
বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা আজ এক কঠিন সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। একদিকে সীমিত শয্যা, জনবল ও যন্ত্রপাতি নিয়ে সরকারি হাসপাতালগুলোতে বিপুল রোগীর চাপ; অন্যদিকে বেসরকারি খাতে সেবার ব্যয়, মাননিয়ন্ত্রণ, কর্মপরিবেশ, তথ্যের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির প্রশ্ন। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জরুরি বিভাগে হামলা-ভাঙচুর, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তাহীনতা, চিকিৎসা নিয়ে অপতথ্যের বিস্তার, ভুয়া চিকিৎসক এবং অনৈতিক ব্যবসার দৌরাত্ম্য।
এই বাস্তবতায় একটি কার্যকর, গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক ও জনমুখী বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) গঠন এখন শুধু চিকিৎসকদের দাবি নয়; এটি রোগীর নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করারও জাতীয় প্রয়োজন।
স্বাস্থ্যসেবা কোনো একক পেশার কাজ নয়। এখানে চিকিৎসক, নার্স, মিডওয়াইফ, টেকনোলজিস্ট, ফার্মাসিস্ট, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, হাসপাতাল প্রশাসন এবং সর্বোপরি রোগী ও তাঁর স্বজন—সবাই পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত। এই শৃঙ্খলের একটি অংশ দুর্বল হলে ক্ষতি হয় পুরো ব্যবস্থার। কিন্তু সংকট দেখা দিলে সমস্যার গভীরে না গিয়ে চিকিৎসককে এককভাবে দায়ী করার প্রবণতা বাড়ছে। এতে প্রকৃত কারণ আড়ালে থেকে যায়, চিকিৎসক-রোগীর আস্থার সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোগেন সাধারণ রোগী।
বাংলাদেশে স্বাস্থ্যকর্মীর সংকট কেবল সংখ্যার নয়; এটি সঠিক বণ্টন, দক্ষতার সমন্বয় ও কর্মপরিবেশেরও সংকট। সরকারি তথ্যভিত্তিক স্বাস্থ্য শ্রমবাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সরকারি খাতে স্বাস্থ্যকর্মীর ঘনত্ব ছিল প্রতি ১০ হাজার জনসংখ্যায় প্রায় ৮ জন। একই বিশ্লেষণে প্রায় ৭৫ শতাংশ চিকিৎসক ও নার্স শহরাঞ্চলে কর্মরত থাকার তথ্য উঠে এসেছে, যদিও দেশের বড় অংশের মানুষ শহরের বাইরে বসবাস করেন। ফলে গ্রাম, উপজেলা ও দুর্গম এলাকার মানুষ দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী, বিশেষজ্ঞ সেবা ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর তুলনামূলক কম প্রাপ্যতার মুখোমুখি হন।
কোনো হাসপাতালে পর্যাপ্ত শয্যা না থাকলে রোগী মেঝেতে থাকবেন; জনবল কম হলে অপেক্ষার সময় বাড়বে; যন্ত্র নষ্ট থাকলে পরীক্ষা বিলম্বিত হবে; আইসিইউ, অক্সিজেন, রক্ত, অ্যাম্বুলেন্স বা রেফারেলব্যবস্থা অপ্রতুল হলে চিকিৎসার সীমাবদ্ধতা তৈরি হবে। এসব কাঠামোগত ব্যর্থতাকে একজন চিকিৎসকের ব্যক্তিগত ব্যর্থতা হিসেবে দেখলে সমাধান হবে না।
বাস্তবতা হলো, একজন চিকিৎসককে রোগী দেখা ছাড়াও জরুরি সেবা, প্রশাসনিক দায়িত্ব, মেডিকেল-লিগ্যাল কাজ, স্বজনদের প্রশ্নের উত্তর এবং কখনো কখনো নিরাপত্তাহীনতার মধ্যেও দায়িত্ব পালন করতে হয়। নার্স, টেকনোলজিস্ট ও সহায়ক কর্মীর ঘাটতি থাকলে সেই চাপ আরও বেড়ে যায়। রোগীর চিকিৎসা তাই কখনোই শুধু একজন চিকিৎসকের কাজ নয়; এটি একটি সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ফল।
