নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাঙামাটিতে ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে দণ্ডিত শিক্ষক আব্দুর রহিমের জামিন হওয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে প্রগতিশীল কয়েকটি নারী সংগঠন। আজ মঙ্গলবার নারী সংগঠনগুলো এক যৌথ বিবৃতিতে এই ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে।
যৌথ বিবৃতি স্বাক্ষর দেওয়া সংগঠন ও নেত্রীরা হলেন সিপিবি নারী সেলের কেন্দ্রীয় নেতা লুনা নূর, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের সভাপতি শম্পা বসু, শ্রমজীবী নারী মৈত্রীর সভাপতি বহ্নিশিখা জামালী, নারী সংহতির সাধারণ সম্পাদক অপরাজিতা চন্দ, বিপ্লবী নারী ফোরামের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আমিনা আক্তার, বাংলাদেশ নারী মুক্তি কেন্দ্রের সভাপতি সীমা দত্ত এবং হিল উইমেন্স ফেডারেশনের সভাপতি নীতি চাকমা।
যৌথ বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রতিনিয়ত নারীর ওপর যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। এসবের মধ্য অনেক ঘটনা ধামাচাপা পড়ে। তবে ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাঙামাটির লংগদু উপজেলার করল্যাছড়ি উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিমের এক ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা সারা দেশে নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় তোলে।
গণরোষের মুখে প্রশাসন ধর্ষক আব্দুর রহিমকে গ্রেপ্তার করে। ধর্ষণের দায়ে ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে নিম্ন আদালতে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন তিনি। এ রায় উচ্চ আদালতের প্রতি পার্বত্যবাসীর মনে আস্থা ফিরিয়ে আনে। কিছুটা হলেও ন্যায়বিচার হয়েছে ধরে নিয়ে তারা স্বস্তি বোধ করে।
কিন্তু চলতি মাসে ধর্ষক আব্দুর রহিম মিথ্যা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ধর্ষণের শিকার মেয়েকে বিয়ে করা এবং এক একর জমি লিখে দেওয়ার শর্তে হাইকোর্ট থেকে জামিন পান। এই জামিন দেওয়ার মাধ্যমে একদিকে উচ্চ আদালতকে বিতর্কিত করা হয়েছে। অন্যদিকে আক্রান্ত নারীর প্রতি চরম অবিচার, তাকে লাঞ্ছিত ও হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে।
নেত্রীবৃন্দ অবিলম্বে ধর্ষক আব্দুর রহিমকে জালিয়াতি ও ভুয়া কাগজপত্র দেখিয়ে মিথ্যার আশ্রয় নেওয়ার অপরাধে গ্রেপ্তার এবং জালিয়াতি আইনে বিচার ও সাজা প্রদানসহ পূর্বের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখার দাবি জানান।

রাঙামাটিতে ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে দণ্ডিত শিক্ষক আব্দুর রহিমের জামিন হওয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে প্রগতিশীল কয়েকটি নারী সংগঠন। আজ মঙ্গলবার নারী সংগঠনগুলো এক যৌথ বিবৃতিতে এই ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে।
যৌথ বিবৃতি স্বাক্ষর দেওয়া সংগঠন ও নেত্রীরা হলেন সিপিবি নারী সেলের কেন্দ্রীয় নেতা লুনা নূর, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের সভাপতি শম্পা বসু, শ্রমজীবী নারী মৈত্রীর সভাপতি বহ্নিশিখা জামালী, নারী সংহতির সাধারণ সম্পাদক অপরাজিতা চন্দ, বিপ্লবী নারী ফোরামের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আমিনা আক্তার, বাংলাদেশ নারী মুক্তি কেন্দ্রের সভাপতি সীমা দত্ত এবং হিল উইমেন্স ফেডারেশনের সভাপতি নীতি চাকমা।
যৌথ বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রতিনিয়ত নারীর ওপর যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। এসবের মধ্য অনেক ঘটনা ধামাচাপা পড়ে। তবে ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাঙামাটির লংগদু উপজেলার করল্যাছড়ি উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিমের এক ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা সারা দেশে নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় তোলে।
গণরোষের মুখে প্রশাসন ধর্ষক আব্দুর রহিমকে গ্রেপ্তার করে। ধর্ষণের দায়ে ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে নিম্ন আদালতে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন তিনি। এ রায় উচ্চ আদালতের প্রতি পার্বত্যবাসীর মনে আস্থা ফিরিয়ে আনে। কিছুটা হলেও ন্যায়বিচার হয়েছে ধরে নিয়ে তারা স্বস্তি বোধ করে।
কিন্তু চলতি মাসে ধর্ষক আব্দুর রহিম মিথ্যা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ধর্ষণের শিকার মেয়েকে বিয়ে করা এবং এক একর জমি লিখে দেওয়ার শর্তে হাইকোর্ট থেকে জামিন পান। এই জামিন দেওয়ার মাধ্যমে একদিকে উচ্চ আদালতকে বিতর্কিত করা হয়েছে। অন্যদিকে আক্রান্ত নারীর প্রতি চরম অবিচার, তাকে লাঞ্ছিত ও হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে।
নেত্রীবৃন্দ অবিলম্বে ধর্ষক আব্দুর রহিমকে জালিয়াতি ও ভুয়া কাগজপত্র দেখিয়ে মিথ্যার আশ্রয় নেওয়ার অপরাধে গ্রেপ্তার এবং জালিয়াতি আইনে বিচার ও সাজা প্রদানসহ পূর্বের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখার দাবি জানান।

দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রমের জট কমাতে এবং গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধান দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ১৫টি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব টাস্কফোর্সের মাধ্যমে কমিশনের চলমান অনুসন্ধান কার্যক্রমে গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে অপপ্রচার ও ভুয়া তথ্য ঠেকাতে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর। আজ মঙ্গলবার জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্কের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ফোনালাপে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে গানম্যান (অস্ত্রধারী দেহরক্ষী) পাচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে তাঁর বাসভবনের নিরাপত্তায় পুলিশ মোতায়েন করা হবে।
৪ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ১ মাস থেকে ১৭ বছর বয়সী মোট ১০০৮ জন শিশু নিহত হয়েছে। সড়ক ও সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং ট্রাফিক আইন বিষয়ে সচেতনতার অভাবকে এই মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
৫ ঘণ্টা আগে