নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন, ভারত যেভাবে ধর্ম ও ভাষার ভিত্তিতে মানুষকে বাংলাদেশে পুশ-ইন করছে, সেই একই যুক্তিতে শেখ হাসিনাকেও তো করা উচিত— যেহেতু তিনিও বাঙালি মুসলমান। অথচ বাংলাদেশ থেকে যারা দুর্বৃত্ত হিসেবে পালিয়ে গেছে, তাদের কোনো পুশ-ইন করা হচ্ছে না।
আজ সোমবার নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি শফিউল বারী বাবুর পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন তিনি।
রিজভী বলেন, ‘আমাদের জাতীয় পরিচয়— আমরা বাংলাদেশি। আমাদের ভাষা বাংলা, সংস্কৃতিও বাংলা। কিন্তু ভারতে যারা বাংলা ভাষাভাষী মুসলমান, তাদের জোর করে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। অথচ শেখ হাসিনা তো একই বৈশিষ্ট্যের অধিকারী— বাংলাদেশের নাগরিক, বাঙালি মুসলমান। তাঁকে তো পুশ-ইন করছে না ভারত। আবার যারা দুর্বৃত্ত হয়ে ভারতে পালিয়েছে, তাদেরও ফেরত পাঠানো হচ্ছে না। কেন?’
তিনি বলেন, ‘ভারতের বহু নাগরিক, যাদের পূর্বপুরুষরাও সেখানে জন্মেছেন, শুধুমাত্র মুসলমান হওয়ার কারণে এবং বাংলা ভাষায় কথা বলার জন্য তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। অথচ বাংলাদেশ সরকার এর বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। বরং ভারত যা চায়, সরকার তাই করছে।’
রিজভী আরও বলেন, ‘ভারত বাংলাদেশের ভেতরে তাদের পছন্দের সরকার চায়। সেই সরকারকে জনগণ পছন্দ করুক আর না করুক, তাতে কিছু যায় আসে না। তাদের মনোনীত ব্যক্তি থাকতে হবে ক্ষমতায়। এটা করে সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রগুলো, যারা অন্য দেশের ওপর কর্তৃত্ব রাখতে চায়। শেখ হাসিনা সেই নীতি ও প্রভাবের প্রতিনিধিত্ব করেন বলেই ভারত তার ওপর নির্ভর করে। তাই আজ তাদের মন খারাপ।’
স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানীর সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসানের পরিচালনায় দোয়া মাহফিলে আরো বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, হাবিব উন নবী খান সোহেল, আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, রংপুর বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল প্রমুখ।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন, ভারত যেভাবে ধর্ম ও ভাষার ভিত্তিতে মানুষকে বাংলাদেশে পুশ-ইন করছে, সেই একই যুক্তিতে শেখ হাসিনাকেও তো করা উচিত— যেহেতু তিনিও বাঙালি মুসলমান। অথচ বাংলাদেশ থেকে যারা দুর্বৃত্ত হিসেবে পালিয়ে গেছে, তাদের কোনো পুশ-ইন করা হচ্ছে না।
আজ সোমবার নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি শফিউল বারী বাবুর পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন তিনি।
রিজভী বলেন, ‘আমাদের জাতীয় পরিচয়— আমরা বাংলাদেশি। আমাদের ভাষা বাংলা, সংস্কৃতিও বাংলা। কিন্তু ভারতে যারা বাংলা ভাষাভাষী মুসলমান, তাদের জোর করে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। অথচ শেখ হাসিনা তো একই বৈশিষ্ট্যের অধিকারী— বাংলাদেশের নাগরিক, বাঙালি মুসলমান। তাঁকে তো পুশ-ইন করছে না ভারত। আবার যারা দুর্বৃত্ত হয়ে ভারতে পালিয়েছে, তাদেরও ফেরত পাঠানো হচ্ছে না। কেন?’
তিনি বলেন, ‘ভারতের বহু নাগরিক, যাদের পূর্বপুরুষরাও সেখানে জন্মেছেন, শুধুমাত্র মুসলমান হওয়ার কারণে এবং বাংলা ভাষায় কথা বলার জন্য তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। অথচ বাংলাদেশ সরকার এর বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। বরং ভারত যা চায়, সরকার তাই করছে।’
রিজভী আরও বলেন, ‘ভারত বাংলাদেশের ভেতরে তাদের পছন্দের সরকার চায়। সেই সরকারকে জনগণ পছন্দ করুক আর না করুক, তাতে কিছু যায় আসে না। তাদের মনোনীত ব্যক্তি থাকতে হবে ক্ষমতায়। এটা করে সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রগুলো, যারা অন্য দেশের ওপর কর্তৃত্ব রাখতে চায়। শেখ হাসিনা সেই নীতি ও প্রভাবের প্রতিনিধিত্ব করেন বলেই ভারত তার ওপর নির্ভর করে। তাই আজ তাদের মন খারাপ।’
স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানীর সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসানের পরিচালনায় দোয়া মাহফিলে আরো বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, হাবিব উন নবী খান সোহেল, আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, রংপুর বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল প্রমুখ।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। আজ শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে খালেদা জিয়ার সমাধি প্রাঙ্গণে তাঁর পরিবারের সদস্যরা আসেন।
১৩ মিনিট আগে
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১৭ বছর পর নির্বাসন থেকে দেশে ফেরায় উজ্জীবিত হয়ে উঠেছিলেন বিএনপির নেতা-কর্মী-সমর্থকেরা। কিন্তু সপ্তাহ না ঘুরতেই দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মহাপ্রয়াণে শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়েছেন তাঁরা।
১৬ ঘণ্টা আগে
মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফনে সহযোগিতার জন্য দায়িত্ব পালনকারী সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিজের ও পরিবারের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিয়ে সবার উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘গভীর শোকের এই সময়ে আপনারা যে সহমর্মিতা, সম্মান ও দায়িত্ববোধ দেখিয়েছেন...
১৮ ঘণ্টা আগে
সকাল থেকেই ভিড় জমিয়েছিলেন তাঁরা। উদ্দেশ্য জিয়া উদ্যানসংলগ্ন সদ্যপ্রয়াত খালেদা জিয়ার সমাধি প্রাঙ্গণে শ্রদ্ধা জানানো। সবার জন্য উন্মুক্ত করার পর দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম অগ্রসৈনিক সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সমাধিতে তাঁরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। মোনাজাত করেন রুহের মাগফিরাত কামনা করে।
১৯ ঘণ্টা আগে