দেশের বিপুলসংখ্যক চিকিৎসক বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও চেম্বারভিত্তিক সেবার সঙ্গে যুক্ত। তাঁদের অনেকেই ভিজিটিং কনসালট্যান্ট বা খণ্ডকালীন সেবাদানকারী। কোনো চিকিৎসাজনিত জটিলতা বা রোগীর মৃত্যু ঘটলে প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা, জনবল, নার্সিং সাপোর্ট, যন্ত্রপাতি, জরুরি সেবার সক্ষমতা, আইসিইউ, রক্তের প্রাপ্যতা, রেফারেলব্যবস্থা এবং রোগীর পূর্ববর্তী অবস্থার মূল্যায়ন না করে শুধু চিকিৎসককে অভিযুক্ত করা ন্যায়বিচার নয়।
বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় যুক্ত চিকিৎসকদের জন্য লিখিত কর্মচুক্তি, ন্যায্য ও সময়মতো পারিশ্রমিক, পেশাগত স্বাধীনতা, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, পেশাগত দায়বীমা এবং সহিংসতার ঘটনায় প্রতিষ্ঠানগত আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা জরুরি। কোনো প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স, জনবল, যন্ত্রপাতি, নার্সিং সাপোর্ট কিংবা জরুরি সেবার সক্ষমতার ঘাটতি থাকলে তার দায় মালিকপক্ষ ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাকেও বহন করতে হবে। চিকিৎসকের কাঁধে সব দায় চাপিয়ে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতা আড়াল করা চলবে না।
হাসপাতালে সহিংসতা এখন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ২০২৫ সালে প্রকাশিত বাংলাদেশের ১৩টি হাসপাতালভিত্তিক এক গবেষণায় ৬০০ চিকিৎসকের মধ্যে ৩৩৩ জন—অর্থাৎ ৫৫ শতাংশ—গত ১২ মাসে কর্মক্ষেত্রে সহিংসতার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। এর মধ্যে ৮২ দশমিক ৯ শতাংশ ছিল মৌখিক নির্যাতন এবং ১৭ দশমিক ১ শতাংশ ছিল শারীরিক হামলা। জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসকদের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি পাওয়া গেছে।
আরও একটি গবেষণায় চিকিৎসকদের রিপোর্ট করা ১৫৭টি সহিংসতার ঘটনার বিশ্লেষণে দেখা যায়, অধিকাংশ ঘটনা সরকারি প্রতিষ্ঠানে ঘটেছে এবং রাতের জরুরি দায়িত্বে থাকা তরুণ চিকিৎসক ও ইন্টার্নরা বেশি ঝুঁকিতে ছিলেন। চিকিৎসা বিলম্ব, জনবল ও অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা, রোগীর মৃত্যু, রেফারেলের প্রয়োজন এবং প্রভাবশালী ব্যক্তির চাপ—এসবকে সহিংসতার গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
রোগীর মৃত্যু সব সময় চিকিৎসকের অবহেলার ফল নয়। অনেক রোগী হাসপাতালে আসেন রোগের শেষ পর্যায়ে; কারও থাকে অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, কিডনি বিকলতা, হৃদ্রোগ, স্ট্রোক, সেপসিস কিংবা বহু অঙ্গ বিকলতা। আবার কোনো হাসপাতালের সক্ষমতা সেই রোগীর প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য যথেষ্ট নাও হতে পারে। এমন অবস্থায় রোগীকে উচ্চতর কেন্দ্রে রেফার করা অনেক সময় সঠিক চিকিৎসা সিদ্ধান্ত। কিন্তু রেফারেলের পর রোগীর অবনতি বা মৃত্যু হলে দায় গিয়ে পড়ে প্রথম প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসকের ওপর। এই অমানবিক চাপ চিকিৎসকদের প্রতিরক্ষামূলক চিকিৎসার দিকে ঠেলে দেয়; তাঁরা জটিল রোগী গ্রহণে অনাগ্রহী হয়ে পড়েন বা দ্রুত অন্যত্র পাঠাতে বাধ্য হন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হন সাধারণ রোগীই।
