
ড. মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সম্প্রতি ইউজিসি থেকে পদত্যাগ করেছেন এর প্রশাসনে একদল অসৎ ও দুর্নীতিপ্রবণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে। মক্কা চুক্তিসহ পররাষ্ট্রনীতির নানা বিষয় নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন আজকের পত্রিকার মাসুদ রানা।
মূল টেক্সট এখনো পাবলিক হয়নি। তবে এখন পর্যন্ত পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্ট বা আলোচনার মধ্য দিয়ে এটুকু নিশ্চিত যে, এটা একটা রিজিওনাল ডেটারেন্স প্যাক্ট (আঞ্চলিক প্রতিরোধ চুক্তি)। মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক সামর্থ্য আগের মতো নেই। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে এ ধরনের আঞ্চলিক চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ঘিরে যে সংকট এবং সাম্প্রতিককালে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের পর ইরানের সামরিক সক্ষমতা অনুযায়ী এটা স্পষ্ট যে ইরান সামরিকভাবে অনেক বেশি শক্তিশালী। এই অঞ্চলে ইরানের আধিপত্য বিস্তারের একটা সম্ভাবনা আমরা দেখতে পাচ্ছি। এসব বিবেচনা করলে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিকে দুটি দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি। একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যে আর্থিক ও সামরিক দায়িত্ব থেকে বেরিয়ে আসার একটা আঞ্চলিক বার্ডেন-শেয়ারিং, অন্যদিকে এটা মূলত একটা কালেক্টিভ ডেটারেন্স, ডিফেন্স কো-অপারেশন এবং মিলিটারি ও পলিটিক্যাল কো-অর্ডিনেশন—এই তিনটি বিষয়কে সামনে রেখেই চুক্তিটি করা হয়েছে।
অনেকে এটাকে ইসলামিক ন্যাটো বলছেন। কিন্তু আমি মনে করি, ন্যাটোর সামরিক কাঠামোর সঙ্গে এর তেমন মিল নেই। একটাই মিল আছে—ন্যাটোর কালেক্টিভ সিকিউরিটি কমিটমেন্টের ধারণা, যা জাতিসংঘ সনদের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদের মতোই। যেমন, একটি দেশের ওপর আক্রমণ মানে সবার ওপর আক্রমণ।
মক্কা চুক্তি বলা হলেও মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলো এর সঙ্গে যুক্ত নয়, বরং দুই প্রান্তের দুটি রাষ্ট্র এতে যুক্ত হয়েছে। তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তান—এই তিনটি রাষ্ট্র বিবেচনা করলে ইরানকে ঘিরে একধরনের ‘চারদিক থেকে ঘিরে ফেলা’ স্পষ্ট বোঝা যায়। এই ভৌগোলিক অবস্থান এই রাষ্ট্রগুলোর জন্য, বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে ফেলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যদিও এ চুক্তিতে সুনির্দিষ্টভাবে কোনো শত্রু চিহ্নিত করা হয়নি। কোন দেশের বিরুদ্ধে এই চুক্তি কাজ করবে তা বলা হয়নি। আমার কাছে মনে হয়, এটা একটা ওপেন-এন্ডেড অ্যাপ্রোচ, যাতে ভবিষ্যতে এটাকে একটা গ্লোবাল অ্যাগ্রিমেন্টে রূপান্তরের সুযোগ থাকে। তবে আপাতত এটা একেবারেই আঞ্চলিক প্রতিরোধ চুক্তি বলে আমি মনে করি।
