নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সরকার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দেওয়ার যে কথা বলত তা মিথ্যা বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। আজ শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণতন্ত্র ফোরাম আয়োজিত বেগম খালেদা জিয়াসহ সকল রাজবন্দীদের মুক্তি, সর্বনাশা লোডশেডিং বন্ধ এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণের দাবিতে প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘সরকার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দেওয়ার যে কথা বলছে সেটা একটি মিথ্যা কথা। সরকার বলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৫ হাজার মেগাওয়াট অথচ এখন বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় ৬ থেকে ৭ হাজার মেগাওয়াট। সরকার বলেছে সেপ্টেম্বরের পরে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান হবে। তখন তো শীত আসবে এমনিতেই বিদ্যুতের চাপ কমবে। এটা বলার দরকার কি।’
মান্না বলেন, ‘সরকার যত মেগা প্রজেক্ট হাতে নিচ্ছে সবগুলোতে মেগা দুর্নীতি হচ্ছে। এই সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। সেই সরকার কীভাবে কাজ করবে তা আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত হবে। এই নির্বাচন কমিশন ও ইভিএমের অধীনে নির্বাচনে যাবোনা এটা গণতন্ত্রকামী সকল বিরোধী দলের সিদ্ধান্ত।’
এই সরকারের আমলে আমাদের ভাত কাপড় রুটি রুজিসহ কোন অধিকারই নিরাপদ নয় জানিয়ে মান্না বলেন, ‘১০ টাকা কেজি চাল খাওয়ানোর কথা বলে ক্ষমতায় এসে জিনিসপত্রের দাম বাড়ার পরে বলে জিনিসপত্রের দাম কিছুটা বেড়েছে ওটা আমরা ঠিক করে নিবো। দেশে একটা সংকট হলে মানুষ প্রতিবাদ করে তখন সরকার আরেকটা সংকট তৈরি করে যাতে মানুষ আগেরটা ভুলে পরেরটা নিয়ে কথা বলে।’
খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করে মান্না বলেন, ‘আমেরিকার মতো দেশসহ পৃথিবীর অনেক বড় বড় দেশ পুলিশ-র্যাবের বড় কর্মকর্তার ওপরে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। চিন্তা করে দেখেন র্যাব-পুলিশের মতো বাহিনী যদি আন্তর্জাতিকভাবে ঘৃণিত হয় তাহলে আমাদের সম্মান থাকে কোথায়। সরকার বিদেশি নিষেধাজ্ঞাকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল বলছে তাহলে খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসা সুযোগ না দেওয়া আরও বড় মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।’
প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচিতে গণতন্ত্র ফোরামের সহসভাপতি হাসনাত মো. রায়হানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ, সাবেক এমপি বিলকিস ইসলাম, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য রাজিয়া আলিম প্রমুখ।

সরকার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দেওয়ার যে কথা বলত তা মিথ্যা বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। আজ শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণতন্ত্র ফোরাম আয়োজিত বেগম খালেদা জিয়াসহ সকল রাজবন্দীদের মুক্তি, সর্বনাশা লোডশেডিং বন্ধ এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণের দাবিতে প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘সরকার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দেওয়ার যে কথা বলছে সেটা একটি মিথ্যা কথা। সরকার বলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৫ হাজার মেগাওয়াট অথচ এখন বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় ৬ থেকে ৭ হাজার মেগাওয়াট। সরকার বলেছে সেপ্টেম্বরের পরে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান হবে। তখন তো শীত আসবে এমনিতেই বিদ্যুতের চাপ কমবে। এটা বলার দরকার কি।’
মান্না বলেন, ‘সরকার যত মেগা প্রজেক্ট হাতে নিচ্ছে সবগুলোতে মেগা দুর্নীতি হচ্ছে। এই সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। সেই সরকার কীভাবে কাজ করবে তা আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত হবে। এই নির্বাচন কমিশন ও ইভিএমের অধীনে নির্বাচনে যাবোনা এটা গণতন্ত্রকামী সকল বিরোধী দলের সিদ্ধান্ত।’
এই সরকারের আমলে আমাদের ভাত কাপড় রুটি রুজিসহ কোন অধিকারই নিরাপদ নয় জানিয়ে মান্না বলেন, ‘১০ টাকা কেজি চাল খাওয়ানোর কথা বলে ক্ষমতায় এসে জিনিসপত্রের দাম বাড়ার পরে বলে জিনিসপত্রের দাম কিছুটা বেড়েছে ওটা আমরা ঠিক করে নিবো। দেশে একটা সংকট হলে মানুষ প্রতিবাদ করে তখন সরকার আরেকটা সংকট তৈরি করে যাতে মানুষ আগেরটা ভুলে পরেরটা নিয়ে কথা বলে।’
খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করে মান্না বলেন, ‘আমেরিকার মতো দেশসহ পৃথিবীর অনেক বড় বড় দেশ পুলিশ-র্যাবের বড় কর্মকর্তার ওপরে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। চিন্তা করে দেখেন র্যাব-পুলিশের মতো বাহিনী যদি আন্তর্জাতিকভাবে ঘৃণিত হয় তাহলে আমাদের সম্মান থাকে কোথায়। সরকার বিদেশি নিষেধাজ্ঞাকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল বলছে তাহলে খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসা সুযোগ না দেওয়া আরও বড় মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।’
প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচিতে গণতন্ত্র ফোরামের সহসভাপতি হাসনাত মো. রায়হানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ, সাবেক এমপি বিলকিস ইসলাম, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য রাজিয়া আলিম প্রমুখ।

বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে গিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর শোক-সন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাতে আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে সেখানে যান তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদায় বেলায়’ শিরোনামের এই কবিতা দিয়ে ফেসবুকে দাদি বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করলেন জাইমা রহমান। কবিতার সঙ্গে তিনি একটি ছবিও শেয়ার করেছেন। এতে দেখা যায়, দাদির সঙ্গে মুখোমুখি বসে আছেন জাইমা।
৩ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির সমঝোতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগের দিন যে ৩০ জন নেতা এই সমঝোতা না করতে দলের আহ্বায়ককে স্মারকলিপি দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে প্রথম নামটি ছিল মুশফিকের। মুশফিক উস সালেহীনের পদত্যাগের মাধ্যমে জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতাকে কেন্দ্র করে অন্তত ১০ জন কেন্দ্রীয় নেতা এনসিপি ছাড়লেন।
৪ ঘণ্টা আগে
আলোচিত মডেল মেঘনা আলমের কোনো নেই কোনো গয়না, গাড়ি বা আসবাবপত্র। পেশায় রাজনৈতিক প্রশিক্ষক হলেও আয় করেন ব্যবসা থেকে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে জমা দেওয়া মনোনয়নপত্রে এমনই তথ্য উল্লেখ করেছেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে