নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে বলার পর পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা জয়নুল আবেদিন ফারুক। নির্বাচন বানচাল করে দেশকে একটা সংকটের মধ্যে ফেলাই এর উদ্দেশ্য বলে মনে করেন তিনি।
আজ শনিবার (১২ জুলাই) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে শেখ হসিনার নির্দেশে ৬ জুলাই ২০১১ সালে তৎকালীন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবেদিন ফারুকের ওপরে হামলা এবং হত্যাচেষ্টায় পুলিশ বাহিনীর কর্মকর্তা হারুন-অর-রশিদ ও বিপ্লব কুমারকে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং শাস্তির দাবিতে তৃণমূল নাগরিক আন্দোলন আয়োজিত প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন।
জয়নুল আবেদিন ফারুক বলেন, ‘খুঁজে বের করতে হবে গত পরশুদিনের এই ঘটনার মূল হোতা কে? তারেক রহমান-প্রধান উপদেষ্টার লন্ডনের বৈঠক এবং ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এটি আরেকটি মূল চক্রান্ত আমি মনে করি। যখন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে বলে দিলেন তখনই হত্যাকাণ্ড, তখনই এই বিব্রতকর অবস্থা। বাংলাদেশে সংকট তৈরি করার জন্য নানা ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। আমার মনে হয় আপনার (প্রধান উপদেষ্টা) সবকিছু কানে না নিয়ে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে বাংলাদেশে রাজনৈতিক সরকার সংসদ কায়েম করা দরকার।’
তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যার ঘটনায় ছাত্রদল, যুবদল সংবাদ সম্মেলন করে স্পষ্ট বিবৃতি দিচ্ছে। কিন্তু হারুন, বিপ্লবদের বিরুদ্ধে যে মামলা আমি দায়ের করেছিলাম এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাঁরা কোথায় আছে, কেন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না এ বিষয়ে জনগণকে জানাতে হবে।’
সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘এখনো বাংলাদেশের যে অবস্থা এ অবস্থা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কিছুতেই সামাল দিতে পারছেন না। তাই দরকার নির্বাচন। তাই দরকার জনগণের ভোট যেই দল পাবে সেই দল সরকার গঠন করবে।’
ফারুক বলেন, ‘আমাদের নেতা তারেক রহমান একটি কথাই বলে যাচ্ছেন, দেশে দরকার গণতন্ত্র, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা। বাংলাদেশের মানুষ যে আশা নিয়ে আপনাকে প্রধান উপদেষ্টা পদে বসিয়েছেন, আপনার কাছে অনুরোধ রইল অচিরেই জনগণের প্রতিনিধির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।’
সংগঠনের সভাপতি মফিজুর রহমান লিটনের সভাপতিত্বে অবস্থান কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন উপদেষ্টা হারুনুর রশিদ, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মো. রহমতুল্লাহ প্রমুখ।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে বলার পর পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা জয়নুল আবেদিন ফারুক। নির্বাচন বানচাল করে দেশকে একটা সংকটের মধ্যে ফেলাই এর উদ্দেশ্য বলে মনে করেন তিনি।
আজ শনিবার (১২ জুলাই) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে শেখ হসিনার নির্দেশে ৬ জুলাই ২০১১ সালে তৎকালীন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবেদিন ফারুকের ওপরে হামলা এবং হত্যাচেষ্টায় পুলিশ বাহিনীর কর্মকর্তা হারুন-অর-রশিদ ও বিপ্লব কুমারকে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং শাস্তির দাবিতে তৃণমূল নাগরিক আন্দোলন আয়োজিত প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন।
জয়নুল আবেদিন ফারুক বলেন, ‘খুঁজে বের করতে হবে গত পরশুদিনের এই ঘটনার মূল হোতা কে? তারেক রহমান-প্রধান উপদেষ্টার লন্ডনের বৈঠক এবং ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এটি আরেকটি মূল চক্রান্ত আমি মনে করি। যখন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে বলে দিলেন তখনই হত্যাকাণ্ড, তখনই এই বিব্রতকর অবস্থা। বাংলাদেশে সংকট তৈরি করার জন্য নানা ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। আমার মনে হয় আপনার (প্রধান উপদেষ্টা) সবকিছু কানে না নিয়ে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে বাংলাদেশে রাজনৈতিক সরকার সংসদ কায়েম করা দরকার।’
তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যার ঘটনায় ছাত্রদল, যুবদল সংবাদ সম্মেলন করে স্পষ্ট বিবৃতি দিচ্ছে। কিন্তু হারুন, বিপ্লবদের বিরুদ্ধে যে মামলা আমি দায়ের করেছিলাম এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাঁরা কোথায় আছে, কেন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না এ বিষয়ে জনগণকে জানাতে হবে।’
সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘এখনো বাংলাদেশের যে অবস্থা এ অবস্থা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কিছুতেই সামাল দিতে পারছেন না। তাই দরকার নির্বাচন। তাই দরকার জনগণের ভোট যেই দল পাবে সেই দল সরকার গঠন করবে।’
ফারুক বলেন, ‘আমাদের নেতা তারেক রহমান একটি কথাই বলে যাচ্ছেন, দেশে দরকার গণতন্ত্র, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা। বাংলাদেশের মানুষ যে আশা নিয়ে আপনাকে প্রধান উপদেষ্টা পদে বসিয়েছেন, আপনার কাছে অনুরোধ রইল অচিরেই জনগণের প্রতিনিধির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।’
সংগঠনের সভাপতি মফিজুর রহমান লিটনের সভাপতিত্বে অবস্থান কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন উপদেষ্টা হারুনুর রশিদ, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মো. রহমতুল্লাহ প্রমুখ।

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
৮ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
৮ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
৮ ঘণ্টা আগে