যেহেতু এটা ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধকে ঘিরে তৈরি হওয়া আঞ্চলিক নিরাপত্তা বাস্তবতা থেকে উদ্ভূত, তাই এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রগুলো, যেমন শুরুতে মিসরও ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা থাকেনি। কারণ, ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক আছে। এরা সবাই যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বস্ত মিত্র। সৌদি আরবের সঙ্গে ২০২৫ সালে স্ট্র্যাটেজিক ডিফেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট হয়েছে, তুরস্ক ন্যাটোর সদস্য, আর পাকিস্তানও যুক্তরাষ্ট্রের সিকিউরিটি পার্টনার। এসব বিবেচনায় নিলে এই আঞ্চলিক বার্ডেন-শেয়ারিংয়ে বাংলাদেশের স্বার্থ ঠিক কোথায়, তা আমার কাছে স্পষ্ট নয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বাংলাদেশ যোগ দেবে কি দেবে না, তা নির্ভর করবে যুক্ত তিন রাষ্ট্র বাংলাদেশকে কোনো পর্যায় থেকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে কি না তার ওপর। এখন পর্যন্ত সেই প্রয়োজনীয়তা আমি দেখছি না। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইতিবাচকভাবে আগ্রহ দেখাচ্ছেন, কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো, দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা বাস্তবতার সঙ্গে ওই অঞ্চলের নিরাপত্তা বাস্তবতার সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, সেটাই আগে বিবেচ্য। এই তিন রাষ্ট্র বাংলাদেশকে যুক্ত করতে চায় কি না, সেই প্রশ্নের আগে বাংলাদেশ যোগ দেবে কি না তা নিয়ে আলোচনা আমার কাছে এই মুহূর্তে খুব প্রাসঙ্গিক মনে হয় না।
তবে একটা স্পর্শকাতরতা অবশ্যই আছে। পাকিস্তান সদস্য রাষ্ট্র হওয়ায় বাংলাদেশ যোগ দিলে দক্ষিণ এশিয়ায় পাকিস্তান-ভারত স্ট্র্যাটেজিক প্রতিযোগিতা এবং ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক টানাপোড়েনের সম্পর্ক মাথায় নিলে একধরনের ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়। আর ‘মক্কা’ নামটার একটা নিজস্ব আবেদন আছে বলে এটা নিয়ে অনেক বেশি আগ্রহ প্রকাশ পাচ্ছে বলে আমি মনে করি। কিন্তু তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের আঞ্চলিক কৌশলগত স্বার্থের সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত স্বার্থের এখন পর্যন্ত তেমন সম্মিলন নেই। কোনো আমন্ত্রণ ছাড়া শুধু আগ্রহ প্রকাশ করলেই যোগদান সম্ভব নয়। তাদের কৌশলগত ও নিরাপত্তাগত সমীকরণের সঙ্গে বাংলাদেশ সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না সেটাই মূল বিষয়।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গিয়ে অন্য কারও সঙ্গে যুক্ত হলে যদি তা অন্যের জন্য নিরাপত্তাহীনতা তৈরি না করে, তাহলে বন্ধুত্ব নষ্ট হওয়ার প্রশ্ন ওঠে না। মূল প্রশ্ন হলো, অ্যাগ্রিমেন্টের টেক্সটে আসলে কী আছে যা এখনো পাবলিকলি এভেইলেবল নয়? শুধু অনুমানের ওপর ভিত্তি করে মন্তব্য করা আমার কাছে যৌক্তিক মনে হয় না; টেক্সট প্রকাশ পেলে তবেই এ নিয়ে যুক্তিসংগত আলোচনা সম্ভব বলে আমি মনে করি।
শুধু চীন নয়, ভারতের দিক থেকেও স্পর্শকাতরতা আছে। পাকিস্তান এই জোটের অংশ, বাংলাদেশও যুক্ত হলে ভারতে একটা নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হবে। একই সঙ্গে যেহেতু এটা যুক্তরাষ্ট্রের আশীর্বাদপুষ্ট চুক্তি, তাতে চীনের জন্যও একটা স্পর্শকাতরতা তৈরি হবে। এ ক্ষেত্রে চীন ও ভারতের অবস্থান একই রকম হবে। তাই বাংলাদেশের জন্য জটিলতা বাড়ার আশঙ্কাই বেশি, কমার নয়। এই জটিলতায় প্রবেশ করা উচিত হবে কি না তা এখন নীতিনির্ধারকদের বিবেচনার বিষয়। তবে মূল কথা হলো, আমাদের এই অনুমান-নির্ভর মন্তব্য থেকে বিরত থাকা দরকার। