নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

‘জুলাই অভ্যুত্থানে বাংলাদেশের ইতিহাসের নিকৃষ্টতম এক ফ্যাসিস্ট শাসকের পতন হয়েছে। আমি এই ফ্যাসিস্ট শাসনের উত্থান, বিকাশ ও পতন প্রত্যক্ষ করেছি। বিগত ১৭ বছর ধরে আমি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এই ইতিহাস লিপিবদ্ধ করেছি। এই ফ্যাসিবাদের সৃষ্টি একটি মেটিকুলাস প্ল্যানিংয়ের মাধ্যমে হয়েছিল। সেই প্ল্যানিংয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের সঙ্গে একটি বিদেশি শক্তি জড়িত ছিল।’
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় জুলাই-আগস্টে সারা দেশে চালানো হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।
আজ সোমবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই সাক্ষ্য নেওয়া হয়। এ নিয়ে এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন মোট ৪৬ জন। তবে তাঁর জবানবন্দি শেষ না হওয়ায় আগামীকাল মঙ্গলবার পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়। আর চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, আর দু-একজনের সাক্ষ্য নিয়ে যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন করবেন তাঁরা।
মাহমুদুর রহমান ভারতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির বই থেকে উদ্ধৃত করে বলেন, সেনাপ্রধান জেনারেল মইন উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে দিল্লিতে ২০০৮ সালে চুক্তি হয়েছিল শেখ হাসিনাকে নির্বাচনে বিজয়ী করার বিষয়ে। তাতে সেনাপ্রধান তাঁর চাকরির নিশ্চয়তা পাবেন, আর্থিকভাবে লাভবান হবেন এবং সেফ এক্সিট পাবেন। নির্বাচনের ১০ মাস আগেই নির্বাচনের ফলাফল দিল্লিতে নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল। শেখ হাসিনা ক্ষমতাসীন হওয়ার পর বুঝতে পেরেছিলেন যে, বাংলাদেশে ফ্যাসিস্ট শাসন কায়েম করতে হলে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে দুর্বল করা আবশ্যক। তাই ক্ষমতাসীন হওয়ার মাত্র দুই মাসের মধ্যে পরিকল্পিতভাবে বিডিআর হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল। শেখ হাসিনার সেনাবাহিনীর প্রতি একধরনের ঘৃণা ছিল। এ বিদ্বেষ বাকশালের পতনের সময় থেকে শুরু হয়েছিল। তিনি চেয়েছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেরুদণ্ড সম্পূর্ণরূপে ভেঙে যাক।
মাহমুদুর রহমান বলেন, সেনাবাহিনীকে নিয়ন্ত্রণে আনার পর ফ্যাসিস্ট শাসন দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য হাসিনার সরকার বিচার বিভাগ নিয়ন্ত্রণের দিকে মনোনিবেশ করে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করে এটিকে রাষ্ট্রযন্ত্রের নিপীড়নের হাতিয়ারে পরিণত করা হয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করা হয়েছিল আদালতকে ব্যবহার করে। সেনাবাহিনী ও বিচার বিভাগের ওপর আধিপত্য বিস্তার করার পর ফ্যাসিস্ট সরকার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমনের দিকে মনোনিবেশ করে। এ লক্ষ্যে তারা সর্বপ্রথম ইসলামি রাজনৈতিক দলগুলোকে টার্গেট করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী গণজাগরণ মঞ্চের নামে শাহবাগে মব কালচারের সৃষ্টি করা হয়। শাহবাগের উদ্যোক্তাদের ইসলামবিদ্বেষী চেহারা প্রকাশিত হয়ে পড়লে এর প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলামের উত্থান হয়।
