
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডকে ন্যায়বিচার নিশ্চিতের পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
তিনি বলেন, আদালতের এই রায় মানে প্রতিশোধ নেওয়া নয়; সরকার সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চায়, সরকার এ রায়কে স্বাগত জানায়।
আজ মঙ্গলবার সরকারের চলমান কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
২০২৪ সালের জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন— আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম হোসেন ও শেখ ইনান।
ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে আদালতের মৃত্যুদণ্ডের আদেশের বিষয়ে সরকারের বক্তব্য জানতে চাইলে জাহেদ বলেন, ফাঁসির রায় দেখে আমরা ভীষণ খুশি হয়ে গেছি, বিষয়টি ওই রকম নয়। কারও ফাঁসির রায় দেখে ভীষণ খুশি হওয়ার চেয়ে সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছি কি না সেটা দেখা জরুরি।
অভিযুক্তরা দেশে থাকলে তাঁরা তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে আদালতে অবস্থান তুলে ধরতে পারতেন বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, ‘তারা যেহেতু ছিলেন না, থাকলে আরও ভালো হতো, তাঁরা এগুলো কনটেস্ট করতেন। সেটার ভিত্তিতে আমরা বিশ্বাস করি বা ধারণা করি যে, তাঁদের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া সম্ভব।’
তিনি জানান, এসব শাস্তিকে সরকার স্বাগত জানায়। তবে এর সঙ্গে প্রতিশোধস্পৃহার কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা আমাদের সমাজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই। আমরা মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্রে বলেছিলাম— আমরা সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই। সেটা নিশ্চিত হচ্ছে কি না, আমরা সেটা দেখতে চাই।
অবৈধ বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন: সারা দেশে অবৈধ সংযোগ নিয়ে ব্যাটারি চালিত অটো রিকশা রিচার্জের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা। জনস্বার্থেই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
উপদেষ্টা বলেন, গত ৩১ আগস্ট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দুই সপ্তাহে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলোর অধীনে ১১ হাজার ১৮৮টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময়ে ৬২৩টি অবৈধ বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে এবং জরিমানা হিসেবে আদায় করা হয়েছে ১ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার ৯১ টাকা।
একইভাবে ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানিও (ডেসকো) অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছে। ডেসকো ৩০টি অভিযান চালিয়ে ২১টি অবৈধ বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে। এ ঘটনায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ২৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিসহ (নেসকো) বিদ্যুৎ খাতের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও নিজ নিজ এলাকায় অবৈধ সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছে। সামগ্রিকভাবে ৩৭৪টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে, অবৈধ ১ হাজার ২৫৮টি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে এবং ৫৭টি মামলা করা হয়েছে।

প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশের নিরাপদ প্রজননের লক্ষ্যে আগামী ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারা দেশে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকবে। আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ বন্ধের...
৪১ মিনিট আগে
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, বাক্স্বাধীনতা চর্চার কারণে অন্তত ৫২টি হয়রানির ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় ৫৮ জনকে আটক করা হয়েছে, যাঁদের বেশির ভাগকেই সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আটক করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে সাতজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
২ ঘণ্টা আগে
টেকসই, সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অবকাঠামো উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
২ ঘণ্টা আগে