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী যখন এই নিয়ে ইতিবাচক কথা বলছেন, তখন তিনি মূলত জনতুষ্টিবাদী রাজনীতির মধ্যে প্রবেশ করছেন বলে আমি মনে করি। ‘মক্কা’ নামের সঙ্গে একটা ধর্মীয় আবেগ জড়িত থাকায় জনপরিসরে এটা জনতুষ্টির জন্য ভালো হলেও বাস্তবতা হলো, ওই তিন সদস্য রাষ্ট্রের কেউই এখনো বাংলাদেশের সঙ্গে এ নিয়ে যোগাযোগ করেনি বা আমন্ত্রণ জানায়নি। আর বাকিটা অনুমাননির্ভর রাজনৈতিক উত্তেজনা মাত্র।
ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর শর্তসাপেক্ষ সাড়া দেওয়া নিয়ে আমি বলতে চাই—এটাকে ‘হ্যাডম দেখানো’র চেয়ে বরং আমি জাতীয় স্বার্থের প্রশ্ন হিসেবে দেখি। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের ওপর আমাদের আমদানি ও জ্বালানিনির্ভরতা আছে। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ডিজেল আমদানি দ্বিগুণ করার আলোচনাও চলছে, ফলে একধরনের নির্ভরতার সম্পর্ক অবশ্যই আছে। আবার এটাও সত্য যে ভারতে আমাদের একজন রাজনৈতিক নেত্রী অবস্থান করছেন। ভারতের আশ্রয়ে বাংলাদেশবিরোধী কর্মকাণ্ড তাঁর নেতৃত্বে চলছে বলে অভিযোগ আছে। পাশাপাশি জুলাই হত্যাকাণ্ডের অভিযুক্তরাও সেখানে আশ্রিত। এসব বিষয় পপুলিস্ট রাজনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আমার কাছে মনে হয়, সরকার পপুলিজমের রাজনীতি ও জাতীয় স্বার্থের মধ্যে একটা ভারসাম্য আনার চেষ্টা করছে। তাই শর্তসাপেক্ষে সফরের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এই ভারসাম্যের প্রচেষ্টা সফল হবে কি না তা নির্ভর করবে ভারত শর্তগুলো পূরণে ইতিবাচক সাড়া দেয় কি না তার ওপর। আর না দিলে সম্পর্ক আরও অস্বাভাবিক হওয়ার আশঙ্কা বাড়বে বলে আমার কাছে মনে হয়।
এটা নিছক ভৌগোলিক বিষয় নয়, বরং একটা আঞ্চলিক সংগঠনের ক্ষেত্রে সব সদস্য রাষ্ট্রের স্বার্থের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বার্থের সম্মিলন প্রয়োজন হয়। মিয়ানমারের ক্ষেত্রে প্রতিবেশী হিসেবে কিছুটা সংশ্লিষ্টতা থাকলেও অন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সেই স্বার্থগত সম্মিলন এখন পর্যন্ত নেই বলেই আসিয়ান আগ্রহ দেখাচ্ছে না, এটাই স্বাভাবিক ব্যাপার।
আমাদের পররাষ্ট্রনীতির বড় সংকট হলো, যারা ক্ষমতাসীন হয় তারা নিজেদের দলীয় স্বার্থকেই জাতীয় স্বার্থ হিসেবে উপস্থাপন করে। দলের ক্ষমতায় টিকে থাকাটাই তাদের কাছে মুখ্য হয়ে ওঠে। ফলে প্রকৃত জাতীয় স্বার্থ জলাঞ্জলি দেওয়া হয়। এখন যেহেতু আমরা একটা পরিবর্তিত রাজনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যে আছি, আমার মতে জাতীয় স্বার্থ নিয়ে একটা রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি করা এবং ক্ষমতাসীনদের এই স্বার্থগুলো সুনির্দিষ্ট করে চিহ্নিত করা জরুরি, যাতে যেকোনো রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে আমরা রাজনৈতিক জটিলতা বা জনতুষ্টিবাদী রাজনীতির ফাঁদে না পড়ি।
