
ড. সেলিম রায়হান অর্থনীতিবিদ। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এবং গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) নির্বাহী পরিচালক। বাজেট কতটুকু জনবান্ধব হলো, বাজেটে ঘাটতি মেটানোর উপায়, কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা এবং বাজেট বাস্তবায়নের ঝুঁকিসহ নানা বিষয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন আজকের পত্রিকার মাসুদ রানা।
সামগ্রিকভাবে বাজেটটি আংশিকভাবে জনবান্ধব, কিন্তু পুরোপুরি নয়। মূল্যস্ফীতি, সামাজিক সুরক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ভাষা আছে। ফ্যামিলি কার্ড, নিত্যপণ্যে কিছু করছাড়, করমুক্ত আয়সীমা, এসএমই ও নারী উদ্যোক্তা সহায়তা এবং স্বাস্থ্য-শিক্ষায় বরাদ্দ বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি সাধারণ মানুষের চাপ স্বীকার করে। কিন্তু জনবান্ধব বাজেটের আসল পরীক্ষা হলো ঘোষণার সুফল বাজারে, হাসপাতালে, স্কুলে ও কর্মসংস্থানে পৌঁছায় কি না। বাজেটে সেই ডেলিভারি মেকানিজম যথেষ্ট স্পষ্ট নয়। রাজস্ব লক্ষ্য অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী, কর-ভ্যাটের আওতা বাড়ছে, ঘাটতি অর্থায়নে ব্যাংকঋণের ওপর নির্ভরতা থাকছে। ফলে সাধারণ মানুষের স্বস্তি ও সামষ্টিক চাপের মধ্যে একটি বড় দ্বন্দ্ব রয়ে গেছে। জনবান্ধবতার দাবি আছে, কিন্তু বাস্তব জনস্বস্তির নিশ্চয়তা এখনো দুর্বল। আরেকটি বিষয় হলো, বাজেটে জনবান্ধবতার ভাষা থাকলেও দরিদ্র, নিম্নমধ্যবিত্ত ও অনানুষ্ঠানিক শ্রমজীবীদের আলাদা আয়-ঝুঁকি বিশ্লেষণ খুব স্পষ্ট নয়। একই নীতি সবার জন্য সমানভাবে কাজ করবে—এমন ধরে নেওয়া বিপজ্জনক।
মূল্যস্ফীতি কমানোকে অগ্রাধিকার বলা হয়েছে, কিন্তু পরোক্ষ কর বা ভ্যাটের বিস্তার সেই লক্ষ্যকে দুর্বল করতে পারে। ভ্যাট স্বভাবতই প্রত্যক্ষ করের তুলনায় বেশি প্রতিগামী; কারণ নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবার তাদের আয়ের বড় অংশ ভোগে ব্যয় করে। ফলে ভ্যাট বাড়লে তাদের প্রকৃত আয় বেশি ক্ষয়ে যায়। নিত্যপণ্যে কিছু করছাড় থাকলেও সরবরাহ শৃঙ্খল দুর্বল, বাজারে প্রতিযোগিতা সীমিত এবং পরিবহন ব্যয় বেশি হলে ভোক্তা পুরো সুবিধা পাবে না। বরং পাইকারি বা খুচরা পর্যায়ে করের চাপ শেষ পর্যন্ত দামের ভেতর ঢুকে যেতে পারে। তাই রাজস্ব বাড়ানোর প্রয়োজন স্বীকার করেও বলা যায়, ভ্যাট বিস্তারের ক্ষেত্রে সরকারকে অত্যন্ত সতর্ক হতে হবে। বড় সম্পদ, উচ্চ আয়ের পেশা, কর ফাঁকি, কর ব্যয় ও অপ্রদর্শিত সম্পদের ওপর কঠোর নজর না দিলে কর ন্যায্যতা আসবে না। অন্যথায় বৈষম্য বাড়বে। করের আওতা বাড়ানো দরকার, কিন্তু সেটি যদি সহজে ধরা যায়—এমন ছোট ব্যবসা ও মধ্যবিত্তের ওপর বেশি পড়ে, আর বড় কর ফাঁকি অক্ষত থাকে, তবে সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা নষ্ট হবে।
