বাসস, ঢাকা

পদোন্নতিবঞ্চিত অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের আবেদন পর্যালোচনা কমিটির দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছে ওই কর্মকর্তাদের আবেদন পর্যালোচনা কমিটি। এবার ৭৮ জন কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
আজ বুধবার প্রধান উপদেষ্টার কাছে তাঁর কার্যালয়ে এ প্রতিবেদন জমা দেন পদোন্নতিবঞ্চিত অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আবেদন পর্যালোচনা কমিটির আহ্বায়ক ও সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খান।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আওতায় ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত চাকরিতে বঞ্চনার শিকার এবং উল্লিখিত সময়ের মধ্যে অবসরে যাওয়া কর্মকর্তাদের আবেদন পর্যালোচনা করে সুপারিশ প্রণয়নের জন্য গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর জাকির আহমেদ খানকে আহ্বায়ক করে কমিটি গঠন করা হয়। পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটিতে আরও রয়েছেন—মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এবং আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের প্রতিনিধি।
কমিটি দুই ধাপে কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে। কমিটি প্রথম ধাপে উপসচিব ও তদূর্ধ্ব পদে বঞ্চনার আবেদনগুলো পর্যালোচনা করে গত বছরের ১০ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন দাখিল করে।
দ্বিতীয় ধাপে প্রশাসন ক্যাডার ছাড়া অন্য যেসব ক্যাডারে তৃতীয় গ্রেড বা তদূর্ধ্ব পদ রয়েছে, সেসব ক্যাডারের বঞ্চিত কর্মকর্তাদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৩১৮টি আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে ৬৮টি আবেদন কমিটির আওতাবহির্ভূত ও ৪০টি আবেদন তথ্যগতভাবে অসম্পূর্ণ হওয়ায় মোট ১০৮টি আবেদন বিবেচনা করা সম্ভব হয়নি। ফলে কমিটি কর্তৃক পর্যালোচনাযোগ্য আবেদন ছিল ২১০টি। এসব আবেদন যাচাই-বাছাই করার জন্য কমিটি ১৪টি সভা করেছে।
প্রত্যেক ক্যাডারের আবেদন বিবেচনার সময় কমিটির সভায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের লিখিত সুপারিশ, বৈঠকে উপস্থিত প্রতিনিধির মতামত ও আনুষঙ্গিক বিষয়াদি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে। পুঙ্খানুপুঙ্খ বিচার-বিশ্লেষণের মাধ্যমে কমিটি সুপারিশ প্রণয়ন করেছে।
গ্রেড-১ পদে ১২ জন, গ্রেড-২ পদে ৩২ জন ও গ্রেড-৩ পদে ৩৪ জন কর্মকর্তাসহ মোট ৭৮ জন কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দেওয়া যেতে পারে মর্মে কমিটি সুপারিশ করেছে।
পদোন্নতির জন্য সুপারিশ করা তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, কমিটি ছয়জন কর্মকর্তাকে তিন ধাপ, ১৭ জন কর্মকর্তাকে দুই ধাপ ও ৫৫ জন কর্মকর্তাকে এক ধাপ পদোন্নতির সুপারিশ করেছে।
১৩২ জন কর্মকর্তাকে কমিটি পদোন্নতির সুপারিশ করেনি। তাঁদের কেন পদোন্নতির সুপারিশ করা হয়নি, প্রতিটি ক্ষেত্রে এর সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়েছে।
এ পরিপ্রেক্ষিতে পদোন্নতিবঞ্চিত অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আবেদন পর্যালোচনা কমিটির দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টার কাছে পেশ করা হয়।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

