নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সরকার পতনের আহ্বান জানিয়ে রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও পদযাত্রা করেছেন সাতটি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত গণতন্ত্র মঞ্চ। আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জ্বালানি তেল ও দ্রব্যমূল্য কমানোর দাবিতে এই বিক্ষোভ ও পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপস্থিত জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি বলেন, ‘এই ফ্যাসিবাদী সরকারকে দেশ থেকে বিদায় করতে হবে। এই অত্যাচারী সরকারকে যারা সাহায্য-সহযোগিতা করছে তাদের বাংলাদেশ থেকে যেতে দেওয়া হবে না। বাংলাদেশের জনগণ খেতে পারছে না আর আপনারা দালালি করে বিদেশে টাকা পাচার করছেন। সরকার দলের লোকজন মনে করে আমরা ক্রীতদাস। আমরা এই সরকার চাই না। আমরা ফ্যাসিবাদী সরকার চাই না।’
আ স ম আবদুর রব আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের যারা জুয়া খেলার ক্যাসিনো রাখার নিয়ম তৈরি করছে, তাদের বিচার থেকে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। তাহলে বাংলাদেশে আইন-আদালত কোথায় আছে। বাধা দিলে বাঁধবে লড়াই-এই লড়াইয়ে জিততে হবে। সারা বাংলাদেশে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে আগুন জ্বালিয়ে দেব।’
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন যে কথা বলেছেন সেটা আসলে সরকারেরই বক্তব্য। আমরা এ সরকারকে পতন করে ঘরে ফিরব। সব রাজনৈতিক দল বলছে—ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে নির্বাচন হতে পারে না। আর কমিশনার ১৫০ আসনে ইভিএমের কথা বলছেন।’
তিনি বলেন, ‘দেশে যারা দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়াচ্ছেন সবাই সরকারি দলের লোক। এ সরকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে পারছে না।’
মান্না আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের পুলিশপ্রধান অনেক দেন-দরবার করে জাতিসংঘের ভিসা পেয়েছেন। কনফারেন্সের বাইরে তিনি কোথাও যেতে পারবেন না। পুলিশপ্রধান যে হোটেলে আছেন সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে নজরদারি রাখা হয়েছে। আজ বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ পুলিশকে নিম্নমানের পুলিশ বানানো হয়েছে।’
গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব নুরুল হক নুর বলেন, ‘ছাত্রলীগ যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের গুন্ডা পান্ডারাসহ সকলেই মিছিল মিটিংয়ে হামলা করছে। তারা গণতন্ত্রকে হামলা করে হত্যা করে করেছে। আগামীতে সকলেই মিলে আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে বলতে চাই আগামী নির্বাচনে ইভিএম ভোট হবে না। শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন নয়। আগামীতে নির্বাচন জাতীয় সরকার অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। এবং অন্তর্বর্তী কালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে।’
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘নানা জায়গা বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশে এ সরকারের গুন্ডা বাহিনী ছাত্রলীগ, যুবলীগ নানাভাবে হামলা করছে এবং একই সঙ্গে রাষ্ট্রের পুলিশ বাহিনীও হামলা চালাচ্ছে। হামলা করে আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না। এ সরকার ডলার সংকটে আমদানির বিল দিতে পারছে না। দুর্নীতির কারণে হচ্ছে। জ্বালানি তেলে লাভ করেছেন, কর, ভ্যাট নিয়েছেন, সমন্বয় করেন। তাহলে এই দাম বাড়ানোর দরকার নেই। মানুষের ভয়াবহ নাভিশ্বাস অবস্থা। মানুষের পেটে লাথি মারবেন না।’
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন—ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক শেখ রফিকুল ইসলাম ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাউয়ূম। সমাবেশ শেষে গণতন্ত্র মঞ্চের পদযাত্রাটি প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শুরু হয়ে পুরানা পল্টন, নাইটিঙ্গেল মোড় হয়ে শান্তিনগর গিয়ে শেষ হয়।

সরকার পতনের আহ্বান জানিয়ে রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও পদযাত্রা করেছেন সাতটি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত গণতন্ত্র মঞ্চ। আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জ্বালানি তেল ও দ্রব্যমূল্য কমানোর দাবিতে এই বিক্ষোভ ও পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপস্থিত জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি বলেন, ‘এই ফ্যাসিবাদী সরকারকে দেশ থেকে বিদায় করতে হবে। এই অত্যাচারী সরকারকে যারা সাহায্য-সহযোগিতা করছে তাদের বাংলাদেশ থেকে যেতে দেওয়া হবে না। বাংলাদেশের জনগণ খেতে পারছে না আর আপনারা দালালি করে বিদেশে টাকা পাচার করছেন। সরকার দলের লোকজন মনে করে আমরা ক্রীতদাস। আমরা এই সরকার চাই না। আমরা ফ্যাসিবাদী সরকার চাই না।’
