নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ২১২ জন। আজ সোমবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়, যেখানে গতকাল ২১ জনের মৃত্যু এবং ৯৮০ জন রোগী শনাক্তের তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
এর আগে জুনের শেষ নাগাদ থেকে আগস্টের শেষ নাগাদ পর্যন্ত টানা দৈনিক মৃত্যু ১০০-এর ওপরে ছিল। এমনকি কোনো কোনো দিন মৃত্যু ২০০ ছাড়িয়ে গেছে। গত ১০ ও ৫ আগস্ট ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৬৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরটি–পিসিআর, জিন এক্সপার্ট ও র্যাপিড অ্যান্টিজেন মিলিয়ে ৮২১টি সক্রিয় ল্যাবে ২৭ হাজার ৭৮৭টি নমুনা পরীক্ষা করলে ১ হাজার ২১২ টিতে করোনাভাইরাস পজিটিভ আসে। সে হিসাবে রোগী শনাক্তের হার ৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ।
যেখানে গতকাল ৮২০টি সক্রিয় ল্যাবে ২২ হাজার ২২১টি নমুনা পরীক্ষা করলে ৯৮০ টিতে করোনাভাইরাস পজিটিভ আসে। সে হিসাবে রোগী শনাক্তের হার ছিল ৪ দশমিক ৪১ শতাংশ।
এই সময়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এই বিভাগে গত এক দিনে মারা গেছেন ৯ জন কোভিড রোগী। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ৮ জন, খুলনায় ৩ জন, সিলেটে ৩ জন এবং রংপুরে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় রাজশাহী, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি।
এক দিনে করোনায় মৃত ২৫ জনের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ২০ জন এবং বেসরকারি হাসপাতালে ৫ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে পুরুষ ১৩ আর নারী ১২ জন। বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৮১-৯০ বছর বয়সী ৪ জন, ৭১–৮০ বছর বয়সী ৪ জন, ৬১–৭০ বছর বয়সী ৬ জন, ৫১–৬০ বছর বয়সী ৬ জন, ৪১–৫০ বছর বয়সী ৩ জন, ৩১-৪০ বছর বয়সী একজন এবং ২১-৩০ বছর বয়সী একজন কোভিড রোগী এই সময়ে মারা গেছেন।
এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড থেকে সেরে উঠেছেন ১ হাজার ২০২ জন রোগী। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ১৫ লাখ ১২ হাজার ৬৮১ জন; যেখানে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে মোট আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৫২ হাজার ৫৬৩ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ৪৩৯ জন করোনা রোগীর।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে প্রথম কোভিড আক্রান্ত রোগী শনাক্তের পর দ্রুত সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে নভেল করোনাভাইরাস। বাংলাদেশে করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্তের খবর জানানো হয় গত বছরের ৮ মার্চ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রথম মৃত্যুর খবর জানায় ১৮ মার্চ।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ২১২ জন। আজ সোমবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়, যেখানে গতকাল ২১ জনের মৃত্যু এবং ৯৮০ জন রোগী শনাক্তের তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
এর আগে জুনের শেষ নাগাদ থেকে আগস্টের শেষ নাগাদ পর্যন্ত টানা দৈনিক মৃত্যু ১০০-এর ওপরে ছিল। এমনকি কোনো কোনো দিন মৃত্যু ২০০ ছাড়িয়ে গেছে। গত ১০ ও ৫ আগস্ট ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৬৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরটি–পিসিআর, জিন এক্সপার্ট ও র্যাপিড অ্যান্টিজেন মিলিয়ে ৮২১টি সক্রিয় ল্যাবে ২৭ হাজার ৭৮৭টি নমুনা পরীক্ষা করলে ১ হাজার ২১২ টিতে করোনাভাইরাস পজিটিভ আসে। সে হিসাবে রোগী শনাক্তের হার ৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ।
যেখানে গতকাল ৮২০টি সক্রিয় ল্যাবে ২২ হাজার ২২১টি নমুনা পরীক্ষা করলে ৯৮০ টিতে করোনাভাইরাস পজিটিভ আসে। সে হিসাবে রোগী শনাক্তের হার ছিল ৪ দশমিক ৪১ শতাংশ।
এই সময়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এই বিভাগে গত এক দিনে মারা গেছেন ৯ জন কোভিড রোগী। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ৮ জন, খুলনায় ৩ জন, সিলেটে ৩ জন এবং রংপুরে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় রাজশাহী, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি।
এক দিনে করোনায় মৃত ২৫ জনের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ২০ জন এবং বেসরকারি হাসপাতালে ৫ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে পুরুষ ১৩ আর নারী ১২ জন। বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৮১-৯০ বছর বয়সী ৪ জন, ৭১–৮০ বছর বয়সী ৪ জন, ৬১–৭০ বছর বয়সী ৬ জন, ৫১–৬০ বছর বয়সী ৬ জন, ৪১–৫০ বছর বয়সী ৩ জন, ৩১-৪০ বছর বয়সী একজন এবং ২১-৩০ বছর বয়সী একজন কোভিড রোগী এই সময়ে মারা গেছেন।
এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড থেকে সেরে উঠেছেন ১ হাজার ২০২ জন রোগী। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ১৫ লাখ ১২ হাজার ৬৮১ জন; যেখানে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে মোট আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৫২ হাজার ৫৬৩ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ৪৩৯ জন করোনা রোগীর।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে প্রথম কোভিড আক্রান্ত রোগী শনাক্তের পর দ্রুত সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে নভেল করোনাভাইরাস। বাংলাদেশে করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্তের খবর জানানো হয় গত বছরের ৮ মার্চ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রথম মৃত্যুর খবর জানায় ১৮ মার্চ।

সাধারণ মানুষের কাছে কার্যত অজানা থাকলেও সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত হলে সড়ক পরিবহন আইনে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান রয়েছে। আইনে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের জন্য ৫ লাখ টাকা এবং আহত ব্যক্তির জন্য ৩ লাখ টাকা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
‘বিটিআরসির এনইআইআর সিস্টেমে আমার এনআইডির বিপরীতে ৫২টা ফোন নিবন্ধিত দেখাচ্ছে। এতগুলো ফোন কীভাবে আমার নামে নিবন্ধিত হয়! আমার ও পরিবারের সদস্যদের ধরলে মোট ৫-৭টা হতে পারে। তাই বলে ৫২টা?
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৪টি আসনে ৮৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে জামায়াতের এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ ও নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্নার মতো নেতারাও রয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
এনইআইআর চালুর পরে ‘ক্লোন ফোন’ নিয়ে ভয়াবহ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। শুধু একটি আইএমইআই নম্বরেই পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৯১ লাখ ২২ হাজার ৫৩৪টি স্মার্টফোন।আজ শুক্রবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এ তথ্য জানিয়েছেন।
১২ ঘণ্টা আগে