পৃথিবীর মোট কার্বন নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান নগণ্য। অথচ ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন, লবণাক্ততা আর জলবায়ু উদ্বাস্তু—সবকিছুর সবচেয়ে নির্মম অভিঘাত এখানেই সবচেয়ে পড়ে। উপকূলের মানুষ শহরে আসছে। শহর তাদের জায়গা দিতে পারছে না। ফলে পরিবেশসংকট রূপ নিচ্ছে সামাজিক সংকটেও।

অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে গ্রেট ব্রিটেনে বাষ্পীয় ইঞ্জিন উদ্ভাবন আর বস্ত্রশিল্পে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে যে শিল্পবিপ্লবের সূচনা, সেটি মানুষের হস্তচালিত উৎপাদনব্যবস্থাকে যন্ত্রভিত্তিক ও বৃহদায়তন কারখানায় রূপান্তরিত করে। এই রূপান্তরে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনে বিশ্ব অর্থনীতি, সমাজ ও প্রযুক্তিতে। সেই সঙ্গে পরিবর্তনের সূচনা হয় প্রকৃতি, পরিবেশ ও জলবায়ুতেও। তবে অর্থনীতি, সমাজ ও প্রযুক্তিতে পরিবর্তনটা যত দ্রুত হয়, সেই তুলনায় প্রকৃতি-পরিবেশের পরিবর্তন হয় অনেক ধীরগতিতে। বাষ্পীয় ইঞ্জিনের পর আসে জ্বালানি তেলচালিত ইঞ্জিন আর জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, তেল ও গ্যাস) পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পালা। এরপর ধাপে ধাপে গোড়াপত্তন হয় এয়ারকন্ডিশনার, রেফ্রিজারেটর, অ্যারোসল ও ফোমশিল্পের। বিদ্যুৎ উৎপাদন, কারখানা ও যানবাহনে কয়লা, পেট্রল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ানোর ফলে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গত হয় বায়ুমণ্ডলে। কলকারখানা, আবাসন ও কৃষি উৎপাদনের প্রসারের জন্য বন নিধন শুরু করায়ও বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেড়ে যায়। ধানখেত ও গবাদিপশুর পরিপাকতন্ত্র থেকে উৎপন্ন হয় প্রচুর পরিমাণে মিথেন গ্যাস। এ ছাড়া জমিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে তৈরি হয় নাইট্রাস অক্সাইড। বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইডের মতো ‘গ্রিনহাউস গ্যাস’-এর মাত্রা বৃদ্ধিই গ্লোবাল ওয়ার্মিং তথা বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রধান কারণ।
জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো, বন উজাড়, শিল্পায়ন ও আধুনিক কৃষিকাজ গ্রিনহাউস গ্যাসগুলোর নিঃসরণ বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। এয়ারকন্ডিশনার, রেফ্রিজারেটর, অ্যারোসল ও ফোমশিল্প থেকে নির্গত ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (সিএফসি) গ্যাস ওজোন স্তর ধ্বংস করে এবং বায়ুমণ্ডলে তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। আধুনিক শিল্পকারখানা ও ক্রমবর্ধমান নগরায়ণের প্রত্যক্ষ প্রভাবে বায়ুমণ্ডলে ঘনত্ব বাড়ছে ক্ষতিকর গ্রিনহাউস গ্যাসের। এই গ্যাসগুলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে একটি আস্তরণ তৈরি করে, যা সূর্য থেকে আসা তাপ পৃথিবীতে আটকে রাখে এবং মহাশূন্যে ফিরে যেতে বাধা দেয়। ফলে সামগ্রিকভাবে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে। বিশ্ব উষ্ণায়নই ডেকে এনেছে জলবায়ু বিপর্যয়। ফলে বিশ্বজুড়ে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং চরম আবহাওয়া যেমন—ভয়াবহ বন্যা, খরা ও ঘূর্ণিঝড় বাড়ছে। যখন বৃষ্টির দরকার তখন দেখা দিচ্ছে খরা, যখন খরা প্রয়োজন তখন হচ্ছে অতিবৃষ্টি। ফলে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে কৃষি উৎপাদন ও সুপেয় পানির প্রাপ্যতা।
এবার হাওরাঞ্চলে বোরো ফসলের যে বিপর্যয় ঘটেছে, সেটাও কি প্রকৃতির প্রতিশোধ নয়! হাওরাঞ্চল তো বটেই, সারা দেশেরই নদ-নদী, খাল-বিল ভরাট হয়ে গেছে অনেক আগেই। আত্মবিনাশী উন্নয়নের নামে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) প্রতিটি হাওরকে পুকুর বানিয়ে পানি নিষ্কাশনের পকেট বন্ধ করে দিয়েছে। অতিবৃষ্টির কারণে হাওরে জমা পানি নিষ্কাশিত হওয়ার পথ পায়নি। ‘ভাগালু’ (ভাগে ধান কাটার শ্রমিক) দিয়ে ধান কাটা আর গরু দিয়ে মাড়াইয়ের প্রক্রিয়া থেকে কৃষকেরা বেরিয়ে এসেছেন বেশ আগেই। কিন্তু হাওরের নরম মাটিতে বৃষ্টির মধ্যে তো আর ভারী যন্ত্র দিয়ে ধান কাটার সুযোগ থাকে না। কৃষিকাজে বাস্তবতাবিবর্জিত যান্ত্রিকীকরণের খেসারত আগেও কমবেশি দিতে হয়েছে হাওরের কৃষককে। ধান কাটার মৌসুমে হঠাৎ পাহাড়ি ঢল থেকে পানি নেমে এলে কিংবা লাগাতার বৃষ্টি হলে শ্রমিকের অভাবে ফসল ঘরে তুলতে না পারার ঘটনা নতুন নয়। হাওরে ধান কাটা থেকে শুরু করে শুকিয়ে গোলায় তোলা এবং খড়ের গাদা তৈরির জন্য সময় পাওয়া যায় খুবই কম। তাই বাস্তবতার তাগিদেই কৃষকদের কিছু ক্ষেত্রে সমবায়ী কার্যক্রম চালাতে হতো। অপরিকল্পিত যান্ত্রিকীকরণের ফলে সেই সমবায়ী উদ্যোগ হারিয়ে গেছে তিন-চার দশক আগে। কিন্তু প্রকৃতি তো কারও মর্জি বুঝে চলে না!
পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পরিমাণ কার্বন নিঃসরণের জন্য দায়ী শিল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো। অথচ বছরের পর বছর এর খেসারত দিতে হচ্ছে কম কার্বন নিঃসরণ করা দেশের মানুষজনকে। উষ্ণায়ন ও জলবায়ু বিপর্যয়ের সবচেয়ে বেশি মাশুল গুনছে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল, বিশেষ করে সুন্দরবনের পাশের জনগোষ্ঠী, ভারতের নয়াদিল্লি ও কলকাতার তপ্ত রাস্তার পথচারী, পাকিস্তানের বন্যাকবলিত কিংবা আফ্রিকার খরাপীড়িত গ্রামাঞ্চলের লোকজন। পৃথিবীর মোট কার্বন নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান নগণ্য। অথচ ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন, লবণাক্ততা আর জলবায়ু উদ্বাস্তু—সবকিছুর সবচেয়ে নির্মম অভিঘাত এখানেই সবচেয়ে পড়ে। উপকূলের মানুষ শহরে আসছে। শহর তাদের জায়গা দিতে পারছে না। ফলে পরিবেশসংকট রূপ নিচ্ছে সামাজিক সংকটেও। ঢাকার অভিজাত এলাকার বিত্তবান মানুষেরা তাপপ্রবাহের মধ্যে এসিতে প্রশান্তি পেতে পারে, বাইরের দূষিত বাতাসের প্রভাব এড়াতে বাড়িতে-গাড়িতে এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করতে পারে; কিন্তু বস্তির মানুষ তো বটেই, ছোট দালানের ১০ ফুট বাই ১২ ফুট রুমের বাসিন্দাদেরও ঘেমে-নেয়েই ঘুমাতে হয়, শ্বাস নিতে হয় দূষিত বাতাসেই।
তাই বলে প্রকৃতির রুদ্ররোষ থেকে পুরোপুরি রেহাই পাচ্ছে না ইউরোপ-আমেরিকার শিল্পোন্নত দেশগুলোও। ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়ামসহ ইউরোপের দেশে দেশে চলছে তীব্র তাপপ্রবাহ। গত ২৪ জুন ফ্রান্সজুড়ে গড় হিসাবে ইতিহাসের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। ওই দিন রাজধানী প্যারিসে তাপমাত্রা প্রায় ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায় এবং দেশের অর্ধেক এলাকায় তাপপ্রবাহের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ‘লাল সতর্কতা’ জারি করা হয়। রেকর্ড ভাঙা তাপপ্রবাহে জুন মাসের শেষ সপ্তাহে ফ্রান্সে অতিরিক্ত ২ হাজার ২৫ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ফ্রান্সের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, জুন মাসের শেষ সপ্তাহে মৃত্যুহার এর আগের সপ্তাহের তুলনায় ২৯ শতাংশ বেড়েছে। বেলজিয়ামের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ১৮ থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত ১১ দিনে দেশটিতে ১ হাজার ২২২টি অতিরিক্ত মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে একে ‘অভূতপূর্ব’ আখ্যা দিয়ে বলে, এর আগে দেশের ইতিহাসে কোনো গ্রীষ্মকালে এই মাত্রায় অতিরিক্ত মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। ডাচ কর্তৃপক্ষের তথ্যানুযায়ী, নেদারল্যান্ডসে জুনের শেষ সপ্তাহে প্রচণ্ড গরমের কারণে প্রায় ৪৮০ জন অতিরিক্ত মানুষ মারা গেছে। আবহাওয়াবিদেরা সতর্ক করে বলেছেন, সামনের দিনগুলোতে ইউরোপে আরও চরম তাপমাত্রা দেখা দিতে পারে।
বিবিসির আবহাওয়ার তথ্য অনুযায়ী, আজোরেস অঞ্চল থেকে পর্তুগাল ও স্পেন অভিমুখে একটি শক্তিশালী উচ্চচাপ বলয় তৈরি হচ্ছে। এর প্রভাবে সামনের কয়েক দিনে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের দক্ষিণাঞ্চলে তাপমাত্রা আরও বাড়ার পূর্বাভাস আছে। আগেই বলেছি, বিশ্বজুড়েই জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রা বাড়ছে। তবে ইউরোপে এর প্রভাব বেশি স্পষ্ট। কোপার্নিকাস জলবায়ু সেবার তথ্যানুযায়ী, ইউরোপই বর্তমানে বিশ্বে সবচেয়ে দ্রুত উষ্ণ হয়ে ওঠা মহাদেশ। এখানে বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় দ্বিগুণ গতিতে বাড়ছে তাপমাত্রা। যদিও গরমের আঁচ টের পাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দারাও। