নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) সাবেক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, তাঁর স্ত্রী শাহীন আক্তার এবং দুই মেয়ে আনিকা ফারিহা জামান ও মায়সা সামিহা জামানের নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংকের ৪১টি হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ সাব্বির ফয়েজ এ নির্দেশ দেন।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
সিআইডি পুলিশের ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম অ্যান্ড অর্গানাইজড বিভাগের পরিদর্শক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান সাবেক মেয়র ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়েছে, এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের ব্যাংক হিসাবে অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ অপরাধ ও অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ২(শ) ধারার আওতাভুক্ত সম্পৃক্ত অপরাধ।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে এমন সাক্ষ্যপ্রমাণ মিলেছে যে, খায়রুজ্জামান লিটন তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অপরাধলব্ধ অর্থ ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করেছেন। ওই অর্থ দিয়ে সম্পদ অর্জন ও ভোগবিলাসে ব্যয় করা হয়েছে বলেও তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে মামলার অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এমতাবস্থায় সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে এসব ব্যাংক হিসাবগুলোতে জমা করা অপরাধলব্ধ অর্থ অভিযোগসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যেন উত্তোলন করে পাচার বা অন্যত্র স্থানান্তর করতে না পারেন, সে জন্য ব্যাংক হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) সাবেক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, তাঁর স্ত্রী শাহীন আক্তার এবং দুই মেয়ে আনিকা ফারিহা জামান ও মায়সা সামিহা জামানের নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংকের ৪১টি হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ সাব্বির ফয়েজ এ নির্দেশ দেন।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
সিআইডি পুলিশের ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম অ্যান্ড অর্গানাইজড বিভাগের পরিদর্শক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান সাবেক মেয়র ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়েছে, এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের ব্যাংক হিসাবে অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ অপরাধ ও অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ২(শ) ধারার আওতাভুক্ত সম্পৃক্ত অপরাধ।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে এমন সাক্ষ্যপ্রমাণ মিলেছে যে, খায়রুজ্জামান লিটন তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অপরাধলব্ধ অর্থ ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করেছেন। ওই অর্থ দিয়ে সম্পদ অর্জন ও ভোগবিলাসে ব্যয় করা হয়েছে বলেও তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে মামলার অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এমতাবস্থায় সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে এসব ব্যাংক হিসাবগুলোতে জমা করা অপরাধলব্ধ অর্থ অভিযোগসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যেন উত্তোলন করে পাচার বা অন্যত্র স্থানান্তর করতে না পারেন, সে জন্য ব্যাংক হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহকারী একান্ত সচিব-২ গাজী হাফিজুর রহমান লিকুর স্ত্রী রহিমা আক্তারের নামে থাকা একটি ১০ তলা ভবন ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ গজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই নির্দেশ দেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দুদক জানিয়েছে, সাতজন নিম্ন আয়ের মানুষের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে কাগুজে প্রতিষ্ঠান খুলে মোট ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে একটি চক্র। সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও রুকমিলা জামান ক্ষমতার অপব্যবহার করে এসব ঋণ জালিয়াতিতে সহায়তা করেন। এ ঘটনায় সাইফুজ্জামানের ভাই ও ইউসিবির সাবেক পরিচালক আনিসুজ্জামান
৪ ঘণ্টা আগে
বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনী পরিবেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য কমিশন থেকে সমন্বয় সেল, ভিজিল্যান্স টিম, মনিটরিং টিমসহ রিটার্নিং কর্মকর্তার সমন্বয়ে অনেকগুলো কমিটি রয়েছে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারসহ নানা ধরনের নির্দেশনা আগের আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক সভায় দেওয়া হয়েছিল।
৫ ঘণ্টা আগে
সিআইডির অনুসন্ধান অনুযায়ী, চক্রটি ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, গুলশান শাখার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা করে নিয়মিত চাঁদা আদায় করত। অভিযোগসংশ্লিষ্ট মো. কামরুজ্জামান ২০১৫ সালে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে যোগদান করেন।
৫ ঘণ্টা আগে