নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ঋণ নিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা পৃথক চার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাণিজ্যবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানকে।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোহাম্মদ ইব্রাহিম মিয়া গ্রেপ্তার দেখানোর এ নির্দেশ দেন।
সালমান এফ রহমানকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর তদন্ত কর্মকর্তাদের পৃথক পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন। পরে তাঁকে আবার কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়।
চলতি বছর সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে এসব মামলা করে দুদক। ভুয়া কোম্পানির নামে ৪৯৬ কোটি টাকা অবৈধ ঋণ নেওয়ার অভিযোগে একটি এবং প্রায় ৩৪ কোটি টাকা অর্থ আত্মসাৎ ও ৭৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে দুটি পৃথক মামলা করে দুদক। এ ছাড়া ভুয়া কোম্পানির নামে ৬১৮ কোটি টাকা ব্যাংকঋণ এবং নামমাত্র কোম্পানির নামে ১৪৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা ঋণ ও প্রায় ১১৩ কোটি ৪১ লাখ টাকা মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ এনে তাঁর বিরুদ্ধে আরও দুই মামলা করে সংস্থাটি। এর মধ্যে প্রথম চারটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় সালমানকে।
গত বছরের ১৩ আগস্ট গোপন তথ্যের ভিত্তিতে নৌপথে পলায়নরত অবস্থায় রাজধানীর সদরঘাট এলাকা থেকে সালমান এফ রহমানকে আটক করা হয়। এরপর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকেন্দ্রিক বিভিন্ন মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং দফায় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয়।

অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ঋণ নিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা পৃথক চার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাণিজ্যবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানকে।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোহাম্মদ ইব্রাহিম মিয়া গ্রেপ্তার দেখানোর এ নির্দেশ দেন।
সালমান এফ রহমানকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর তদন্ত কর্মকর্তাদের পৃথক পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন। পরে তাঁকে আবার কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়।
চলতি বছর সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে এসব মামলা করে দুদক। ভুয়া কোম্পানির নামে ৪৯৬ কোটি টাকা অবৈধ ঋণ নেওয়ার অভিযোগে একটি এবং প্রায় ৩৪ কোটি টাকা অর্থ আত্মসাৎ ও ৭৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে দুটি পৃথক মামলা করে দুদক। এ ছাড়া ভুয়া কোম্পানির নামে ৬১৮ কোটি টাকা ব্যাংকঋণ এবং নামমাত্র কোম্পানির নামে ১৪৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা ঋণ ও প্রায় ১১৩ কোটি ৪১ লাখ টাকা মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ এনে তাঁর বিরুদ্ধে আরও দুই মামলা করে সংস্থাটি। এর মধ্যে প্রথম চারটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় সালমানকে।
গত বছরের ১৩ আগস্ট গোপন তথ্যের ভিত্তিতে নৌপথে পলায়নরত অবস্থায় রাজধানীর সদরঘাট এলাকা থেকে সালমান এফ রহমানকে আটক করা হয়। এরপর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকেন্দ্রিক বিভিন্ন মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং দফায় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয়।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহকারী একান্ত সচিব-২ গাজী হাফিজুর রহমান লিকুর স্ত্রী রহিমা আক্তারের নামে থাকা একটি ১০ তলা ভবন ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ গজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই নির্দেশ দেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দুদক জানিয়েছে, সাতজন নিম্ন আয়ের মানুষের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে কাগুজে প্রতিষ্ঠান খুলে মোট ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে একটি চক্র। সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও রুকমিলা জামান ক্ষমতার অপব্যবহার করে এসব ঋণ জালিয়াতিতে সহায়তা করেন। এ ঘটনায় সাইফুজ্জামানের ভাই ও ইউসিবির সাবেক পরিচালক আনিসুজ্জামান
৪ ঘণ্টা আগে
বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনী পরিবেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য কমিশন থেকে সমন্বয় সেল, ভিজিল্যান্স টিম, মনিটরিং টিমসহ রিটার্নিং কর্মকর্তার সমন্বয়ে অনেকগুলো কমিটি রয়েছে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারসহ নানা ধরনের নির্দেশনা আগের আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক সভায় দেওয়া হয়েছিল।
৫ ঘণ্টা আগে
সিআইডির অনুসন্ধান অনুযায়ী, চক্রটি ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, গুলশান শাখার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা করে নিয়মিত চাঁদা আদায় করত। অভিযোগসংশ্লিষ্ট মো. কামরুজ্জামান ২০১৫ সালে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে যোগদান করেন।
৫ ঘণ্টা আগে