নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পুলিশি হত্যাকাণ্ড, আয়না ঘরে নির্যাতনের বিচার, চা শ্রমিকদের দাবি মেনে নেওয়া, জ্বালানি তেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কমানোর দাবিতে গণসংহতি আন্দোলনের সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার প্রেসক্লাব থেকে সচিবালয় ঘেরাওয়ের উদ্দেশে গণসংহতির মিছিলটি জিরো পয়েন্টে পৌঁছালে পুলিশের বাঁধার মুখে পড়ে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে ধ্বস্তাধ্বস্তিতে দলটির চার কর্মী আহত হয়েছেন। আহতেরা হলেন-গণসংহতির সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূঁইয়া, জুয়েল হোসেন, আরমানুল হক ও সৌরভ। এরপর তারা জিরো পয়েন্ট থেকে মিছিল নিয়ে পুনরায় প্রেসক্লাবের সামনে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি সমাপ্ত করেন।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের মাথাপিছু আয় কত, তা চা শ্রমিকেরা অঙ্ক করে বুঝিয়ে দিচ্ছেন। ন্যায্য মজুরির দাবিতে তারা অনেক দিন ধরে আন্দোলন করে আসছে অথচ সরকার তাদের দাবির ব্যাপারে উদাসীন। তারা তো রাষ্ট্র দখল করতে আসে নাই। তাহলে তাদের এই ন্যায্য দাবি কেন মানা হচ্ছে না। দিন দিন চা পাতার দাম বাড়ছে। চায়ের রপ্তানিও বেড়েছে। তাহলে শ্রমিকদের বেতন বাড়ে না কেন।’
জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘আমাদের প্রবাসী, গার্মেন্টস শ্রমিকেরা ডলার আনে বিদেশ থেকে। আর আমাদের লুটপাটের দল সেই ডলার বিদেশে নিজের অ্যাকাউন্টে ভর্তি করে। ফ্যাসিবাদী সরকারের লুটতরাজদের কারণে আজ দেশের এই পরিস্থিতি।’
আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে সাকী বলেন, ‘আপনারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করে মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছেন। অসাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে তারা নির্দিষ্ট শ্রেণির কাছে ভালো সাজতে চাইছে। তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললেই তারা তাদের রাজাকার ও পাকিস্তানি ট্যাগ লাগিয়ে হেনস্তা করছে।’
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন গণসংহতি আন্দোলনের দীপক রায়, বাচ্চু ভূঁইয়া, মাসুদ রানা, মনির উদ্দিন, জুলকার নাইন বাবু প্রমুখ।

পুলিশি হত্যাকাণ্ড, আয়না ঘরে নির্যাতনের বিচার, চা শ্রমিকদের দাবি মেনে নেওয়া, জ্বালানি তেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কমানোর দাবিতে গণসংহতি আন্দোলনের সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার প্রেসক্লাব থেকে সচিবালয় ঘেরাওয়ের উদ্দেশে গণসংহতির মিছিলটি জিরো পয়েন্টে পৌঁছালে পুলিশের বাঁধার মুখে পড়ে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে ধ্বস্তাধ্বস্তিতে দলটির চার কর্মী আহত হয়েছেন। আহতেরা হলেন-গণসংহতির সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূঁইয়া, জুয়েল হোসেন, আরমানুল হক ও সৌরভ। এরপর তারা জিরো পয়েন্ট থেকে মিছিল নিয়ে পুনরায় প্রেসক্লাবের সামনে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি সমাপ্ত করেন।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের মাথাপিছু আয় কত, তা চা শ্রমিকেরা অঙ্ক করে বুঝিয়ে দিচ্ছেন। ন্যায্য মজুরির দাবিতে তারা অনেক দিন ধরে আন্দোলন করে আসছে অথচ সরকার তাদের দাবির ব্যাপারে উদাসীন। তারা তো রাষ্ট্র দখল করতে আসে নাই। তাহলে তাদের এই ন্যায্য দাবি কেন মানা হচ্ছে না। দিন দিন চা পাতার দাম বাড়ছে। চায়ের রপ্তানিও বেড়েছে। তাহলে শ্রমিকদের বেতন বাড়ে না কেন।’
জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘আমাদের প্রবাসী, গার্মেন্টস শ্রমিকেরা ডলার আনে বিদেশ থেকে। আর আমাদের লুটপাটের দল সেই ডলার বিদেশে নিজের অ্যাকাউন্টে ভর্তি করে। ফ্যাসিবাদী সরকারের লুটতরাজদের কারণে আজ দেশের এই পরিস্থিতি।’
আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে সাকী বলেন, ‘আপনারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করে মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছেন। অসাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে তারা নির্দিষ্ট শ্রেণির কাছে ভালো সাজতে চাইছে। তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললেই তারা তাদের রাজাকার ও পাকিস্তানি ট্যাগ লাগিয়ে হেনস্তা করছে।’
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন গণসংহতি আন্দোলনের দীপক রায়, বাচ্চু ভূঁইয়া, মাসুদ রানা, মনির উদ্দিন, জুলকার নাইন বাবু প্রমুখ।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
১ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
৩ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
৩ ঘণ্টা আগে