রাজধানীর সড়কে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে দায়িত্ব পালন করা শিক্ষার্থীদের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। সরকারের কাছ থেকে বাজেট না পাওয়ায় ১ মার্চ থেকে শিক্ষার্থীরা আর ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছেন না।
ডিএমপি জানিয়েছে, সরকারের কাছে তারা অনুমতি ও বাজেট—দুটিই চেয়েছিল, তবে সরকারের কাছ থেকে অর্থ বরাদ্দ এবং অনুমতি কোনোটিই মেলেনি। তাই কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, বরাদ্দ পেলে আবার ডাকবে। তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, মাঠের ট্রাফিক পুলিশ ও ডিএমপির কেউ কেউ তাঁদের চাচ্ছেন না, তাই কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান পর থেকে রাজধানীর যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে শিক্ষার্থীদের কাজে লাগানো হয়। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে এসব শিক্ষার্থীদের দৈনিক ভাতার ভিত্তিতে ডিএমপির ট্রাফিকে যুক্ত করা হয়। ঢাকায় দুই শিফটে ৮৯৬ জন শিক্ষার্থী ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে কাজ করতেন। অন্তর্বর্তী সরকার তাঁদের চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত কাজ করার অনুমতি দিয়েছিল। কথা ছিল, পরবর্তী সময়ে নির্বাচিত সরকার অর্থ বরাদ্দ দিয়ে সময় বাড়াতে পারবে।
তবে ডিএমপি জানিয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার ৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদ ঠিক করে গেলেও, অর্থ বরাদ্দ ছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
২০২৪ সালের ৪ নভেম্বর পরীক্ষামূলকভাবে রাস্তায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করেন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ২৪৬ জন শিক্ষার্থী। পর্যায়ক্রমে তাঁদের সংখ্যা দাঁড়ায় ১ হাজারে। সর্বশেষ ৮৯৬ জন শিক্ষার্থী রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতেন। তাঁরা প্রতিদিন ৫০০ টাকা সম্মানীতে দুই শিফটে কাজ করতেন।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আনিছুর রহমান বলেন, ‘সরকারের কাছে আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ চেয়ে চিঠি দিয়েছিলাম। কিন্তু কোনো বরাদ্দ পাইনি। তাই ১ মার্চ শিক্ষার্থীদের না করে দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, সরকারের অনুমতি ও বাজেট পেলে আবার তাঁদের ডাকা হবে।’
আনিছুর রহমান আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আমাদের দরকার। তাঁরা রাস্তায় থাকলে আমাদের কিছুটা সুবিধা হয়। কারণ, প্রয়োজনের তুলনায় আমাদের জনবল-সংকট রয়েছে। শিক্ষার্থীরাও ভালো সহায়ক হিসেবে কাজ করছেন, সেটাও মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে অর্থ বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। ডিএমপির পক্ষে তাঁদের ভাতা দিয়ে কাজ করানোর সক্ষমতা নেই।’
তবে ট্রাফিকে দায়িত্ব পালনকারী শিক্ষার্থীদের কয়েকজন জানান, জুন পর্যন্ত কাজ করার অনুমতি থাকলেও ডিএমপি তার আগেই তাঁদের বিদায় করে দিয়েছে। টাকা বরাদ্দ পেলে আবার ডাকবে বলে জানিয়েছে তারা। রিফাত নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, তিনি আসাদগেট, সায়েন্সল্যাব, ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর কয়েক মাস দায়িত্ব পালন করেছেন, ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরাই তাঁদের চাচ্ছেন না বলে তিনি মনে করেন। এই শিক্ষার্থী বলেন, ‘বিভিন্ন কারণে শিক্ষার্থীদের দায়িত্ব পালন নিয়ে খুশি নন ট্রাফিক পুলিশের মাঠপর্যায়ের সদস্যরা। তাঁদের সড়কে বিভিন্ন ইস্যু আছে, সেগুলো আমাদের জন্য বাধাগ্রস্ত হয়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য আমরা ইতিমধ্যে “ফ্যামিলি কার্ড” চালু করেছি। পর্যায়ক্রমিকভাবে এই কার্ড সারা দেশে সবাই পাবেন। আগামী ১৪ এপ্রিল তথা পয়লা বৈশাখ থেকে চালু হচ্ছে “ফারমার্স কার্ড” বা “কৃষক কার্ড”। ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে শুরু হচ্ছে খাল খনন কর্মসূচি।’
১ ঘণ্টা আগে
ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের মাসিক সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
৩ ঘণ্টা আগে
কমলাপুর রেলস্টেশনের টিকিট কাউন্টারগুলোর সামনে ভিড় ছিল। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, যাঁরা অনলাইনে অগ্রিম টিকিট কাটতে পারেননি, তাঁরা বিভিন্ন ট্রেনের স্ট্যান্ডিং টিকিট কেটে বিভিন্ন গন্তব্যে যাত্রা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
একসময় বলা হতো, বাঙালি কোনো যুবক কবিতা লেখেননি এমন হতে পারে না। তাঁদের মধ্যে সবাই না হোক, কেউ কেউ তো কবি হয়ে ওঠেন। আর বিক্রি যা-ই থাক, একসময় কবিতার বই বের হতো দেদার। এবার সংখ্যায় প্রকাশের শীর্ষে আছে কাব্যগ্রন্থই।
১১ ঘণ্টা আগে