আজকের পত্রিকা ডেস্ক

প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা বসে আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক।
আজ বুধবার নয়াপল্টনে ভাসানী মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর উত্তর ওলামা দলের নতুন কমিটির পরিচিতি সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ‘দেশের মানুষ বুক চিতিয়ে রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছে। অথচ দেশ আজও ষড়যন্ত্র থেকে মুক্ত হয়নি। প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা বসে আছে। অন্তর্বর্তী সরকারে বিতর্কিত ব্যক্তিদের উপদেষ্টা করা হচ্ছে।’
অন্তর্বর্তী সরকারকে বিতর্কিত ও বিব্রত করতে ষড়যন্ত্র চলছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সরকারকে সতর্ক করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘এমন পথে এগোবেন না যেটার কারণে জনগণ আপনাদের আবার প্রত্যাখ্যান করে দেয়। এমন সংস্কার হাতে নেবেন না, যেটা জনপ্রতিনিধিরা করবেন। আমরা নির্বাচন, নির্বাচনের দিনক্ষণ, নির্বাচনের প্রস্তুতি চাই, নির্বাচন কমিশন গঠন চাই, সংস্কারও চাই। কিন্তু বিতর্কিত ব্যক্তিদের কবলে পড়ে আবার যেন নির্বাচন বিলম্বিত না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের নেতা তারেক রহমান বলেছেন আমাদের ধৈর্য ধরতে, সেই ধৈর্য আমরা ধরেছি। কিন্তু বিতর্কিত ব্যক্তিরা প্রশাসনে যাবে, আওয়ামী লীগের দোসররা মন্ত্রণালয়গুলোতে যাবে, সেটাতো হতে পারে না।’
অনুষ্ঠানে বিএনপির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এটিএম আব্দুল বারী ড্যানী, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য নেসারুল হক, ওলামা দলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ সেলিম, সদস্যসচিব মো. আবুল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা বসে আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক।
আজ বুধবার নয়াপল্টনে ভাসানী মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর উত্তর ওলামা দলের নতুন কমিটির পরিচিতি সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ‘দেশের মানুষ বুক চিতিয়ে রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছে। অথচ দেশ আজও ষড়যন্ত্র থেকে মুক্ত হয়নি। প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা বসে আছে। অন্তর্বর্তী সরকারে বিতর্কিত ব্যক্তিদের উপদেষ্টা করা হচ্ছে।’
অন্তর্বর্তী সরকারকে বিতর্কিত ও বিব্রত করতে ষড়যন্ত্র চলছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সরকারকে সতর্ক করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘এমন পথে এগোবেন না যেটার কারণে জনগণ আপনাদের আবার প্রত্যাখ্যান করে দেয়। এমন সংস্কার হাতে নেবেন না, যেটা জনপ্রতিনিধিরা করবেন। আমরা নির্বাচন, নির্বাচনের দিনক্ষণ, নির্বাচনের প্রস্তুতি চাই, নির্বাচন কমিশন গঠন চাই, সংস্কারও চাই। কিন্তু বিতর্কিত ব্যক্তিদের কবলে পড়ে আবার যেন নির্বাচন বিলম্বিত না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের নেতা তারেক রহমান বলেছেন আমাদের ধৈর্য ধরতে, সেই ধৈর্য আমরা ধরেছি। কিন্তু বিতর্কিত ব্যক্তিরা প্রশাসনে যাবে, আওয়ামী লীগের দোসররা মন্ত্রণালয়গুলোতে যাবে, সেটাতো হতে পারে না।’
অনুষ্ঠানে বিএনপির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এটিএম আব্দুল বারী ড্যানী, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য নেসারুল হক, ওলামা দলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ সেলিম, সদস্যসচিব মো. আবুল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
২ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
৩ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
৪ ঘণ্টা আগে