রাজধানীর সদরঘাটে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ছয় সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে দুর্ঘটনার কারণ উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের চিহ্নিত করে সুপারিশসহ প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৮ মার্চ সদরঘাটের ১৪ নম্বর পন্টুনের কাছে ঢাকা-ইলিশা (ভোলা) রুটের ‘আসা-যাওয়া-৫’ এবং ঢাকা-দৌলতদিয়া-যশোরহাট রুটের ‘এমভি জাকের স্মার্ট-৩’ লঞ্চের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান এবং দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে গঠিত তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবুল ইসলামকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ঢাকা অঞ্চলের নৌ পুলিশের পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-মামুন, বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক (ক্রয় ও সংরক্ষণ) এস এম শাহেদ রেজা, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড শিপ সার্ভেয়ার (সদরঘাট) মোহাম্মদ এহতেছানুল হক ফকির, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অপারেশন) এ কে এম শামসুজ্জোহা এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. মেহেদী হাসান (সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন)।
এদিকে, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সার্বিক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে। আহতদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, বুধবার বিকেলে এমভি জাকের সম্রাট-৩ এবং এমভি আসা-যাওয়া-৫ নামের দুটি লঞ্চ ঘাটে ছিল। এমভি জাকের-৩ লঞ্চে ট্রলার দিয়ে যাত্রী তোলার সময় এমভি আসা-যাওয়া-৫ লঞ্চ পেছানোর সময় একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার দুই লঞ্চের মাঝখানে পড়ে যায়। এতে ট্রলারটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ট্রলারে সাত-আটজন যাত্রী ছিলেন। দুই লঞ্চের চাপায় একজন যাত্রীর পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং আরেকজন পিষ্ট হয়ে পানিতে পড়ে যান। পরে ট্রলারটি লঞ্চের নিচ থেকে বের হলেও কোনো যাত্রীকে দেখা যায়নি।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেখা দেখে গর্ব হয় বলে জানিয়েছেন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তাঁর মতে, দুই দেশের যৌথ উদ্যোগ ও বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাতকে আরও বড় পরিসরে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
১ মিনিট আগে
ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ এসএম সিরাজ উদ-দৌলাসহ ২ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে আদালত। এ মামলায় চার জনের যাবজ্জীবন এবং ১০ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
শেখ রবিউল আলম বলেন, ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত নিরাপদ সড়ক আইন করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি মহাসড়কের পাশে থাকা বাজার সরিয়ে নেওয়া, আঞ্চলিক সড়কের সংযোগস্থলে প্রয়োজনীয় ডাইভারশন এবং সড়কে মার্কিংয়ের মতো বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশের প্রথম বহুখাতভিত্তিক ও ‘সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ’ভিত্তিক এ প্রকল্পটি যৌথভাবে বাস্তবায়ন করছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
২ ঘণ্টা আগে