ফরিদ উদ্দিন আহমেদ উপাচার্য, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার জন্য আমরা একটা কমিটি করে পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলে উপস্থাপন করে অনুমোদন করে নিয়েছি। সে অনুযায়ী আমাদের শিক্ষকেরা পরীক্ষাগুলো নিচ্ছেন। আমাদের প্রশ্নগুলো খুব ক্রিয়েটিভ। পরীক্ষায় আমাদের ছেলেমেয়েরা শতভাগ উপস্থিত থাকছে এবং খুব সুন্দরভাবে একটা উৎসবমুখর পরিবেশে তারা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।
আমরা প্রতি ১০ জন শিক্ষার্থীর পরীক্ষার জন্য একজন শিক্ষক দিয়েছি। পরীক্ষা দেওয়ার পর শিক্ষার্থীরা আমাদের উত্তরপত্র আপলোড করে পাঠিয়ে দেয় তারপর আমরা শিক্ষকদের সে উত্তরপত্র দেখার জন্য দিয়ে দিই।
মানের কথা বলে আমরা পেছনে যেতে পারব না, বসে থাকতে পারব না। আমাদের পরীক্ষা নিতে হবে। আবার সামনে এগিয়ে যেতে হবে, আবার ক্লাস নিতে হবে। অজুহাত আমরা এক শটা ওঠাতে পারি। এই অজুহাতের কথা বলে আমি পিছিয়ে যেতে পারব না। বরং, আমাকে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
আমরা ছেলেমেয়েদের সেশন জটে ফেলতে পারি না। উৎসাহ নিয়ে তারা পরীক্ষা দিচ্ছে। শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বহুবার মিটিং করে অনলাইনে পরীক্ষা বিষয়ে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিয়েছে। ডিভাইস কেনার জন্য শিক্ষকদের আমরা ৫০ হাজার টাকা করে লোন দিয়েছি। যাতে তাঁরা পরীক্ষা, ক্লাস ঠিকমতো নিতে পারেন। অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের দুইবার ৩ হাজার টাকা করে দিয়েছি। পরীক্ষা ও ক্লাসে ঠিকমতো যুক্ত হতে মাসে ১৫ জিবি করে ইন্টারনেট দিয়েছি। এ সময়ে আমরা শিক্ষক-শিক্ষার্থী একযোগে কাজ করছি এবং আমাদের মধ্যে কোনো বিরতি নাই। আমরা পেছনে ফিরে তাকাতে চাই না, থেমে থাকতে চাই না, সামনে এগোতে চাই। সমস্যা এলে সমাধান করে সামনে এগোব।

অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার জন্য আমরা একটা কমিটি করে পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলে উপস্থাপন করে অনুমোদন করে নিয়েছি। সে অনুযায়ী আমাদের শিক্ষকেরা পরীক্ষাগুলো নিচ্ছেন। আমাদের প্রশ্নগুলো খুব ক্রিয়েটিভ। পরীক্ষায় আমাদের ছেলেমেয়েরা শতভাগ উপস্থিত থাকছে এবং খুব সুন্দরভাবে একটা উৎসবমুখর পরিবেশে তারা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।
আমরা প্রতি ১০ জন শিক্ষার্থীর পরীক্ষার জন্য একজন শিক্ষক দিয়েছি। পরীক্ষা দেওয়ার পর শিক্ষার্থীরা আমাদের উত্তরপত্র আপলোড করে পাঠিয়ে দেয় তারপর আমরা শিক্ষকদের সে উত্তরপত্র দেখার জন্য দিয়ে দিই।
মানের কথা বলে আমরা পেছনে যেতে পারব না, বসে থাকতে পারব না। আমাদের পরীক্ষা নিতে হবে। আবার সামনে এগিয়ে যেতে হবে, আবার ক্লাস নিতে হবে। অজুহাত আমরা এক শটা ওঠাতে পারি। এই অজুহাতের কথা বলে আমি পিছিয়ে যেতে পারব না। বরং, আমাকে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
আমরা ছেলেমেয়েদের সেশন জটে ফেলতে পারি না। উৎসাহ নিয়ে তারা পরীক্ষা দিচ্ছে। শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বহুবার মিটিং করে অনলাইনে পরীক্ষা বিষয়ে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিয়েছে। ডিভাইস কেনার জন্য শিক্ষকদের আমরা ৫০ হাজার টাকা করে লোন দিয়েছি। যাতে তাঁরা পরীক্ষা, ক্লাস ঠিকমতো নিতে পারেন। অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের দুইবার ৩ হাজার টাকা করে দিয়েছি। পরীক্ষা ও ক্লাসে ঠিকমতো যুক্ত হতে মাসে ১৫ জিবি করে ইন্টারনেট দিয়েছি। এ সময়ে আমরা শিক্ষক-শিক্ষার্থী একযোগে কাজ করছি এবং আমাদের মধ্যে কোনো বিরতি নাই। আমরা পেছনে ফিরে তাকাতে চাই না, থেমে থাকতে চাই না, সামনে এগোতে চাই। সমস্যা এলে সমাধান করে সামনে এগোব।

মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনার পর প্রশ্ন ওঠে—দেশের কোথায় আজ নারীরা নিরাপদ? শুধু কি নারী? কোন কারণে কোথায় কে কখন হবেন গণপিটুনির শিকার, কাকে রাস্তায় ধরে কারও দোসর নাম দিয়ে হত্যা করা হবে, তা নিয়ে শঙ্কিত দেশের মানুষ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এমন এক অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে, যখন কোথাও...
১৭ ঘণ্টা আগে
বছর ঘুরতেই প্রতিবার আলোচনায় আসেন দুজন ভবিষ্যদ্বক্তা। তাঁদের একজন বুলগেরিয়ার রহস্যময় ভবিষ্যদ্বক্তা বাবা ভাঙ্গা, যাঁর প্রকৃত নাম ভ্যানগেলিয়া প্যানদেভা দিমিত্রোভা। অপরজন ফরাসি ভবিষ্যদ্বক্তা নস্ত্রাদামুস ওরফে মিশেল দ্য নোস্ত্রদাম। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি।
১৭ ঘণ্টা আগে
প্রায় ২৭ বছর ধরে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হুগো শাভেজ ও নিকোলা মাদুরো পশ্চিমা উদার গণতন্ত্রের স্থানীয় বিকল্প খোঁজার চেষ্টা বাদ দিয়ে পদ্ধতিগতভাবেই কর্তৃত্ববাদের দিকে ঝুঁকে পড়ছিলেন। আর এ পুরো সময়ে তাঁদের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে কাজ করে এসেছে দেশটির সামরিক বাহিনী, যার আনুষ্ঠানিক নাম বলিভারিয়ান...
১৭ ঘণ্টা আগে
আমাদের ছোটবেলার জগৎটি ছিল বিশ্বাসের আর আস্থার। বিশ্বাস ছিল মা-বাবা, ভাই-বোন আর আত্মীয়স্বজনের ওপর—তা সেই আত্মীয়তা যত দূরেরই হোক না কেন। বিশ্বাস ছিল পাড়াপড়শির ওপরে, মহল্লার বয়োজ্যেষ্ঠ, বয়োকনিষ্ঠদের ওপরে। বিশ্বাস ছিল শিক্ষকদের ওপরে, সংবাদপত্রের ওপরে, চেনা মানুষদের ওপরে। আজ বললে হয়তো বিশ্বাস হবে না যে
২ দিন আগে