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় বিপজ্জনক মাত্রায় তাপপ্রবাহ চলছে। এতে দেশটির স্বাধীনতা দিবস (৪ জুলাই) উদ্যাপনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ব্যাঘাত তৈরি হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, প্রচণ্ড গরমের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিসহ বিভিন্ন স্থানের কর্মকর্তারা ডজনখানেক শোভাযাত্রা, কনসার্ট ও আতশবাজির প্রদর্শনী বাতিল কিংবা স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছেন। ব্যাহত হওয়া অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে আছে ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল মলে আয়োজিত ‘গ্রেট আমেরিকান স্টেট ফেয়ার’। এ মেলা ৩ জুলাই বিকেলে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। তখন তাপমাত্রা পৌঁছেছিল প্রায় ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। নিউইয়র্ক সিটিতে তাপমাত্রা এতটাই বেড়ে যায় যে ম্যানহাটানের রাস্তায় চলাচলের সময় অনেকের জুতার তলা সড়কে আটকে যাচ্ছিল। তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থার ওপরও ভীষণ চাপ তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎ গ্রিড অপারেটর পিজেএম জরুরি বিদ্যুৎ সাশ্রয় কর্মসূচিতে নিবন্ধিত গ্রাহকদের বিদ্যুতের ব্যবহার কমানোর নির্দেশ দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া বিভাগ জানায়, ৩ জুলাই দেশটির মোট জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি ছিল তাপপ্রবাহ-সংক্রান্ত সতর্কতার আওতায়। দেশের কয়েকটি অঞ্চলে তাপমাত্রা-আর্দ্রতা মিলিয়ে শরীরে অনুভূত তাপমাত্রা প্রায় ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
পৃথিবী নামের এই গ্রহটিকে বসবাসের অযোগ্য বানিয়ে অতি ধনাঢ্য কিছু লোক হয়তো একদিন পাড়ি জমাবে অন্য কোনো গ্রহে। কিন্তু সেখানেও তো মানুষকে প্রাকৃতিক নিয়ম মেনেই চলতে হবে। অন্যথায় প্রকৃতি প্রতিশোধ নিতে ছাড়বে না।
লেখক: সাংবাদিক ও গবেষক

মেরুদণ্ড সোজা রাখা কি শুধু হাড়গোড়ের কাজ? মূলত হাড়গোড় ভেঙে গেলে বা অকেজো হলেও তা ঠিক করা যায়। চিকিৎসায় সারিয়ে তোলা সম্ভব। কিন্তু যে মেরুদণ্ড নৈতিক আর জীবনের, তা ঠিক রাখার কোরামিন (অতীতে জরুরি চিকিৎসায় শ্বাসযন্ত্র বা হৃদ্যন্ত্রের কার্যকারিতা উদ্দীপিত করতে এই ওষুধ ব্যবহার করা হতো হচ্ছে) শিক্ষা।
১ ঘণ্টা আগে
দেশবাসী আশা করেছিল জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর মব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে। কিন্তু সে আশায় গুড়ে বালি। আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত এক সংবাদ থেকে জানা যায়, শুধু জুন মাসে মব ও রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত হয়েছে ৪০ জন।
১ ঘণ্টা আগে
আলতাফ পারভেজ লেখক ও গবেষক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনে স্নাতকোত্তর। ডাকসুর নির্বাচিত সদস্য ছিলেন। ‘মুজিব বাহিনী থেকে গণবাহিনী: ইতিহাসের পুনঃপাঠ’, ‘শ্রীলঙ্কার তামিল ইলম’, ‘গ্রামসি ও তাঁর রাষ্ট্রচিন্তা’ প্রভৃতি তাঁর গুরুত্বপূর্ণ বই।
১ দিন আগে
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওরগুলো দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মৎস্যসম্পদের ভান্ডার। সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে হাওর বিস্তৃত। এ হাওরগুলো শুধু অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত নয়...
১ দিন আগে