ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া

ইদানীং লক্ষ করা যাচ্ছে, কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হলে তাঁকে মিডিয়ার সামনে হাজির করে সংবাদ সম্মেলন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার করা মালামাল সংবাদ সম্মেলনে দেখানো হয়।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংবাদ সম্মেলনে অভিযুক্ত ব্যক্তির ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবন চলে আসছে। আর এমনভাবে অভিযোগের বিষয় তুলে ধরা হয়, মনে হবে যেন তাঁর অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। আইনের মূলনীতির একটি হচ্ছে, যতক্ষণ পর্যন্ত আদালত কোনো ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত না করেন, ততক্ষণ পর্যন্ত ওই ব্যক্তি নির্দোষ। অথচ পুলিশ সংবাদ সম্মেলন করে গ্রেপ্তার আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করে ফেলে।
ইদানীং কয়েকজন মডেল বা চিত্রনায়িকাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গণমাধ্যমকে পুলিশ তাঁদের চরিত্র নিয়ে বিভিন্ন কথাবার্তা বলছে। লক্ষ করা যাচ্ছে, কাউকে কাউকে রাতের রানিও বলা হচ্ছে। এটা সম্পূর্ণ বেআইনি।
২০১৪ সালে বিচারপতি সামসুদ্দিন আহমেদ মানিকের নেতৃত্বে হাইকোর্ট বেঞ্চ একটি রায় দিয়েছিলেন। রায়ে বলা হয়েছিল, কোনো আসামিকে গ্রেপ্তারের পর তদন্তাধীন অবস্থায় ওই আসামিকে নিয়ে বা আসামির কাছ থেকে উদ্ধার করা জিনিসপত্র নিয়ে মিডিয়া ট্রায়াল করা যাবে না। সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদটা মনে করিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। সেখান বলা হয়েছে, ‘আপিল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন হাইকোর্ট বিভাগের জন্য এবং সুপ্রিম কোর্টের যেকোনো বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন-আদালতের জন্য অবশ্য পালনীয় হইবে।’ যেহেতু সুপ্রিম কোর্টের যেকোনো বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন সব অধস্তন আদালতের জন্য অবশ্য পালনীয় হবে, সেহেতু সুপ্রিম কোর্টের যেকোনো বিভাগের আদেশ-নির্দেশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও পালন করতে বাধ্য হবে। কিন্তু ওই রায় বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মানছে না। তারা একের পর এক এ ধরনের সংবাদ সম্মেলন করছে। এটা এখন নিয়মিত চর্চার মধ্যে নিয়ে এসেছে। আসামির ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার থেকে তাঁকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।

ইদানীং লক্ষ করা যাচ্ছে, কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হলে তাঁকে মিডিয়ার সামনে হাজির করে সংবাদ সম্মেলন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার করা মালামাল সংবাদ সম্মেলনে দেখানো হয়।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংবাদ সম্মেলনে অভিযুক্ত ব্যক্তির ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবন চলে আসছে। আর এমনভাবে অভিযোগের বিষয় তুলে ধরা হয়, মনে হবে যেন তাঁর অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। আইনের মূলনীতির একটি হচ্ছে, যতক্ষণ পর্যন্ত আদালত কোনো ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত না করেন, ততক্ষণ পর্যন্ত ওই ব্যক্তি নির্দোষ। অথচ পুলিশ সংবাদ সম্মেলন করে গ্রেপ্তার আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করে ফেলে।
ইদানীং কয়েকজন মডেল বা চিত্রনায়িকাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গণমাধ্যমকে পুলিশ তাঁদের চরিত্র নিয়ে বিভিন্ন কথাবার্তা বলছে। লক্ষ করা যাচ্ছে, কাউকে কাউকে রাতের রানিও বলা হচ্ছে। এটা সম্পূর্ণ বেআইনি।
২০১৪ সালে বিচারপতি সামসুদ্দিন আহমেদ মানিকের নেতৃত্বে হাইকোর্ট বেঞ্চ একটি রায় দিয়েছিলেন। রায়ে বলা হয়েছিল, কোনো আসামিকে গ্রেপ্তারের পর তদন্তাধীন অবস্থায় ওই আসামিকে নিয়ে বা আসামির কাছ থেকে উদ্ধার করা জিনিসপত্র নিয়ে মিডিয়া ট্রায়াল করা যাবে না। সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদটা মনে করিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। সেখান বলা হয়েছে, ‘আপিল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন হাইকোর্ট বিভাগের জন্য এবং সুপ্রিম কোর্টের যেকোনো বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন-আদালতের জন্য অবশ্য পালনীয় হইবে।’ যেহেতু সুপ্রিম কোর্টের যেকোনো বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত আইন সব অধস্তন আদালতের জন্য অবশ্য পালনীয় হবে, সেহেতু সুপ্রিম কোর্টের যেকোনো বিভাগের আদেশ-নির্দেশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও পালন করতে বাধ্য হবে। কিন্তু ওই রায় বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মানছে না। তারা একের পর এক এ ধরনের সংবাদ সম্মেলন করছে। এটা এখন নিয়মিত চর্চার মধ্যে নিয়ে এসেছে। আসামির ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার থেকে তাঁকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।

জানুয়ারি মাস চলছে নতুন বছরের। আর ২৭ দিন পরেই ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের দাবি, এই নির্বাচন হবে ইতিহাসের অন্যতম একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। সুষ্ঠু তো বটেই। তাদের আরও দাবি হলো, বিগত ১৭ বছরে যা হয়নি এক বছর কয়েক মাসে সেটা করে দেখিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
১০ মিনিট আগে
মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনার পর প্রশ্ন ওঠে—দেশের কোথায় আজ নারীরা নিরাপদ? শুধু কি নারী? কোন কারণে কোথায় কে কখন হবেন গণপিটুনির শিকার, কাকে রাস্তায় ধরে কারও দোসর নাম দিয়ে হত্যা করা হবে, তা নিয়ে শঙ্কিত দেশের মানুষ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এমন এক অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে, যখন কোথাও...
১ দিন আগে
বছর ঘুরতেই প্রতিবার আলোচনায় আসেন দুজন ভবিষ্যদ্বক্তা। তাঁদের একজন বুলগেরিয়ার রহস্যময় ভবিষ্যদ্বক্তা বাবা ভাঙ্গা, যাঁর প্রকৃত নাম ভ্যানগেলিয়া প্যানদেভা দিমিত্রোভা। অপরজন ফরাসি ভবিষ্যদ্বক্তা নস্ত্রাদামুস ওরফে মিশেল দ্য নোস্ত্রদাম। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি।
১ দিন আগে
প্রায় ২৭ বছর ধরে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হুগো শাভেজ ও নিকোলা মাদুরো পশ্চিমা উদার গণতন্ত্রের স্থানীয় বিকল্প খোঁজার চেষ্টা বাদ দিয়ে পদ্ধতিগতভাবেই কর্তৃত্ববাদের দিকে ঝুঁকে পড়ছিলেন। আর এ পুরো সময়ে তাঁদের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে কাজ করে এসেছে দেশটির সামরিক বাহিনী, যার আনুষ্ঠানিক নাম বলিভারিয়ান...
১ দিন আগে