নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঐকমত্য কমিশনের সংলাপ থেকে মৌলিক সংস্কারের প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন না হলে গণভোটের প্রস্তাব করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, ‘আমরা আশা করি, সবাই জনগণের পক্ষে থাকবে। কিন্তু যদি কেউ সংস্কার বাধাগ্রস্ত করে, তাহলে একমাত্র পথ হচ্ছে গণভোট। জনগণই ঠিক করবে তারা কোন পদ্ধতি চায়, কোন সংস্কার চায়। গণভোটের ফলকেই ভবিষ্যতের জন্য চূড়ান্ত ম্যান্ডেট হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। যদি জনগণ সংস্কার চায়, কেউ এর বিরোধিতা করার অধিকার রাখে না।’
আজ মঙ্গলবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে দ্বিতীয় ধাপের সংলাপের ১৪তম দিন শেষে এসব কথা বলেন দলটির নায়েবে আমির।
তাহের জানান, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠনের বিষয়ে কমিশন যেসব প্রস্তাব দিয়েছে, তার মধ্যে উচ্চকক্ষে প্রাপ্ত ভোটের ভিত্তিতে (পিআর পদ্ধতিতে) নির্বাচনের বিষয়ে অধিকাংশ রাজনৈতিক দল একমত হয়েছে। তাহের বলেন, ‘আমরা আশা করি, কমিশন সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের অভিমতের ভিত্তিতে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।’
দলটির নায়েবে আমির জানান, উচ্চকক্ষে এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যেখানে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোট অনুযায়ী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে। এতে শুধু বড় দল নয়, ছোট দলগুলোর কণ্ঠও উচ্চকক্ষে প্রতিফলিত হবে এবং একটি ভারসাম্যপূর্ণ জাতীয় আইনসভা গড়ে উঠবে।
সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে জামায়াতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এটি যেন সহজে পরিবর্তনযোগ্য না হয়। এ জন্য তারা নিম্নকক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ এবং উচ্চকক্ষে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ধারা—যেমন সংবিধানের প্রস্তাবনা, ৮, ৪৮, ৫৬, ১৪২ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত ৫৮(ক), (গ) ও (ঘ) সংশোধনের জন্য গণভোটের প্রয়োজনীয়তা রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা প্রায় সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়েছে।
সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘সংবিধান জাতীয় স্বার্থের দলিল। এটা যেন কোনো একক দল তাদের ইচ্ছেমতো পরিবর্তন করতে না পারে, সে জন্যেই আমরা এই সুরক্ষার বিধান চেয়েছি।’
নারী প্রতিনিধিত্ব নিয়ে জামায়াতের অবস্থান স্পষ্ট করে তাহের বলেন, ‘আমরা ১০০টি আসনে নারীদের সরাসরি নির্বাচনের বিরোধিতা করছি না। তবে বাংলাদেশের বাস্তবতায় মাঠে-ময়দানে নারী প্রার্থীদের জন্য যেসব চ্যালেঞ্জ থাকে, তা বিবেচনায় এনে প্রস্তাব করেছি— এই ১০০টি আসনও পিআর পদ্ধতিতে নির্ধারিত হোক।’
তিনি বলেন, পিআর পদ্ধতিতে হলে নারীদের মাঠে নামতে না হলেও দলীয়ভাবে মনোনয়ন পাওয়া যাবে এবং জাতীয়ভাবে ভোটে নির্বাচিত হওয়া যাবে। এতে নারীদের নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ দুটোই নিশ্চিত হবে।
জামায়াত নেতার মতে, শুধু ১০০ নারী আসনে নারীরা ভোট দেবে, আর বাকি ৩০০ আসনে নারী-পুরুষ উভয়েই ভোট দেবে—এ ধরনের ব্যবস্থায় অসামঞ্জস্য তৈরি হয়। তাই তিনি সবগুলো আসনেই পিআর পদ্ধতির প্রস্তাব দেন, যাতে নারী-পুরুষ উভয়ই অংশ নেওয়ার সমান সুযোগ পান।

