নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অশিক্ষিত চাষাভুষারা এই সরকারের চেয়ে ভালো দেশ চালাতে পারবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ূম। তিনি বলেছেন, ‘গরিবের ট্যাক্সের টাকায় রাষ্ট্র-সরকার চলে, আর গরিব থাকে বঞ্চিত। অশিক্ষিত, মূর্খ চাষাভুষারা এই সরকারের চেয়ে ভালো দেশ চালাতে পারবে।’
আজ শনিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘সরকারকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাসনাত কাইয়ূম এ কথা বলেন। বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলন এ সভার আয়োজন করে।
পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহণ নিশ্চিতে ঐকমত্য কমিশনে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব উত্থাপনের দাবি জানিয়ে হাসনাত কাইয়ূম বলেন, গরিবের ট্যাক্সের টাকায় রাষ্ট্র-সরকার চলে, আর গরিব থাকে বঞ্চিত। রাষ্ট্র পরিচালনায় গরিব ভূমিহীন, কৃষক, জেলে, সাঁওতাল, সাধু-সন্ন্যাসী, দলিত, পাহাড়িসহ সকল প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

ভূমি ও কৃষি সংস্কার কমিশন গঠন, বাগদা ফার্মের জমি প্রকৃত মালিকদের ফেরত দেওয়া, হাটঘাটের ইজারাদারি প্রথা বাতিলসহ ৮ দফা দাবিতে শনিবার রাজধানীতে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেন তাঁরা। সমাবেশে উল্লেখিত ৮ দফা অবিলম্বে পূরণের আহ্বান জানান হাসনাত কাইয়ূম। সেটা না হলে গরিব, চাষাভুষা, মূর্খদের নিজেরা সংগঠিত হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদ দখল করে দাবিগুলো পূরণ করার আহ্বান জানান তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শেখ নাসিরউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের ৬৪ শতাংশ মানুষ ভূমিহীন। এখনো দেশের অন্তত ৭০ ভাগ মানুষ কৃষি ও কৃষিসংক্রান্ত পেশায় যুক্ত। গণ-অভ্যুত্থানে দেশের প্রান্তিক মানুষের অংশগ্রহণ ছিল সবচেয়ে বেশি।
তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা সারা জীবন কৃষি, কৃষক, ভূমিহীন, মেহনতি জনতার জন্য আন্দোলন করেছেন। কিন্তু উপদেষ্টা হবার পর আমাদের বারবার দাবির মুখেও তাঁরা কৃষি, কৃষক, জেলে, সাঁওতাল, ভূমিহীনদের জন্য কোনো উদ্যোগ নেন নাই।’
সরকারকে চ্যালেঞ্জ করে তিনি বলেন, ‘আপনারা যেটা ১১ মাসে পারেন নাই, আমরা চাষাভুষা, অশিক্ষিত, গরিবরা সেটা এক মাসে করে দেখাতে পারব।’
সমাবেশ সঞ্চালনা করেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের জাতীয় সমন্বয়ক ছামিউল আলম রাশুর। সমাবেশে সংহতি জানিয়ে আরও বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জ জেলার আব্দুস শুকুর মিয়া, বরিশালের সাইফুর রহমান, নোয়াখালীর সামছুদ্দিন রাকিব, আজগার আলী, সিরাজগঞ্জ জেলার আরিফুল ইসলাম জুয়েল, কুড়িগ্রাম জেলার আব্দুল হামিদ, লালমনিরহাট জেলার শফিকুল ইসলাম, পাবনা জেলার মো. সাবু ইসলাম, গাইবান্ধা জেলার মো. স্বপন শেখ, রাফায়েল হাজরা, নারায়ণগঞ্জ জেলার জিয়ারুল ইসলাম সুমন, শেরপুর জেলার শাহিন আলম প্রমুখ।

