নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

শান্তি সমাবেশে ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীদের উপস্থিতিকে ‘ট্রেলার’ আখ্যা দিয়েছেন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন। তিনি বলেন, ‘আজকে এখানে যে জমায়েত এটা ট্রেলার। আগামী দিনে আরও বড় জমায়েত হবে। পিকচার আভি বাকি হ্যায় মেরে দোস্ত। আজকের ছাত্র সমাজ আমাদের সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি দায়বদ্ধ আছে।’
আজ শুক্রবার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে আয়োজিত আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম তিন সংগঠনের আয়োজনে শান্তি সমাবেশে সাদ্দাম এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘রাজপথের হুংকার অনেকেই দিচ্ছেন। রাজপথে পরাজয়ের কথা তাঁরা ভুলে গেছেন।’ যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের যৌথ উদ্যোগে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উদ্দেশে সাদ্দাম বলেন, ‘তিনি লুটপাটের যুবরাজ হতে পারেন, রাজপথের রাজা ছাত্রলীগ। এমন নেতা কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি, লুটপাটের যুবরাজ, এমন নেতা তিনি। ছাত্রসমাজ কালো হাত গুঁড়ো করে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেওয়া হবে না।’
এ সময় তিনি বলেন, পল্টন কখনো জিততে পারে না, বায়তুল মোকাররমই জিতবে।
ছাত্রলীগ সভাপতি আরও বলেন, ‘গণতন্ত্র বিরোধী যে অপশক্তি, আগামী দিনে যারা অনির্বাচিত সরকারের সঙ্গে হাত মেলানোর চিন্তা করছেন তাঁদের সেই ষড়যন্ত্রের কালো হাত আমরা ভেঙে দেব।’
সমাবেশে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু বলেন, আওয়ামী লীগ চাইলে বিএনপি ১০ মিনিট রাজপথে টিকে থাকতে পারবে না। কিন্তু আওয়ামী লীগ আইনের শাসনে বিশ্বাস করে।
বিএনপিকে নির্বাচনে আসার আহ্বান জানিয়ে গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু বলেন, সবার মিছিল–মিটিং করার অধিকার রয়েছে। কিন্তু কেউ যদি মিছিল–মিটিংয়ের নামে অশান্তি-অরাজকতা তৈরি করে, তাদেরকে যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ প্রতিরোধ করবে। কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। তিনি বলেন, আল্লাহও চায় না বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসুক।
বিএনপির উদ্দেশে শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান বলেন, ‘কথায় কথায় বলেন ঢাকায় বসে পড়বেন। আপনারা যদি ভাবেন সংবিধানের এক চুল বাইরে নির্বাচন হবে তাহলে সারা বাংলাদেশের কোটি কোটি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা রাস্তায় বসে পড়ব। আমরা দেখাব কত ধানে কত চাল।’
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমাদের বিচলিত হওয়ার সুযোগ নেই। দয়াল মুরশীদ যার সখা তার কীসের ভাবনা।’

শান্তি সমাবেশে ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীদের উপস্থিতিকে ‘ট্রেলার’ আখ্যা দিয়েছেন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন। তিনি বলেন, ‘আজকে এখানে যে জমায়েত এটা ট্রেলার। আগামী দিনে আরও বড় জমায়েত হবে। পিকচার আভি বাকি হ্যায় মেরে দোস্ত। আজকের ছাত্র সমাজ আমাদের সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি দায়বদ্ধ আছে।’
আজ শুক্রবার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে আয়োজিত আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম তিন সংগঠনের আয়োজনে শান্তি সমাবেশে সাদ্দাম এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘রাজপথের হুংকার অনেকেই দিচ্ছেন। রাজপথে পরাজয়ের কথা তাঁরা ভুলে গেছেন।’ যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের যৌথ উদ্যোগে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উদ্দেশে সাদ্দাম বলেন, ‘তিনি লুটপাটের যুবরাজ হতে পারেন, রাজপথের রাজা ছাত্রলীগ। এমন নেতা কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি, লুটপাটের যুবরাজ, এমন নেতা তিনি। ছাত্রসমাজ কালো হাত গুঁড়ো করে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেওয়া হবে না।’
এ সময় তিনি বলেন, পল্টন কখনো জিততে পারে না, বায়তুল মোকাররমই জিতবে।
ছাত্রলীগ সভাপতি আরও বলেন, ‘গণতন্ত্র বিরোধী যে অপশক্তি, আগামী দিনে যারা অনির্বাচিত সরকারের সঙ্গে হাত মেলানোর চিন্তা করছেন তাঁদের সেই ষড়যন্ত্রের কালো হাত আমরা ভেঙে দেব।’
সমাবেশে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু বলেন, আওয়ামী লীগ চাইলে বিএনপি ১০ মিনিট রাজপথে টিকে থাকতে পারবে না। কিন্তু আওয়ামী লীগ আইনের শাসনে বিশ্বাস করে।
বিএনপিকে নির্বাচনে আসার আহ্বান জানিয়ে গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু বলেন, সবার মিছিল–মিটিং করার অধিকার রয়েছে। কিন্তু কেউ যদি মিছিল–মিটিংয়ের নামে অশান্তি-অরাজকতা তৈরি করে, তাদেরকে যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ প্রতিরোধ করবে। কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। তিনি বলেন, আল্লাহও চায় না বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসুক।
বিএনপির উদ্দেশে শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান বলেন, ‘কথায় কথায় বলেন ঢাকায় বসে পড়বেন। আপনারা যদি ভাবেন সংবিধানের এক চুল বাইরে নির্বাচন হবে তাহলে সারা বাংলাদেশের কোটি কোটি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা রাস্তায় বসে পড়ব। আমরা দেখাব কত ধানে কত চাল।’
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমাদের বিচলিত হওয়ার সুযোগ নেই। দয়াল মুরশীদ যার সখা তার কীসের ভাবনা।’

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
৪ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
৪ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
৪ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানির এক পর্যায়ে ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বাগ্বিতণ্ডায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে বাধে হট্টগোল।
৬ ঘণ্টা আগে