ঐকমত্য কমিশনের সংলাপ থেকে মৌলিক সংস্কারের প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন না হলে গণভোটের প্রস্তাব করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, ‘আমরা আশা করি, সবাই জনগণের পক্ষে থাকবে। কিন্তু যদি কেউ সংস্কার বাধাগ্রস্ত করে, তাহলে একমাত্র পথ হচ্ছে গণভোট। জনগণই ঠিক করবে তারা কোন পদ্ধতি চায়, কোন সংস্কার চায়। গণভোটের ফলকেই ভবিষ্যতের জন্য চূড়ান্ত ম্যান্ডেট হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। যদি জনগণ সংস্কার চায়, কেউ এর বিরোধিতা করার অধিকার রাখে না।’
আজ মঙ্গলবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে দ্বিতীয় ধাপের সংলাপের ১৪তম দিন শেষে এসব কথা বলেন দলটির নায়েবে আমির।
তাহের জানান, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠনের বিষয়ে কমিশন যেসব প্রস্তাব দিয়েছে, তার মধ্যে উচ্চকক্ষে প্রাপ্ত ভোটের ভিত্তিতে (পিআর পদ্ধতিতে) নির্বাচনের বিষয়ে অধিকাংশ রাজনৈতিক দল একমত হয়েছে। তাহের বলেন, ‘আমরা আশা করি, কমিশন সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের অভিমতের ভিত্তিতে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।’
দলটির নায়েবে আমির জানান, উচ্চকক্ষে এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যেখানে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোট অনুযায়ী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে। এতে শুধু বড় দল নয়, ছোট দলগুলোর কণ্ঠও উচ্চকক্ষে প্রতিফলিত হবে এবং একটি ভারসাম্যপূর্ণ জাতীয় আইনসভা গড়ে উঠবে।
সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে জামায়াতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এটি যেন সহজে পরিবর্তনযোগ্য না হয়। এ জন্য তারা নিম্নকক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ এবং উচ্চকক্ষে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ধারা—যেমন সংবিধানের প্রস্তাবনা, ৮, ৪৮, ৫৬, ১৪২ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত ৫৮(ক), (গ) ও (ঘ) সংশোধনের জন্য গণভোটের প্রয়োজনীয়তা রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা প্রায় সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়েছে।
সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘সংবিধান জাতীয় স্বার্থের দলিল। এটা যেন কোনো একক দল তাদের ইচ্ছেমতো পরিবর্তন করতে না পারে, সে জন্যেই আমরা এই সুরক্ষার বিধান চেয়েছি।’
নারী প্রতিনিধিত্ব নিয়ে জামায়াতের অবস্থান স্পষ্ট করে তাহের বলেন, ‘আমরা ১০০টি আসনে নারীদের সরাসরি নির্বাচনের বিরোধিতা করছি না। তবে বাংলাদেশের বাস্তবতায় মাঠে-ময়দানে নারী প্রার্থীদের জন্য যেসব চ্যালেঞ্জ থাকে, তা বিবেচনায় এনে প্রস্তাব করেছি— এই ১০০টি আসনও পিআর পদ্ধতিতে নির্ধারিত হোক।’
তিনি বলেন, পিআর পদ্ধতিতে হলে নারীদের মাঠে নামতে না হলেও দলীয়ভাবে মনোনয়ন পাওয়া যাবে এবং জাতীয়ভাবে ভোটে নির্বাচিত হওয়া যাবে। এতে নারীদের নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ দুটোই নিশ্চিত হবে।
জামায়াত নেতার মতে, শুধু ১০০ নারী আসনে নারীরা ভোট দেবে, আর বাকি ৩০০ আসনে নারী-পুরুষ উভয়েই ভোট দেবে—এ ধরনের ব্যবস্থায় অসামঞ্জস্য তৈরি হয়। তাই তিনি সবগুলো আসনেই পিআর পদ্ধতির প্রস্তাব দেন, যাতে নারী-পুরুষ উভয়ই অংশ নেওয়ার সমান সুযোগ পান।

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
৬ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
৭ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
৭ ঘণ্টা আগে