আ স ম আবদুর রব আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের যারা জুয়া খেলার ক্যাসিনো রাখার নিয়ম তৈরি করছে, তাদের বিচার থেকে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। তাহলে বাংলাদেশে আইন-আদালত কোথায় আছে। বাধা দিলে বাঁধবে লড়াই-এই লড়াইয়ে জিততে হবে। সারা বাংলাদেশে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে আগুন জ্বালিয়ে দেব।’
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন যে কথা বলেছেন সেটা আসলে সরকারেরই বক্তব্য। আমরা এ সরকারকে পতন করে ঘরে ফিরব। সব রাজনৈতিক দল বলছে—ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে নির্বাচন হতে পারে না। আর কমিশনার ১৫০ আসনে ইভিএমের কথা বলছেন।’
তিনি বলেন, ‘দেশে যারা দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়াচ্ছেন সবাই সরকারি দলের লোক। এ সরকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে পারছে না।’
মান্না আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের পুলিশপ্রধান অনেক দেন-দরবার করে জাতিসংঘের ভিসা পেয়েছেন। কনফারেন্সের বাইরে তিনি কোথাও যেতে পারবেন না। পুলিশপ্রধান যে হোটেলে আছেন সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে নজরদারি রাখা হয়েছে। আজ বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ পুলিশকে নিম্নমানের পুলিশ বানানো হয়েছে।’
গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব নুরুল হক নুর বলেন, ‘ছাত্রলীগ যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের গুন্ডা পান্ডারাসহ সকলেই মিছিল মিটিংয়ে হামলা করছে। তারা গণতন্ত্রকে হামলা করে হত্যা করে করেছে। আগামীতে সকলেই মিলে আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে বলতে চাই আগামী নির্বাচনে ইভিএম ভোট হবে না। শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন নয়। আগামীতে নির্বাচন জাতীয় সরকার অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। এবং অন্তর্বর্তী কালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে।’
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘নানা জায়গা বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশে এ সরকারের গুন্ডা বাহিনী ছাত্রলীগ, যুবলীগ নানাভাবে হামলা করছে এবং একই সঙ্গে রাষ্ট্রের পুলিশ বাহিনীও হামলা চালাচ্ছে। হামলা করে আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না। এ সরকার ডলার সংকটে আমদানির বিল দিতে পারছে না। দুর্নীতির কারণে হচ্ছে। জ্বালানি তেলে লাভ করেছেন, কর, ভ্যাট নিয়েছেন, সমন্বয় করেন। তাহলে এই দাম বাড়ানোর দরকার নেই। মানুষের ভয়াবহ নাভিশ্বাস অবস্থা। মানুষের পেটে লাথি মারবেন না।’
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন—ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক শেখ রফিকুল ইসলাম ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাউয়ূম। সমাবেশ শেষে গণতন্ত্র মঞ্চের পদযাত্রাটি প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শুরু হয়ে পুরানা পল্টন, নাইটিঙ্গেল মোড় হয়ে শান্তিনগর গিয়ে শেষ হয়।

রাজনীতিবিদেরা যদি জনগণের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়, তবে দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ কখনোই সম্ভব হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্লাটফর্ম আয়োজিত ‘জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক সংলাপে এ কথা বলেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
কমিটিতে সিনিয়র সহসভাপতি নেওয়াজ খান বাপ্পিসহ ২৮ জন সহসভাপতি, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলামসহ ২৫ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সহসভাপতি পদমর্যাদায় দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী ত্বোহা, প্রচার সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, অর্থ সম্পাদক পদে রয়েছেন তারেক আজাদ।
৮ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-১ (জামালগঞ্জ-তাহিরপুর-ধর্মপাশা-মধ্যনগর) ও ২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে দুজন করে প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। এ বিষয়ে কেন্দ্র থেকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত করে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি। আর এতেই নেতা-কর্মী, সমর্থক, ভোটারেরা পড়েছেন দ্বিধাদ্বন্দ্ব ও বিভ্রান্তিতে। অনেকে বিএনপির...
১৮ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদত্যাগী কয়েকজন নেতা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সক্রিয় কয়েকজন ছাত্রনেতার সমন্বয়ে নতুন একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ ঘটতে যাচ্ছে। এই প্ল্যাটফর্মের নাম হবে জনযাত্রা (পিপলস মার্চ)। রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১৬ জানুয়ারি (শুক্রবার) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে...
১৯ ঘণ্টা আগে