অশিক্ষিত চাষাভুষারা এই সরকারের চেয়ে ভালো দেশ চালাতে পারবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ূম। তিনি বলেছেন, ‘গরিবের ট্যাক্সের টাকায় রাষ্ট্র-সরকার চলে, আর গরিব থাকে বঞ্চিত। অশিক্ষিত, মূর্খ চাষাভুষারা এই সরকারের চেয়ে ভালো দেশ চালাতে পারবে।’
আজ শনিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘সরকারকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাসনাত কাইয়ূম এ কথা বলেন। বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলন এ সভার আয়োজন করে।
পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহণ নিশ্চিতে ঐকমত্য কমিশনে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব উত্থাপনের দাবি জানিয়ে হাসনাত কাইয়ূম বলেন, গরিবের ট্যাক্সের টাকায় রাষ্ট্র-সরকার চলে, আর গরিব থাকে বঞ্চিত। রাষ্ট্র পরিচালনায় গরিব ভূমিহীন, কৃষক, জেলে, সাঁওতাল, সাধু-সন্ন্যাসী, দলিত, পাহাড়িসহ সকল প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

ভূমি ও কৃষি সংস্কার কমিশন গঠন, বাগদা ফার্মের জমি প্রকৃত মালিকদের ফেরত দেওয়া, হাটঘাটের ইজারাদারি প্রথা বাতিলসহ ৮ দফা দাবিতে শনিবার রাজধানীতে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেন তাঁরা। সমাবেশে উল্লেখিত ৮ দফা অবিলম্বে পূরণের আহ্বান জানান হাসনাত কাইয়ূম। সেটা না হলে গরিব, চাষাভুষা, মূর্খদের নিজেরা সংগঠিত হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদ দখল করে দাবিগুলো পূরণ করার আহ্বান জানান তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শেখ নাসিরউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের ৬৪ শতাংশ মানুষ ভূমিহীন। এখনো দেশের অন্তত ৭০ ভাগ মানুষ কৃষি ও কৃষিসংক্রান্ত পেশায় যুক্ত। গণ-অভ্যুত্থানে দেশের প্রান্তিক মানুষের অংশগ্রহণ ছিল সবচেয়ে বেশি।
তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা সারা জীবন কৃষি, কৃষক, ভূমিহীন, মেহনতি জনতার জন্য আন্দোলন করেছেন। কিন্তু উপদেষ্টা হবার পর আমাদের বারবার দাবির মুখেও তাঁরা কৃষি, কৃষক, জেলে, সাঁওতাল, ভূমিহীনদের জন্য কোনো উদ্যোগ নেন নাই।’
সরকারকে চ্যালেঞ্জ করে তিনি বলেন, ‘আপনারা যেটা ১১ মাসে পারেন নাই, আমরা চাষাভুষা, অশিক্ষিত, গরিবরা সেটা এক মাসে করে দেখাতে পারব।’
সমাবেশ সঞ্চালনা করেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের জাতীয় সমন্বয়ক ছামিউল আলম রাশুর। সমাবেশে সংহতি জানিয়ে আরও বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জ জেলার আব্দুস শুকুর মিয়া, বরিশালের সাইফুর রহমান, নোয়াখালীর সামছুদ্দিন রাকিব, আজগার আলী, সিরাজগঞ্জ জেলার আরিফুল ইসলাম জুয়েল, কুড়িগ্রাম জেলার আব্দুল হামিদ, লালমনিরহাট জেলার শফিকুল ইসলাম, পাবনা জেলার মো. সাবু ইসলাম, গাইবান্ধা জেলার মো. স্বপন শেখ, রাফায়েল হাজরা, নারায়ণগঞ্জ জেলার জিয়ারুল ইসলাম সুমন, শেরপুর জেলার শাহিন আলম প্রমুখ।

নিরাপত্তার বিবেচনায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪২ হাজার ৭৬১টি।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর আগে গত জুলাইয়ে কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছিল কমিশন। আগের ঘোষিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী অনেক কাজ যথাসময়ে শেষ করতে পারেনি ইসি। এর মধ্যে রাজনৈতিক দল নিবন্ধন ও সংসদীয় আসনের সীমানা বিন্যাস ছিল অন্যতম।
৫ ঘণ্টা আগে
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় নারায়ণগঞ্জে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক এমপি শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। সে সঙ্গে তাঁরা পলাতক থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জুলাই জাতীয় সনদের প্রশ্নে গণভোট। সেখানে দেশবাসীকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে বৈষম্য, শোষণ আর নিপীড়ন...
৬ ঘণ্টা আগে