নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

চলতি বছরের ডিসেম্বরে নির্বাচনের রোডম্যাপ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, ‘এখনো নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক কথাবার্তা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, ডিসেম্বর থেকে জুন, আবার বলা হয়, জুন থেকে ডিসেম্বর। আমরা ডিসেম্বরে নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা চাই। আমাদের দাবির সঙ্গে হেফাজতে ইসলাম একমত হয়েছে।’
আজ শনিবার রাতে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এ দাবি জানান। এর আগে হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করে বিএনপি।
মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আওয়ামী লীগের বিচার করতে হবে। সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আওয়ামী লীগের বিচার করা যায়। বিচারে যা হবে তা এ দেশের মানুষ মেনে নেবে। প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে। প্রতিটি বিভাগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল করা যায়।’
হেফাজতের সঙ্গে বৈঠকের বিস্তারিত তুলে ধরতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা সংস্কার চাই, বিচার চাই। তবে তা হবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে। প্রধান উপদেষ্টা বারবার বিভিন্ন মাধ্যমে ডিসেম্বরে নির্বাচন দেওয়ার কথা বলেছেন। কিন্তু এখনো নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক কথাবার্তা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, ডিসেম্বর থেকে জুন, আবার বলা হয়, জুন থেকে ডিসেম্বর। আমরা ডিসেম্বরে নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা চাই। আমাদের দাবির সঙ্গে হেফাজতে ইসলাম একমত হয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে করা সব মামলা প্রত্যাহার করতে অন্তর্বর্তী সরকারকে আহ্বান জানান বিএনপির নেতা সালাহউদ্দিন। হেফাজতের সঙ্গে নানা বিষয় মতবিনিময় হয়েছে জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার হেফাজতের ওপর নানাভাবে অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়েছে। ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে যাঁরা শহীদ হয়েছেন, তাঁদের সংখ্যাও এখন পর্যন্ত নিরূপণ করা হয়নি। শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে হেফাজতের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে। তারা (হেফাজত) সেই মামলার বিচার চায়। আমরা তাদের সঙ্গে একমত। ২০২১ সালে একইভাবে আলেম সমাজের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছে, যাতে চট্টগ্রাম এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২৪ জন আলেম ও ছাত্র নিহত হন। ওই হত্যাকাণ্ডেরও বিচার চায় হেফাজত, যার সঙ্গে আমরা একমত পোষণ করেছি।’
বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে আলেম-ওলামাদের বিরুদ্ধে অসংখ্য মিথ্যা মামলা করা হয়েছে, জেলে ভরা হয়েছে এবং সীমাহীন নির্যাতন করা হয়েছে। আমরা হেফাজতের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে করা সব মিথ্যা মামলার প্রত্যাহার চাই।
হেফাজতের সঙ্গে বিএনপির নির্বাচনী জোটের চিন্তা আছে কি না জানতে চাইলে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘নির্বাচন আসুক... সে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’
বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমানের নেতৃত্বে যুগ্ম মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানী, মাওলানা বাহাউদ্দিন জাকারিয়া, নায়েবে আমির মাওলানা জুনাইদ আল হাবিব, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী প্রমুখ অংশ নেন।

চলতি বছরের ডিসেম্বরে নির্বাচনের রোডম্যাপ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, ‘এখনো নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক কথাবার্তা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, ডিসেম্বর থেকে জুন, আবার বলা হয়, জুন থেকে ডিসেম্বর। আমরা ডিসেম্বরে নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা চাই। আমাদের দাবির সঙ্গে হেফাজতে ইসলাম একমত হয়েছে।’
আজ শনিবার রাতে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এ দাবি জানান। এর আগে হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করে বিএনপি।
মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আওয়ামী লীগের বিচার করতে হবে। সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আওয়ামী লীগের বিচার করা যায়। বিচারে যা হবে তা এ দেশের মানুষ মেনে নেবে। প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে। প্রতিটি বিভাগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল করা যায়।’
হেফাজতের সঙ্গে বৈঠকের বিস্তারিত তুলে ধরতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা সংস্কার চাই, বিচার চাই। তবে তা হবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে। প্রধান উপদেষ্টা বারবার বিভিন্ন মাধ্যমে ডিসেম্বরে নির্বাচন দেওয়ার কথা বলেছেন। কিন্তু এখনো নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক কথাবার্তা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, ডিসেম্বর থেকে জুন, আবার বলা হয়, জুন থেকে ডিসেম্বর। আমরা ডিসেম্বরে নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা চাই। আমাদের দাবির সঙ্গে হেফাজতে ইসলাম একমত হয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে করা সব মামলা প্রত্যাহার করতে অন্তর্বর্তী সরকারকে আহ্বান জানান বিএনপির নেতা সালাহউদ্দিন। হেফাজতের সঙ্গে নানা বিষয় মতবিনিময় হয়েছে জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার হেফাজতের ওপর নানাভাবে অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়েছে। ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে যাঁরা শহীদ হয়েছেন, তাঁদের সংখ্যাও এখন পর্যন্ত নিরূপণ করা হয়নি। শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে হেফাজতের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে। তারা (হেফাজত) সেই মামলার বিচার চায়। আমরা তাদের সঙ্গে একমত। ২০২১ সালে একইভাবে আলেম সমাজের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছে, যাতে চট্টগ্রাম এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২৪ জন আলেম ও ছাত্র নিহত হন। ওই হত্যাকাণ্ডেরও বিচার চায় হেফাজত, যার সঙ্গে আমরা একমত পোষণ করেছি।’
বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে আলেম-ওলামাদের বিরুদ্ধে অসংখ্য মিথ্যা মামলা করা হয়েছে, জেলে ভরা হয়েছে এবং সীমাহীন নির্যাতন করা হয়েছে। আমরা হেফাজতের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে করা সব মিথ্যা মামলার প্রত্যাহার চাই।
হেফাজতের সঙ্গে বিএনপির নির্বাচনী জোটের চিন্তা আছে কি না জানতে চাইলে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘নির্বাচন আসুক... সে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’
বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমানের নেতৃত্বে যুগ্ম মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানী, মাওলানা বাহাউদ্দিন জাকারিয়া, নায়েবে আমির মাওলানা জুনাইদ আল হাবিব, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী প্রমুখ অংশ নেন।

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
৯ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১০ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১০ ঘণ্টা আগে