পদোন্নতিবঞ্চিত অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের আবেদন পর্যালোচনা কমিটির দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছে ওই কর্মকর্তাদের আবেদন পর্যালোচনা কমিটি। এবার ৭৮ জন কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
আজ বুধবার প্রধান উপদেষ্টার কাছে তাঁর কার্যালয়ে এ প্রতিবেদন জমা দেন পদোন্নতিবঞ্চিত অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আবেদন পর্যালোচনা কমিটির আহ্বায়ক ও সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খান।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আওতায় ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত চাকরিতে বঞ্চনার শিকার এবং উল্লিখিত সময়ের মধ্যে অবসরে যাওয়া কর্মকর্তাদের আবেদন পর্যালোচনা করে সুপারিশ প্রণয়নের জন্য গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর জাকির আহমেদ খানকে আহ্বায়ক করে কমিটি গঠন করা হয়। পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটিতে আরও রয়েছেন—মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এবং আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের প্রতিনিধি।
কমিটি দুই ধাপে কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে। কমিটি প্রথম ধাপে উপসচিব ও তদূর্ধ্ব পদে বঞ্চনার আবেদনগুলো পর্যালোচনা করে গত বছরের ১০ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন দাখিল করে।
দ্বিতীয় ধাপে প্রশাসন ক্যাডার ছাড়া অন্য যেসব ক্যাডারে তৃতীয় গ্রেড বা তদূর্ধ্ব পদ রয়েছে, সেসব ক্যাডারের বঞ্চিত কর্মকর্তাদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৩১৮টি আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে ৬৮টি আবেদন কমিটির আওতাবহির্ভূত ও ৪০টি আবেদন তথ্যগতভাবে অসম্পূর্ণ হওয়ায় মোট ১০৮টি আবেদন বিবেচনা করা সম্ভব হয়নি। ফলে কমিটি কর্তৃক পর্যালোচনাযোগ্য আবেদন ছিল ২১০টি। এসব আবেদন যাচাই-বাছাই করার জন্য কমিটি ১৪টি সভা করেছে।
প্রত্যেক ক্যাডারের আবেদন বিবেচনার সময় কমিটির সভায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের লিখিত সুপারিশ, বৈঠকে উপস্থিত প্রতিনিধির মতামত ও আনুষঙ্গিক বিষয়াদি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে। পুঙ্খানুপুঙ্খ বিচার-বিশ্লেষণের মাধ্যমে কমিটি সুপারিশ প্রণয়ন করেছে।
গ্রেড-১ পদে ১২ জন, গ্রেড-২ পদে ৩২ জন ও গ্রেড-৩ পদে ৩৪ জন কর্মকর্তাসহ মোট ৭৮ জন কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দেওয়া যেতে পারে মর্মে কমিটি সুপারিশ করেছে।
পদোন্নতির জন্য সুপারিশ করা তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, কমিটি ছয়জন কর্মকর্তাকে তিন ধাপ, ১৭ জন কর্মকর্তাকে দুই ধাপ ও ৫৫ জন কর্মকর্তাকে এক ধাপ পদোন্নতির সুপারিশ করেছে।
১৩২ জন কর্মকর্তাকে কমিটি পদোন্নতির সুপারিশ করেনি। তাঁদের কেন পদোন্নতির সুপারিশ করা হয়নি, প্রতিটি ক্ষেত্রে এর সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়েছে।
এ পরিপ্রেক্ষিতে পদোন্নতিবঞ্চিত অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আবেদন পর্যালোচনা কমিটির দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টার কাছে পেশ করা হয়।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

পদত্যাগপত্র গৃহীত হওয়ার দুদিন পর অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমানকে আবারও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। তাঁকে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা দেওয়া হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
সব ধরনের পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপানের পাশাপাশি তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিষিদ্ধ করে এবং এ বিধান লঙ্ঘনের অপরাধে জরিমানা ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করে অধ্যাদেশ কার্যকর করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
অভিযোগে বলা হয়, বে সিটি অ্যাপারেলস, ইয়েলো অ্যাপারেলস, পিংক মেকার ও অ্যাপোলো অ্যাপারেলস নামে চারটি কথিত গ্রাহক প্রতিষ্ঠান ঋণের নামে প্রায় ২ হাজার ৮৫৭ কোটি ৯৩ লাখ ১২ হাজার ৯৪১ টাকা আত্মসাৎ করেছে। মূলত সালমান এফ রহমান তাঁর ক্ষমতার অপব্যবহার করে, প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে জনতা ব্যাংক পিএলসির...
৩ ঘণ্টা আগে
তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
১৯ ঘণ্টা আগে