স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় বরাদ্দ বৃদ্ধি ইতিবাচক, কিন্তু মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নই মূল সমস্যা। শিক্ষা খাতে শুধু ভবন, যন্ত্রপাতি বা নতুন কর্মসূচি দিয়ে মান ফেরানো যাবে না। দরকার প্রশিক্ষিত শিক্ষক, শেখার ঘাটতি পূরণ, বিদ্যালয়ভিত্তিক মূল্যায়ন, কারিগরি শিক্ষার মান, ডিজিটাল দক্ষতা এবং গবেষণায় জবাবদিহি। স্বাস্থ্য খাতে একইভাবে হাসপাতাল নির্মাণ যথেষ্ট নয়; দরকার ডাক্তার-নার্সের উপস্থিতি, ওষুধ সরবরাহ, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, রেফারেল ব্যবস্থা এবং রোগীর নিজস্ব ব্যয় কমানো। দুর্বল ক্রয়প্রক্রিয়া, স্থানীয় প্রভাব, তথ্যের অভাব ও মনিটরিংয়ের সংকট বরাদ্দ অপচয়ের ঝুঁকি বাড়ায়। সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে জেলাভিত্তিক ফলাফল সূচক, সামাজিক নিরীক্ষা, ডিজিটাল ব্যয় ট্র্যাকিং, প্রকাশ্য ক্রয় তথ্য এবং অভিযোগ নিষ্পত্তি দরকার। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যয় যদি পরিবারগুলোর কোচিং, ওষুধ, পরীক্ষা ও বেসরকারি চিকিৎসার খরচ কমাতে না পারে, তবে বরাদ্দ বৃদ্ধির সামাজিক প্রভাব সীমিত থাকবে। তাই বরাদ্দের সঙ্গে আউটকাম বাজেটিং জরুরি। কত শিশু শিখল, কত রোগী নিজ এলাকায় চিকিৎসা পেল, কত পরিবার চিকিৎসা ব্যয়ে নিঃস্ব হলো না—এসব সূচক প্রকাশ করতে হবে।
বাজেটটি এসেছে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দুর্বল ব্যাংকিং খাত, বিনিয়োগ স্থবিরতা এবং রাজস্ব ঘাটতির মধ্যে। এই প্রেক্ষাপটে বাজেটের প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য প্রয়োজনীয়, কিন্তু বাস্তবায়ন কঠিন। বেসরকারি খাতকে প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি বলা হয়েছে; কর স্থিতিশীলতা, বিদেশি অর্থায়নে কর কমানো, ফ্রি ট্রেড জোন, লজিস্টিকস বিনিয়োগ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ইভি, ব্যাটারি, সেমিকন্ডাক্টর, স্টার্টআপ ও এসএমই প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। এগুলো সংকেত হিসেবে ভালো। কিন্তু বিনিয়োগ শুধু প্রণোদনায় আসে না। বিনিয়োগকারী চায় নীতির ধারাবাহিকতা, ব্যাংকঋণ, নির্ভরযোগ্য জ্বালানি, দ্রুত কাস্টমস, জমি, দক্ষ শ্রম, বিচারিক সুরক্ষা এবং প্রশাসনিক পূর্বানুমেয়তা। ব্যাংকিং খাত যদি খেলাপি ঋণ ও আস্থাহীনতায় থাকে, তবে সস্তা প্রণোদনাও যথেষ্ট নয়। তাই বাজেট কার্যকর হতে পারে, কিন্তু তার জন্য দ্রুত প্রশাসনিক ও আর্থিক খাত সংস্কার অপরিহার্য। বিশেষ করে বিনিয়োগ অনুমোদন, কর প্রশাসন, বন্দর, গ্যাস-সংযোগ ও ঋণপ্রবাহে সময়সীমা নির্ধারণ না করলে বেসরকারি খাত অপেক্ষা করবে, ঝুঁকি নেবে না।
তরুণ ও শিক্ষিত বেকারদের জন্য বাজেটে নানা দিকনির্দেশনা আছে, কিন্তু দৃশ্যমান মেগা কর্মসংস্থান পরিকল্পনা নেই। ফ্রিল্যান্স আয় করমুক্ত রাখা, স্টার্টআপ সহায়তা, প্রযুক্তি খাত, ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি, ক্রীড়া অর্থনীতি, কারিগরি শিক্ষা এবং এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের ধারণা তরুণদের জন্য কিছু সুযোগ তৈরি করতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশের তরুণ বেকারত্বের সমস্যা অনেক বড় ও বৈচিত্র্যময়। সবাই আইটি, ফ্রিল্যান্সিং বা কনটেন্ট ক্রিয়েশনে যাবে না। বিপুলসংখ্যক তরুণের জন্য শ্রমঘন উৎপাদন, কৃষিভিত্তিক শিল্প, স্থানীয় সেবা, নির্মাণ, রপ্তানি-সংযুক্ত শিল্প এবং আধুনিক কারিগরি প্রশিক্ষণ দরকার। বাজেট এই সংযোগ পুরোপুরি দেখায় না। এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ কার্যকর হলে চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতার মধ্যে তথ্যের ঘাটতি কমাতে পারে। কিন্তু তা যদি কাগুজে রেজিস্ট্রেশন হয়ে যায়, সুফল মিলবে না। মানবসম্পদ উন্নয়নের আশা আছে, কিন্তু কাঠামো আরও দৃঢ় হওয়া দরকার। তরুণদের জন্য দরকার জেলাভিত্তিক দক্ষতা মানচিত্র, শিল্পভিত্তিক অ্যাপ্রেন্টিসশিপ, নারী তরুণদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং বিদেশি শ্রমবাজারের সঙ্গে প্রশিক্ষণের সরাসরি সংযোগ।
৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট বাস্তবায়নের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো রাজস্ব। মোট রাজস্ব ও এনবিআর লক্ষ্যমাত্রা খুব উচ্চাভিলাষী। দুর্বল প্রবৃদ্ধি, আমদানি চাপ, অপ্রাতিষ্ঠানিক অর্থনীতি, কর ফাঁকি, প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতা এবং করদাতা আস্থার ঘাটতির মধ্যে এত বড় সংগ্রহ সহজ নয়। দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ ব্যয়ের গুণমান। এডিপি বাস্তবায়ন, প্রকল্প প্রস্তুতি, ক্রয়প্রক্রিয়া, সময়মতো কাজ শেষ করা এবং ফলাফল মাপা বাংলাদেশের দীর্ঘস্থায়ী দুর্বলতা। তৃতীয় চ্যালেঞ্জ ব্যাংকিং খাত। পুনর্মূলধনীকরণ দরকার হতে পারে, কিন্তু সুশাসন ছাড়া তা লোকসানের সামাজিকীকরণে পরিণত হবে। চতুর্থ চ্যালেঞ্জ হলো মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানি ঝুঁকি। মধ্যপ্রাচ্য সংকট, এলএনজি, সার ও জ্বালানির দাম বাজেটের হিসাব পাল্টে দিতে পারে। তাই বাস্তবায়নে প্রয়োজন রক্ষণশীল রাজস্ব পরিকল্পনা, অগ্রাধিকারভিত্তিক ব্যয়, ত্রৈমাসিক অগ্রগতি প্রতিবেদন এবং ব্যর্থ কর্মসূচি দ্রুত সংশোধনের রাজনৈতিক সাহস। আরও একটি চ্যালেঞ্জ হলো সমন্বয়। অর্থ, পরিকল্পনা, এনবিআর, বাংলাদেশ ব্যাংক, জ্বালানি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় প্রশাসন একসঙ্গে কাজ না করলে বাজেটের অগ্রাধিকার কাগজেই থাকবে।
কর্মসংস্থান লক্ষ্যের সঙ্গে ব্যাংকঋণনির্ভরতা দ্বন্দ্ব তৈরি করতে পারে। সরকার যদি ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে বড় অঙ্কের ঋণ নেয়, তাহলে বেসরকারি খাতের জন্য ঋণপ্রবাহ সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। বিশেষ করে এখন সুদের হার বেশি, ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ বড় এবং অনেক ব্যাংকের মূলধন দুর্বল। এই অবস্থায় সরকারি ঋণ বেসরকারি বিনিয়োগকে ভিড়চ্যুত করতে পারে। বিনিয়োগ কমলে কর্মসংস্থানও কমবে। তবে ঘাটতি নিজেই সব সময় খারাপ নয়। প্রশ্ন হলো, ঋণের ব্যবহার কোথায়? যদি ঋণ উৎপাদনশীল অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দক্ষতা ও কর্মসংস্থানমুখী খাতে যায়, দীর্ঘ মেয়াদে সুফল আসতে পারে। কিন্তু যদি তা সুদ, ভর্তুকি, অদক্ষ প্রকল্প বা ব্যাংক লোকসান ঢাকতে যায়, ভবিষ্যতের করদাতার বোঝা বাড়বে। তাই ঋণনির্ভরতা কমিয়ে রাজস্ব, ব্যয় দক্ষতা ও বেসরকারি অর্থায়ন বাড়ানো জরুরি। সরকারের উচিত ব্যাংকঋণের মাসিক ব্যবহার প্রকাশ করা এবং কোন অংশ উৎপাদনশীল ব্যয়ে যাচ্ছে, তা পরিষ্কার করা।