মাহমুদুর রহমান আরও বলেন, ‘হাসিনা জনগণকে ভীতসন্ত্রস্ত করে ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য সব ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন। ২০১০ সালে প্রথমবার গ্রেপ্তার হওয়ার পর আমাকে আয়নাঘরে রাখা হয়েছিল। সেখানে চোখ বাঁধা অবস্থায় আমি পাশের সেলগুলোতে কয়েদিদের আর্তনাদ শুনতে পাচ্ছিলাম। ২০১৩ সালে দ্বিতীয় দফায় গ্রেপ্তার হলে আমাকে ডিবিতে রিমান্ডে নেওয়া হয়। সেখানে তৎকালীন ছাত্রশিবিরের সভাপতি দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়। তখন তার ওপর ভয়াবহ টর্চার দেখতে পেয়েছি। তাকে সন্ধ্যার পরে জিজ্ঞাসাবাদের নামে সেল থেকে নিয়ে যাওয়া হতো। মধ্যরাতে দুই-তিনজন পুলিশ তাকে বহন করে আবার গারদে ফিরিয়ে নিয়ে আসত। টেনে নিয়ে আসার পর সে শুধু যন্ত্রণায় কাতরাত। কথা বলতে পারত না, উঠে দাঁড়ানোর কোনো শক্তি থাকত না। দুই দিন পর ডিবি কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারে যে, আমার সঙ্গে তাকে রাখলে ভবিষ্যতে আমি তার ওপর নির্যাতনের কাহিনি প্রকাশ করব। সে জন্য তাকে আমার গারদ থেকে সরিয়ে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়। আমি ও দেলোয়ার হাসিনার ১৫ বছরের জুলুমের প্রত্যক্ষ উদাহরণ।’
মাহমুদুর রহমান আরও বলেন, ভিন্নমত ও বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের ওপর জুলুমকে বৈধতা দেওয়ার জন্য ফ্যাসিস্ট সরকার বাংলাদেশে ইসলামি জঙ্গিবাদের অপপ্রচার করে। জঙ্গি দমনের নামে তারা কিছুদিন পরপর বিভিন্ন নাটক তৈরি করেছে। এসব নাটকে প্রধানত গ্রামের দরিদ্র ও অসহায় জনগণের ওপর জুলুম চালানো হয়েছে। জঙ্গি সাজিয়ে ফেক এনকাউন্টারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ নাটকের মূল ভূমিকা পালন করেছিলেন পুলিশের মনিরুল ইসলাম ও আসাদুজ্জামান।

‘জুলাই অভ্যুত্থানে বাংলাদেশের ইতিহাসের নিকৃষ্টতম এক ফ্যাসিস্ট শাসকের পতন হয়েছে। আমি এই ফ্যাসিস্ট শাসনের উত্থান, বিকাশ ও পতন প্রত্যক্ষ করেছি। বিগত ১৭ বছর ধরে আমি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এই ইতিহাস লিপিবদ্ধ করেছি। এই ফ্যাসিবাদের সৃষ্টি একটি মেটিকুলাস প্ল্যানিংয়ের মাধ্যমে হয়েছিল। সেই প্ল্যানিংয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের সঙ্গে একটি বিদেশি শক্তি জড়িত ছিল।’
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় জুলাই-আগস্টে সারা দেশে চালানো হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।
আজ সোমবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই সাক্ষ্য নেওয়া হয়। এ নিয়ে এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন মোট ৪৬ জন। তবে তাঁর জবানবন্দি শেষ না হওয়ায় আগামীকাল মঙ্গলবার পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়। আর চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, আর দু-একজনের সাক্ষ্য নিয়ে যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন করবেন তাঁরা।
