ঢাবি প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণ অধিকার পরিষদের একাংশের মিছিলে হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শাহবাগ থেকে মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের দিকে যাওয়ার পথে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা মিছিলে বাধা দেন বলে অভিযোগ করেন গণ অধিকারের নেতারা। এতে গণ অধিকার পরিষদের একাংশের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।
গণ অধিকার পরিষদের গণমাধ্যম সমন্বয়ক মো. আবু হানিফ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচিকে বাস্তবায়ন করতে শাহবাগ থেকে মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় গেলে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা হামলা করেন। এতে অনেকই আহত হন। আহতরা ঢাকা মেডিকেলসহ বিভিন্ন মেডিকেলে চিকিৎসা নিচ্ছেন।’
তবে হামলাকারীরা কেউ ছাত্রলীগের নয় বলে জানিয়েছেনে ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত। সৈকত বলেন, ‘ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের সন্ত্রাসের শঙ্কায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ মানববন্ধন করছিল। সেখানে বহিরাগতরা মিছিল নিয়ে নিয়ে এসে কথা-কাটাকাটি হয়েছে বলে শুনেছি। কারা হামলা করছে জানি না, হামলাকারীরা কেউ ছাত্রলীগের নয়।’
তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের অনেকে জানিয়েছেন, হামলাকারীরা সবাই ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন ও সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতের অনুসারী।
এর আগে বিরোধী দলের ওপর হামলা, মাদ্রাসা শিক্ষার্থী হাফেজ রেজাউল হত্যা ও বুয়েট শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে রাজু ভাস্কর্যে বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছিল ছাত্র অধিকার পরিষদ। এর কিছুক্ষণ পরেই ‘বহিরাগত সন্ত্রাসীদের ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল ও শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্টের চক্রান্তের শঙ্কায় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট নিরাপত্তার দাবিতে’–শিরোনামে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে একই সময় রাজু ভাস্কর্যে মানববন্ধনের ঘোষণা দেয় ছাত্রলীগ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা ৩টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল থেকে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা দলে দলে মিছিল ও স্লোগান নিয়ে রাজু ভাস্কর্য, টিএসসি, শাহবাগ, চানখাঁরপুল, কার্জন হল ও দোয়েল চত্বর মোড়ে অবস্থান নিতে শুরু করেন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নুরুল হক নুরের নেতৃত্বে শাহবাগ থেকে মিছিল নিয়ে রাজু ভাস্কর্যের পাশে কিছুক্ষণ অবস্থান নেন গণ অধিকারের নেতারা। পরে মিছিল নিয়ে টিএসসির জনতা ব্যাংকসংলগ্ন গেটের কাছাকাছি আসলেই ‘ভুয়া’ স্লোগান নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। মারতে মারতে তাঁদের ডাচ্-বাংলা বুথের গেটের সামনে নিয়ে যায় ছাত্রলীগ। সেখানে আহত নুরকে রিকশায় করে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যান ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা।
এ ঘটনায় আহতরা হলেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি (একাংশ) নুরুল হক নুর, উচ্চতর পরিষদের সদস্য আব্দুজ জাহের, সদস্য সাদ শিকদার, যুব অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল হোসেন, ছাত্র অধিকার পরিষদের সহসভাপতি তারিকুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেন, সহসাংগঠনিক সম্পাদক তুহিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্র অধিকারের সহসভাপতি মেহেদি, কবি নজরুল সরকারি কলেজের সাংগঠনিক সম্পাদক আকাশ, ঢাকা কলেজের সহসভাপতি রাকিব, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের সভাপতি কাউসার, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাংগঠনিক সম্পাদক তোফায়েল ও মোহাম্মদপুর থানা গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব রাজিব প্রমুখ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণ অধিকার পরিষদের একাংশের মিছিলে হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শাহবাগ থেকে মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের দিকে যাওয়ার পথে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা মিছিলে বাধা দেন বলে অভিযোগ করেন গণ অধিকারের নেতারা। এতে গণ অধিকার পরিষদের একাংশের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।
গণ অধিকার পরিষদের গণমাধ্যম সমন্বয়ক মো. আবু হানিফ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচিকে বাস্তবায়ন করতে শাহবাগ থেকে মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় গেলে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা হামলা করেন। এতে অনেকই আহত হন। আহতরা ঢাকা মেডিকেলসহ বিভিন্ন মেডিকেলে চিকিৎসা নিচ্ছেন।’
তবে হামলাকারীরা কেউ ছাত্রলীগের নয় বলে জানিয়েছেনে ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত। সৈকত বলেন, ‘ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের সন্ত্রাসের শঙ্কায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ মানববন্ধন করছিল। সেখানে বহিরাগতরা মিছিল নিয়ে নিয়ে এসে কথা-কাটাকাটি হয়েছে বলে শুনেছি। কারা হামলা করছে জানি না, হামলাকারীরা কেউ ছাত্রলীগের নয়।’
তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের অনেকে জানিয়েছেন, হামলাকারীরা সবাই ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন ও সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতের অনুসারী।
এর আগে বিরোধী দলের ওপর হামলা, মাদ্রাসা শিক্ষার্থী হাফেজ রেজাউল হত্যা ও বুয়েট শিক্ষার্থীদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে রাজু ভাস্কর্যে বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছিল ছাত্র অধিকার পরিষদ। এর কিছুক্ষণ পরেই ‘বহিরাগত সন্ত্রাসীদের ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল ও শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্টের চক্রান্তের শঙ্কায় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট নিরাপত্তার দাবিতে’–শিরোনামে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে একই সময় রাজু ভাস্কর্যে মানববন্ধনের ঘোষণা দেয় ছাত্রলীগ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা ৩টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল থেকে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা দলে দলে মিছিল ও স্লোগান নিয়ে রাজু ভাস্কর্য, টিএসসি, শাহবাগ, চানখাঁরপুল, কার্জন হল ও দোয়েল চত্বর মোড়ে অবস্থান নিতে শুরু করেন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নুরুল হক নুরের নেতৃত্বে শাহবাগ থেকে মিছিল নিয়ে রাজু ভাস্কর্যের পাশে কিছুক্ষণ অবস্থান নেন গণ অধিকারের নেতারা। পরে মিছিল নিয়ে টিএসসির জনতা ব্যাংকসংলগ্ন গেটের কাছাকাছি আসলেই ‘ভুয়া’ স্লোগান নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। মারতে মারতে তাঁদের ডাচ্-বাংলা বুথের গেটের সামনে নিয়ে যায় ছাত্রলীগ। সেখানে আহত নুরকে রিকশায় করে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যান ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা।
এ ঘটনায় আহতরা হলেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি (একাংশ) নুরুল হক নুর, উচ্চতর পরিষদের সদস্য আব্দুজ জাহের, সদস্য সাদ শিকদার, যুব অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল হোসেন, ছাত্র অধিকার পরিষদের সহসভাপতি তারিকুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেন, সহসাংগঠনিক সম্পাদক তুহিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্র অধিকারের সহসভাপতি মেহেদি, কবি নজরুল সরকারি কলেজের সাংগঠনিক সম্পাদক আকাশ, ঢাকা কলেজের সহসভাপতি রাকিব, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের সভাপতি কাউসার, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাংগঠনিক সম্পাদক তোফায়েল ও মোহাম্মদপুর থানা গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব রাজিব প্রমুখ।

একটি বাসার ভেতর পোস্টাল ব্যালট গণনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি আমি দেখেছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে আমি জানি।’
১ ঘণ্টা আগে
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে কিছু প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, কিছু কিছু প্রার্থীর কথাবার্তা ও কাজকর্ম উসকানিমূলক। তাঁরা বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৯ ঘণ্টা আগে