অভিযোগ উঠলে তদন্তের আগেই ‘ভুল চিকিৎসা’ বলে রায় দেওয়া, অসম্পূর্ণ ভিডিও বা একপক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনমত তৈরি করা এবং চিকিৎসককে প্রকাশ্যে হেয় করা—এসব মিডিয়া ট্রায়ালের বৈশিষ্ট্য। গণমাধ্যম স্বাধীন থাকবে, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা হবে, স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি ও অনিয়ম অবশ্যই প্রকাশ্যে আসবে। কিন্তু সাংবাদিকতা আর মিডিয়া ট্রায়াল এক নয়। সাংবাদিকতার কাজ তথ্য যাচাই করা, সব পক্ষের বক্তব্য নেওয়া, প্রেক্ষাপট তুলে ধরা এবং দায়বদ্ধদের জবাবদিহির আওতায় আনা। মিডিয়া ট্রায়াল তদন্ত ও প্রমাণের আগেই কাউকে দোষী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।
রাষ্ট্র ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বের দায়িত্ব এখানে সবচেয়ে বেশি। বর্তমান স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কিছু বক্তব্য ও জনসমক্ষে চিকিৎসাসংক্রান্ত অভিযোগ উপস্থাপনের ধরন নিয়ে চিকিৎসকসমাজে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিশেষজ্ঞ পর্যালোচনার আগে কোনো চিকিৎসক, হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকর্মীকে জনসমক্ষে দায়ী করার প্রবণতা মিডিয়া ট্রায়ালের পরিবেশ সৃষ্টি করে। এর ফলে সরকারি ও বেসরকারি—উভয় ধরনের হাসপাতালেই চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে জনরোষ, ভাঙচুর ও মব-মানসিকতা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
কোনো মন্ত্রীর বক্তব্যের উদ্দেশ্য জনস্বার্থ রক্ষা হলেও তার ভাষা ও উপস্থাপনা যেন হাসপাতালভিত্তিক সহিংসতাকে উসকে না দেয়, সে দায়িত্ব রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতৃত্বকেই নিতে হবে। অভিযোগের ক্ষেত্রে সঠিক পথ হলো দ্রুত, নিরপেক্ষ ও বৈজ্ঞানিক তদন্ত; মব তৈরি বা আগাম জনরায় নয়।
একজন রোগীর মৃত্যু বা চিকিৎসাগত জটিলতার অভিযোগের ক্ষেত্রে অবশ্যই নিরপেক্ষ তদন্ত, বৈজ্ঞানিক ক্লিনিক্যাল রিভিউ এবং দ্রুত আইনি প্রতিকার থাকতে হবে। প্রমাণিত অবহেলা, অনৈতিকতা বা অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে নির্দোষ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীকেও মিথ্যা অভিযোগ, হামলা ও অপমান থেকে সুরক্ষা দিতে হবে। রোগীর অধিকার ও চিকিৎসকের মর্যাদা—দুটোই সমান গুরুত্বপূর্ণ।
এই অবস্থায় কার্যকর বিএমএর ভূমিকা কী হওয়া উচিত?
প্রথমত, বিএমএকে রোগী ও স্বাস্থ্যকর্মী—উভয়ের নিরাপত্তার প্রশ্নে দৃশ্যমান নেতৃত্ব দিতে হবে। প্রতিটি হাসপাতালের জন্য কার্যকর নিরাপত্তা প্রটোকল, সিসিটিভি, প্রশিক্ষিত নিরাপত্তাকর্মী, পুলিশ সহায়তা, দ্রুত আইনি সহায়তা এবং হামলার ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
দ্বিতীয়ত, বিএমএকে সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতের চিকিৎসকদের কর্মপরিবেশ, ন্যায্য পারিশ্রমিক, নিরাপত্তা, পেশাগত স্বাধীনতা ও আইনগত সুরক্ষার প্রশ্নে কাজ করতে হবে।
তৃতীয়ত, ভুয়া চিকিৎসক, ভুয়া বিশেষজ্ঞ পরিচয়, লাইসেন্সবিহীন সেবা, অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা, কমিশননির্ভর রেফারেল এবং বিভ্রান্তিকর স্বাস্থ্য বিজ্ঞাপনের বিরুদ্ধে বিএমএকে আপসহীন অবস্থান নিতে হবে। পেশার ভেতরের অনৈতিকতার বিরুদ্ধে নীরবতা জন-আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারে না।