আওয়ামী লীগের ভারতপ্রীতি এবং বর্তমান বিরোধী দল ও সরকারি দলের সমান্তরালভাবে মার্কিন আনুগত্য দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। এসব ঘটনা মূলত আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিরই সংকট। জাতীয় স্বার্থ সুনির্দিষ্ট না থাকলে সরকারের কাছে নিজ দেশের মানুষের চেয়ে বিদেশি রাষ্ট্রের সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রে বিতর্কিত নির্বাচনের কারণে বিদেশি শক্তির সমর্থন প্রয়োজন হয়েছিল, আর ভারতের সঙ্গে সেই সুসম্পর্ক প্রকৃতপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সুসম্পর্কেরই প্রতিফলন ছিল। কারণ, দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতকে যুক্তরাষ্ট্র একরকম ব্ল্যাংক চেক দিয়েছিল। পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে টানাপোড়েন থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি নির্ভরতা এখনো অটুট আছে। কেননা বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা হচ্ছে না, ভারতের সঙ্গে করা চুক্তি প্রত্যাহারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না, অথচ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে আরও চুক্তি করা হচ্ছে। কিন্তু সংসদে এসব নিয়ে কোনো আলোচনা করা হয় না। এগুলো প্রমাণ করে যে ক্ষমতাসীন দল ভোটারদের চেয়ে বিদেশি শক্তির ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। এ প্রবণতাই বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধক।
বাংলাদেশপন্থী হয়ে ওঠার জন্য আমাদের প্রথমে জাতীয় স্বার্থগুলো সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করতে হবে। একই সঙ্গে সেই স্বার্থের পক্ষে দলগুলোর ও জনগণের মধ্যে রাজনৈতিক সমর্থন তৈরি করতে হবে। তবেই একটা গাইডলাইন তৈরি হবে। যার ভিত্তিতে অন্য রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক নির্ধারিত হতে পারে।

ধরুন, কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তি বোকার মতো এক কাজ করে বসল। তখন নিশ্চয়ই সেই কাজটাকে ‘ফুলিশ’ কাজই মনে হবে। আর কাজটা যদি অপরাধমূলক হয় তাহলে? তখন কিন্তু শুধু ‘ফুলিশ’ বলে পার পাওয়া যাবে না। এখন বগুড়া পুলিশের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের যে অভিযোগ উঠেছে, সে ব্যাপারটিকে কীভাবে ব্যাখ্যা করা যায়?
১ ঘণ্টা আগে
আজকের বিশ্বে প্রযুক্তি আর শুধু জীবনের সহায়ক অংশ নয়। এটি এখন একটি জাতির টিকে থাকা, স্বনির্ভরতা ও সার্বভৌমত্বের প্রধান ভিত্তি। বিশ্বের উন্নত দেশগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অটোমেশন ও ডেটাভিত্তিক প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। এর সুফলও তারা পাচ্ছে। অথচ বাংলাদেশে ‘ডিজিটাল লিটারেসি’ বা ডিজিটাল সাক্ষরতা...
৪ ঘণ্টা আগে
আমার এক বন্ধু বাংলা সাহিত্যের মেধাবী ছাত্র এবং খুবই পড়ুয়া। তার নিজস্ব লাইব্রেরিটিও খুবই সমৃদ্ধ। দুর্লভ সব বই সংগ্রহ করে থাকে। খুঁজে খুঁজে বড় বড় বইমেলায় যায়। এ বাংলার উৎসাহী বন্ধুদেরও নিজ খরচে নিয়ে যায়। কিন্তু ব্যবসাটি করে গার্মেন্টস শিল্পের। ব্যবসাটিও ভালোই।
১ দিন আগে
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে না পারা নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক। এর প্রতিক্রিয়ায় সরকার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে এবং সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাওয়া না গেলে এমপিও ও সরকারি স্বীকৃতি
১ দিন আগে