নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সম্প্রতি দেশে সংঘটিত কিছু নৃশংস ঘটনা জনমনে অন্তর্বর্তী সরকারের সক্ষমতাকে ক্ষেত্রবিশেষে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো একটি অংশের সহায়তায় কেউ কেউ দেশে উদ্দেশ্যমূলক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাইছে কি না, এ বিষয়েও জনমনে জিজ্ঞাসা রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে আদৌ নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব কি না, কোনো কোনো মহল থেকে এমন প্রশ্ন উপস্থাপন বোধ হয় আর বিচ্ছিন্ন বক্তব্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।’
রাজধানীর ফার্মগেটে খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে গতকাল শনিবার এক স্মরণসভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তারেক রহমান। জুলাই আন্দোলনে শহীদ ছাত্রদের স্মরণে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এই আয়োজন করে।
জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিশ্রুতিগুলো নিয়ে কেউ সময়ক্ষেপণ করতে চাইছে কি না—সে ব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি রাখতে গণতন্ত্রকামী সবার প্রতি আহ্বান জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে গেলে দেশে এমন একটি নির্বাচনী ব্যবস্থা থাকা জরুরি, যেখানে প্রতিটি ভোটার নির্ভয়ে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে পারে। দেশে জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা না গেলে আমাদের কোনো আয়োজনই কিন্তু কাজে আসবে না, টেকসই হবে না।’
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অন্তর্বর্তী সরকারকে আরও স্বচ্ছ এবং সাহসী ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্রে বিশ্বাসী জনগণ আপনাদের (সরকার) পাশে থাকবে। গণতন্ত্রে বিশ্বাসী রাজনৈতিক দলগুলো আপনাদের পাশে থাকবে, যদি আপনাদের ভূমিকা আরও স্বচ্ছ এবং সাহসী হয়।’
গণতন্ত্রে উত্তরণে দেশবাসীর কাছে দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করে তারেক রহমান বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচন আসন্ন। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনাদের, আমাদের, আমাদের সবার কোনো আবেগতাড়িত ও ভুল সিদ্ধান্তের কারণে রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে ভবিষ্যতে আর যাতে কোনো চরমপন্থা কিংবা ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসিত হওয়ার সুযোগ না পায়, সে ব্যাপারে দেশবাসীকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’
স্মরণসভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আবদুল মঈন খান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমুখ বক্তব্য দেন।

সম্প্রতি দেশে সংঘটিত কিছু নৃশংস ঘটনা জনমনে অন্তর্বর্তী সরকারের সক্ষমতাকে ক্ষেত্রবিশেষে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো একটি অংশের সহায়তায় কেউ কেউ দেশে উদ্দেশ্যমূলক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাইছে কি না, এ বিষয়েও জনমনে জিজ্ঞাসা রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে আদৌ নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব কি না, কোনো কোনো মহল থেকে এমন প্রশ্ন উপস্থাপন বোধ হয় আর বিচ্ছিন্ন বক্তব্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।’
রাজধানীর ফার্মগেটে খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে গতকাল শনিবার এক স্মরণসভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তারেক রহমান। জুলাই আন্দোলনে শহীদ ছাত্রদের স্মরণে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এই আয়োজন করে।
জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিশ্রুতিগুলো নিয়ে কেউ সময়ক্ষেপণ করতে চাইছে কি না—সে ব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি রাখতে গণতন্ত্রকামী সবার প্রতি আহ্বান জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে গেলে দেশে এমন একটি নির্বাচনী ব্যবস্থা থাকা জরুরি, যেখানে প্রতিটি ভোটার নির্ভয়ে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে পারে। দেশে জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা না গেলে আমাদের কোনো আয়োজনই কিন্তু কাজে আসবে না, টেকসই হবে না।’
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অন্তর্বর্তী সরকারকে আরও স্বচ্ছ এবং সাহসী ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্রে বিশ্বাসী জনগণ আপনাদের (সরকার) পাশে থাকবে। গণতন্ত্রে বিশ্বাসী রাজনৈতিক দলগুলো আপনাদের পাশে থাকবে, যদি আপনাদের ভূমিকা আরও স্বচ্ছ এবং সাহসী হয়।’
গণতন্ত্রে উত্তরণে দেশবাসীর কাছে দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করে তারেক রহমান বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচন আসন্ন। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনাদের, আমাদের, আমাদের সবার কোনো আবেগতাড়িত ও ভুল সিদ্ধান্তের কারণে রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে ভবিষ্যতে আর যাতে কোনো চরমপন্থা কিংবা ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসিত হওয়ার সুযোগ না পায়, সে ব্যাপারে দেশবাসীকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’
স্মরণসভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আবদুল মঈন খান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমুখ বক্তব্য দেন।

জামায়াত আমিরের সঙ্গে বৈঠকে আরও থাকবেন দলের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান।
১ ঘণ্টা আগে
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যদি একটি নিরাপদ, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হই, তাহলে আগামী দিনে এভাবেই শোকসভা ও শোকগাথা চলতেই থাকবে। সুতরাং আর শোকগাথা বা শোক সমাবেশ নয়। আসুন...গণতন্ত্রকামী মানুষ আগামীর বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বিজয় গাথা রচনা করবে।’
২ ঘণ্টা আগে
জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের ‘মুক্তিযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘তাঁরাও মুক্তিযোদ্ধা। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধারা এ দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছিলেন, এ দেশের স্বাধীনতার জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দেশের বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিকদের একটি প্রতিনিধিদল। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তাঁরা তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
৬ ঘণ্টা আগে