করা হবে। কিন্তু দুঃখজনক আমরা দেখলাম, আন্দোলনে থাকা নেতৃবৃন্দ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মনে আঘাত দিলেন। যার ফলে এখন রাজনৈতিক দলগুলো দ্রুত সময়ে নির্বাচন চাচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলো এখন সরকারের কর্মকাণ্ডে সন্দেহ সংশয় প্রকাশ করছে।’
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি বলেন, ‘এই সরকারের প্রতি আমাদের ক্ষোভ আছে, রাগ আছে। প্রয়োজনে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করব। আমাদের দাবি আদায়ে বাধ্য করব। কিন্তু এখনই ফেলে দিতে হবে, এই সরকারকে চলে যেতে হবে, এই লাইনে যাওয়া যাবে না। এ সরকারের জনগণের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। জনগণের বাইরে গেলে, জনসমর্থনের বাইরে গেলে তারা এক সপ্তাহ টিকে থাকতে পারবে না।’
নুরুল হক নুর আরও বলেন, ‘রাষ্ট্র সংস্কারের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোরও সংস্কার জরুরি। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যদি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং গণতান্ত্রিক জোট না থাকে তাহলে তার মধ্যে ক্ষমতার লোভ পেয়ে বসবে। কাজেই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রসারিত করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর সংস্কার করার প্রয়োজন আছে।’

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘কৌশলের নামে গুপ্ত কিংবা সুপ্ত বেশ ধারণ করেনি বিএনপি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, যে দলের কর্মীরা অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে আপসহীন ভূমিকা রাখতে পারে, সেই দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র কিংবা অপপ্রচার চালিয়ে দমন করা যাবে না।’
৩ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, একটি দল নানা কৌশলে নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার সুযোগ খুঁজছে। আমরা তাদের সেই সুযোগ দেব না। আজ শনিবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থেকে দূরে থাকতে সাংবাদিকদের আহ্বান জানিয়েছেন ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের (বিজেসি) সভাপতি ও মাছরাঙা টিভির বার্তা সম্পাদক রেজওয়ানুল হক রাজা। তিনি বলেছেন, ‘সাংবাদিকেরা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা দূর করতে না পারলে আমরা এক হতে পারব না।’
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতির ইতিহাসে ইসলামপন্থী দলগুলোর মধ্যে ‘বৃহত্তর ঐক্য’ বা ‘এক বাক্সে ভোট’ নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা দীর্ঘদিনের। ২০২৬ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে সেই সম্ভাবনা তুঙ্গে উঠলেও শেষ পর্যন্ত তা চরম নাটকীয়তায় পর্যবসিত হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে