নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, এবার মোট ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থীর মধ্যে নারী ৮৩ জন। তাঁদের মধ্যে বিজয়ের হাসি হেসেছেন মাত্র সাতজন। তাহলে এবার সংরক্ষিত আসন মিলিয়ে ৫৭ জন নারীর সংসদে পা রাখার সম্ভাবনা রয়েছে।
বাকি আসনগুলোতে বরাবরের মতো পুরুষ সংসদ সদস্যদের দাপট বজায় থাকবে। সংখ্যায় সামান্য হলেও এবার যাঁরা বিজয়ী হয়েছেন, সেই নারী প্রার্থীদের শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।
নারীরা যে এখনো পিছিয়ে আছেন, তা নির্বাচনে তাঁদের অংশগ্রহণ দেখে তো বোঝাই যাচ্ছে। বিজয়ী নারীরা কি পারবেন শিক্ষা ও ক্যারিয়ারে পিছিয়ে পড়া নারীদের সামনে টেনে আনতে? এখন পর্যন্ত যে ১৩টি জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়ে গেছে, সবগুলোতে বিজয়ী নারী সংসদ সদস্যদের কাছে এটি একটি অতি সাধারণ প্রশ্ন। বারবারই এই প্রশ্ন উত্থাপিত হয়। কিন্তু পুরোপুরিভাবে সাফল্য না আসায় প্রশ্নটির সঠিক উত্তর আজও সাবেক কোনো নারী সংসদ সদস্য দিতে পারবেন বলে মনে হয় না।
প্রথম জাতীয় সংসদে ১৫টি সংরক্ষিত আসনের প্রতিনিধিরাই ছিলেন সংসদের নারী সদস্য। দ্বিতীয় সংসদে দুজন নির্বাচিত ও ৩০টি নারী আসন মিলিয়ে মোট ৩২ জন নারী সংসদ সদস্য ছিলেন। চতুর্থ সংসদে সংরক্ষিত আসন ছিল না কিন্তু চারজন নির্বাচিত নারী প্রতিনিধি ছিলেন। পঞ্চম সংসদে পাঁচজন নির্বাচিতসহ ৩৫ জন নারী সংসদ সদস্য ছিলেন। ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনজন নারী সরাসরি নির্বাচিত হন এবং ৩০টি সংরক্ষিত আসন ছিল। ওই নির্বাচনটি বাতিল হয়ে যখন সপ্তম সংসদ নির্বাচন হয়, তখন সরাসরি নির্বাচিত আটজনসহ মোট নারী প্রতিনিধি ছিলেন ৩৮ জন। অষ্টম জাতীয় নির্বাচনে সাতটি আসনে সরাসরি ও ৪৫টি সংরক্ষিত আসনসহ মোট ৫২ জন নারী সংসদ সদস্য হন। নবম সংসদে ২১ জন নারী সরাসরি নির্বাচিত হন। সংরক্ষিত নারী আসন বাড়িয়ে ৫০টি করা হলে মোট নারী সংসদ সদস্য হন ৭০ জন। দশম, একাদশ ও দ্বাদশ নির্বাচনে যথাক্রমে ১৮, ২৩ ও ১৯ জন নারী নির্বাচিত হয়েছিলেন। দেখা যাচ্ছে, সরাসরি নির্বাচিত নারীর সংখ্যা ধীরে ধীরে কমেই আসছে।
নির্বাচনের ক্ষেত্রেই যেখানে নারীরা পিছিয়ে আছেন, সেখানে দেশের সাধারণ নারীদের অধিকার সুরক্ষা কী করে হবে—এই শঙ্কা রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আছে কি না সন্দেহ। নইলে তারা এত কমসংখ্যক নারীকে নির্বাচনে মনোনয়ন দিত না। যত কম নারী প্রার্থী থাকবেন, তত কম নারী সংসদে প্রবেশ করবেন—এ তো সহজ হিসাব। আর কয়টি নির্বাচন হলে নারীরা সংসদে তাঁদের সংখ্যা বাড়াতে পারবেন এবং সাধারণ নারীদের অধিকার আদায়ে সচেষ্ট হতে পারবেন?
এর উত্তর খুঁজতে হলে অবশ্য জনগণের সাহায্যও প্রয়োজন—নারী হোক কিংবা পুরুষ—ভোটাররা কি নারীদের পেছনে পড়ে থাকতে দেবেন?
জামায়াতের পক্ষ থেকে নির্বাচনের আগেই স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তারা কোনো নারী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করবে না। অন্যরা পরের নির্বাচনগুলোতে নারী প্রার্থী না বাড়ালে নিশ্চয়ই সমালোচনার সম্মুখীন হবে।

অর্পিতা নওশিন নামের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজের এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। প্রথম বর্ষ থেকে নওশিন কলেজের অ্যানাটমি বিভাগের একজন শিক্ষকের রোষানলে পড়েন। প্রথম প্রফেশনাল পরীক্ষায় অন্য সব বিষয়ে উত্তীর্ণ হলেও শুধু অ্যানাটমি বিষয়ে ফেল করেন।
১ ঘণ্টা আগে
এ বছরের শুরুর দিকে প্রায়ই একটা প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছি। অনেকেই জানতে চেয়েছেন, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে কোন দল কত আসন পেতে পারে? প্রশ্নটা কেউ করেছেন সিরিয়াসলি, আবার কেউবা নেহাতই কথাচ্ছলে। আমি তো জ্যোতিষী নই, আমি কীভাবে বলব! যাঁরা প্রশ্ন করেছেন, তাঁরাও জানতেন, আমি জ্যোতিষী নই।
১ ঘণ্টা আগে
জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে আলোচিত এবং বিতর্কিত বিষয় হলো সংবিধানের ভবিষ্যৎ। ছাত্র-জনতার এক অভূতপূর্ব অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে নতুন আকাঙ্ক্ষার জন্ম হয়েছে, তাকে একটি স্থায়ী আইনি ও সাংবিধানিক রূপ দেওয়া এখন সময়ের দাবি। বর্তমান বিএনপি সরকার তাদের নির্বাচনী ইশতেহার...
১ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি ক্রমেই বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় বীজের সংগ্রহ ও সংরক্ষণ, বীজের বিস্তারের লক্ষ্যে গ্রামীণ বীজ মেলা অনুষ্ঠিত হলো খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায়। এই বীজ মেলায় স্থানীয় ১৭ গ্রামের অর্ধশতাধিক নারী বীজ প্রদর্শন, বিনিময় ও বিক্রি করেন। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা লোকজ ও মৈত্রী কৃষক ফেডারেশনের যৌথ উদ্যোগে...
২ ঘণ্টা আগে