চতুর্থত, বিএমএকে একটি স্বাধীন হাসপাতাল অভিযোগ ও ক্লিনিক্যাল রিভিউ ব্যবস্থার দাবি তুলতে হবে। যেখানে রোগীর পরিবারের অভিযোগ দ্রুত গ্রহণ করা হবে, চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য শোনা হবে, বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হবে এবং প্রমাণিত অবহেলার বিরুদ্ধে শাস্তি নিশ্চিত হবে।
পঞ্চমত, বিএমএকে দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে পেশাগত সংগঠন হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। নিয়মিত ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন, আর্থিক স্বচ্ছতা, সিদ্ধান্তে সদস্যদের অংশগ্রহণ, নারী ও তরুণ চিকিৎসকদের নেতৃত্বের সুযোগ এবং উপজেলা-জেলা পর্যায়ের চিকিৎসকদের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব ছাড়া সংগঠনের প্রতি আস্থা তৈরি হবে না।
স্বাস্থ্যসেবার সংস্কার কেবল হাসপাতাল ভবন নির্মাণে হবে না। প্রয়োজন দক্ষ জনবল, পর্যাপ্ত সরঞ্জাম, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, নৈতিকতা, জবাবদিহি, রোগীর আস্থা এবং শক্তিশালী পেশাজীবী নেতৃত্ব। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা বাঁচাতে মব নয়, প্রয়োজন ন্যায়সংগত তদন্ত; অপমান নয়, প্রয়োজন জবাবদিহি; চিকিৎসককে একা কাঠগড়ায় দাঁড় করানো নয়, প্রয়োজন পুরো ব্যবস্থার সংস্কার।
একটি কার্যকর বিএমএ চিকিৎসকদের অধিকার রক্ষা করবে, রোগীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করবে, ভুয়া ও অনৈতিক চিকিৎসার বিরুদ্ধে দাঁড়াবে এবং রাষ্ট্রকে সময়মতো সতর্ক করবে। তাই কার্যকর বিএমএ গঠন কোনো বিলাসিতা নয়—বাংলাদেশের নিরাপদ, মানবিক ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার অপরিহার্য শর্ত।
লেখক: এমবিবিএস (ডিএমসি), এমডি (কার্ডিওলজি), বিভাগীয় প্রধান, কার্ডিওলজি বিভাগ, পপুলার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

নাটক জমে উঠেছে। বহুদিন ধরেই ইলিশ নিয়ে নাট্যাভিনয় চলছে। দেশের মানুষ ইলিশ খেতে পায় না আর সেই ইলিশ কিনা রপ্তানি হয়ে যাচ্ছে ভারতে! এই নিয়ে একসময় অভিযোগের অন্ত ছিল না। ভারতবিদ্বেষের একটা সহজ সমীকরণ মেলানো হয়েছিল এই ইলিশ রপ্তানিকে কেন্দ্র করে।
১৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে নারীশিক্ষার অগ্রগতি আমাদের নিঃসন্দেহে এমন এক নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখায়, যেখানে শিক্ষিত, দক্ষ ও আত্মনির্ভর নারীরা দেশের অর্থনীতি, সমাজ ও নেতৃত্বে সমান অংশীদার হয়ে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কয়েক দশক আগেও অনেক পরিবারে মেয়েদের উচ্চশিক্ষা ছিল দূরের স্বপ্ন।
১৪ ঘণ্টা আগে
মোবাইল ইন্টারনেট এখন আর কারও কাছে বাড়তি সুবিধা নয়, এটি প্রতিদিনের জীবনের প্রয়োজনীয় অংশ হয়ে উঠেছে। ব্যাংকিং লেনদেন থেকে শুরু করে সন্তানের অনলাইন ক্লাস, চাকরির আবেদন কিংবা ছোট ব্যবসার হিসাব রাখা, সবকিছুতেই এখন এই একটি সংযোগের ওপর নির্ভর করতে হয়।
১৪ ঘণ্টা আগে
হাকালুকি হাওর শুধু প্রাকৃতিক মাছের আধার নয়, বরং পরিবেশ রক্ষারও কবচ। এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ এই মিঠাপানির জলাভূমি আজ বিপন্নের পথে। প্রতিদিন শত শত মানুষ এই হাওর ঘিরে তাদের জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। হাওরটির পশ্চিমে আছে ভাটেরা পাহাড় ও পূর্বে আছে পাথারিয়া মাধব পাহাড়।
২ দিন আগে