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও গ্যাসের মূল্য সমন্বয়ের ইঙ্গিত অত্যন্ত সংবেদনশীল। জ্বালানি খাতে ভর্তুকির চাপ কমানো দরকার হতে পারে, কারণ অদক্ষ ভর্তুকি বাজেটকে দুর্বল করে। কিন্তু দাম সমন্বয় যদি দ্রুত, অস্বচ্ছ বা একযোগে করা হয়, তাহলে শিল্প উৎপাদনে ব্যয় বাড়বে। গ্যাসনির্ভর শিল্প, বিদ্যুৎনির্ভর ক্ষুদ্র কারখানা, কৃষি সেচ, পরিবহন ও খাদ্য সরবরাহ চাপে পড়বে। এর ফলে মূল্যস্ফীতি আবার বাড়তে পারে এবং রপ্তানি প্রতিযোগিতাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সাধারণ মানুষও বিদ্যুৎ বিল, পরিবহন ব্যয় এবং পণ্যমূল্যের মাধ্যমে চাপ অনুভব করবে। তাই ধাপে ধাপে আয়ভিত্তিক সুরক্ষা, শিল্পের জন্য পূর্বঘোষিত সময়সূচি, জ্বালানি দক্ষতা সহায়তা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির মূল্য সমন্বয় বাস্তব বিনিয়োগের সঙ্গে করতে হবে। শুধু দাম বাড়িয়ে জ্বালানি খাতের অদক্ষতা দূর হবে না; চুক্তি, সক্ষমতা চার্জ, সিস্টেম লস ও ক্রয়ব্যবস্থাও সংস্কার করতে হবে। সাধারণ গ্রাহক ও ক্ষুদ্র শিল্পের জন্য সীমিত লাইফলাইন ট্যারিফ রাখা যেতে পারে, কিন্তু উচ্চ ব্যবহারকারী ও অদক্ষ উৎপাদকদের ক্ষেত্রে ভর্তুকি কমানো যুক্তিযুক্ত।
সামগ্রিকভাবে, বাজেটটি মানুষের কষ্ট স্বীকার করেছে, কিন্তু কষ্ট কমানোর কার্যকর যন্ত্রগুলো এখনো দুর্বল। রাজস্ব লক্ষ্য বাস্তবসম্মত না হলে সামাজিক খরচ, উন্নয়ন প্রকল্প ও মূল্যস্ফীতি ব্যবস্থাপনা সবই চাপে পড়বে। তাই সরকারের প্রথম কাজ হওয়া উচিত অগ্রাধিকার কমানো, ফলাফল মাপা এবং সাধারণ মানুষের ওপর কর ও জ্বালানি ব্যয়ের চাপ না বাড়িয়ে বড় কর ফাঁকি ও অদক্ষ ব্যয় কমানো। জনবান্ধবতা শেষ পর্যন্ত বক্তৃতায় নয়, মাসের শেষে পরিবারের হাতে কত টাকা থাকে, হাসপাতালে কত কম খরচ হয় এবং তরুণ কত দ্রুত কাজ পায়, সেখানে প্রমাণিত হবে। এই বাস্তব পরীক্ষায় ব্যর্থ হলে বাজেটের সংস্কারমূলক ভাষা দ্রুত আস্থাহীনতায় পরিণত হবে, আর সফল হলে তা অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের সূচনা করতে পারে। এটাই এখন মূল রাজনৈতিক অর্থনৈতিক পরীক্ষা।
আজকের পত্রিকা এবং আপনাকেও ধন্যবাদ।

পৃথিবীর প্রতিটি সম্পর্কের নিজস্ব গুরুত্ব ও সৌন্দর্য রয়েছে। কিন্তু কিছু সম্পর্ক আছে, যা অন্য সব সম্পর্কের ঊর্ধ্বে স্থান করে নেয়। পিতা-মাতার সঙ্গে সন্তানের সম্পর্ক তেমনই এক চিরন্তন ও অমূল্য সম্পর্ক। একজন সন্তানের জীবনে মায়ের অবদান যেমন অপরিসীম, তেমনি বাবার ভূমিকাও অনস্বীকার্য।
২ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের হাসপাতাল পরিদর্শন বেশ কাজে দিচ্ছে। মন্ত্রী হাসপাতাল পরিদর্শনে আসবেন, তা আগাম জানতে পারলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হয় ত্রাহি মধুসূদন অবস্থা।
৩ ঘণ্টা আগে
ইতিহাসই একদিন ইতিহাস হয়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে কোন রাজনৈতিক দল কোন পক্ষ নিয়েছিল, সেটা ইতিহাসের পাতা ওলটালেই দেখা যাবে। এটি কোনো বিতর্কের বিষয় নয়। কিন্তু জামায়াতে ইসলামী দলের কোনো কোনো সংসদ সদস্য তাঁদের নিজ পরিবারকে মুক্তিযোদ্ধা পরিবার বলার যে মরিয়া চেষ্টা করছেন, তার পেছনের উদ্দেশ্য খোঁজা দরকার।
১ দিন আগে
একটা চিরন্তন কুইজ দিয়ে শুরু করি। বাংলাদেশে এমন কী সমস্যা আছে, যা বারবার বলার পরও, জনগণের হাজার কষ্ট প্রতিদিন দেখার পরেও শাসকগোষ্ঠী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বোঝার পরও তার সমাধান হয় না, বরং সমস্যাটা দিন দিন বাড়তে থাকে। সেটি কী? সেটি হচ্ছে বাংলাদেশের পথঘাটের অবর্ণনীয় সমস্যা।
১ দিন আগে