মাহমুদুর রহমান ভারতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির বই থেকে উদ্ধৃত করে বলেন, সেনাপ্রধান জেনারেল মইন উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে দিল্লিতে ২০০৮ সালে চুক্তি হয়েছিল শেখ হাসিনাকে নির্বাচনে বিজয়ী করার বিষয়ে। তাতে সেনাপ্রধান তাঁর চাকরির নিশ্চয়তা পাবেন, আর্থিকভাবে লাভবান হবেন এবং সেফ এক্সিট পাবেন। নির্বাচনের ১০ মাস আগেই নির্বাচনের ফলাফল দিল্লিতে নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল। শেখ হাসিনা ক্ষমতাসীন হওয়ার পর বুঝতে পেরেছিলেন যে, বাংলাদেশে ফ্যাসিস্ট শাসন কায়েম করতে হলে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে দুর্বল করা আবশ্যক। তাই ক্ষমতাসীন হওয়ার মাত্র দুই মাসের মধ্যে পরিকল্পিতভাবে বিডিআর হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল। শেখ হাসিনার সেনাবাহিনীর প্রতি একধরনের ঘৃণা ছিল। এ বিদ্বেষ বাকশালের পতনের সময় থেকে শুরু হয়েছিল। তিনি চেয়েছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেরুদণ্ড সম্পূর্ণরূপে ভেঙে যাক।
মাহমুদুর রহমান বলেন, সেনাবাহিনীকে নিয়ন্ত্রণে আনার পর ফ্যাসিস্ট শাসন দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য হাসিনার সরকার বিচার বিভাগ নিয়ন্ত্রণের দিকে মনোনিবেশ করে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করে এটিকে রাষ্ট্রযন্ত্রের নিপীড়নের হাতিয়ারে পরিণত করা হয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করা হয়েছিল আদালতকে ব্যবহার করে। সেনাবাহিনী ও বিচার বিভাগের ওপর আধিপত্য বিস্তার করার পর ফ্যাসিস্ট সরকার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমনের দিকে মনোনিবেশ করে। এ লক্ষ্যে তারা সর্বপ্রথম ইসলামি রাজনৈতিক দলগুলোকে টার্গেট করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী গণজাগরণ মঞ্চের নামে শাহবাগে মব কালচারের সৃষ্টি করা হয়। শাহবাগের উদ্যোক্তাদের ইসলামবিদ্বেষী চেহারা প্রকাশিত হয়ে পড়লে এর প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলামের উত্থান হয়।
মাহমুদুর রহমান আরও বলেন, ‘হাসিনা জনগণকে ভীতসন্ত্রস্ত করে ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য সব ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন। ২০১০ সালে প্রথমবার গ্রেপ্তার হওয়ার পর আমাকে আয়নাঘরে রাখা হয়েছিল। সেখানে চোখ বাঁধা অবস্থায় আমি পাশের সেলগুলোতে কয়েদিদের আর্তনাদ শুনতে পাচ্ছিলাম। ২০১৩ সালে দ্বিতীয় দফায় গ্রেপ্তার হলে আমাকে ডিবিতে রিমান্ডে নেওয়া হয়। সেখানে তৎকালীন ছাত্রশিবিরের সভাপতি দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়। তখন তার ওপর ভয়াবহ টর্চার দেখতে পেয়েছি। তাকে সন্ধ্যার পরে জিজ্ঞাসাবাদের নামে সেল থেকে নিয়ে যাওয়া হতো। মধ্যরাতে দুই-তিনজন পুলিশ তাকে বহন করে আবার গারদে ফিরিয়ে নিয়ে আসত। টেনে নিয়ে আসার পর সে শুধু যন্ত্রণায় কাতরাত। কথা বলতে পারত না, উঠে দাঁড়ানোর কোনো শক্তি থাকত না। দুই দিন পর ডিবি কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারে যে, আমার সঙ্গে তাকে রাখলে ভবিষ্যতে আমি তার ওপর নির্যাতনের কাহিনি প্রকাশ করব। সে জন্য তাকে আমার গারদ থেকে সরিয়ে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়। আমি ও দেলোয়ার হাসিনার ১৫ বছরের জুলুমের প্রত্যক্ষ উদাহরণ।’
মাহমুদুর রহমান আরও বলেন, ভিন্নমত ও বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের ওপর জুলুমকে বৈধতা দেওয়ার জন্য ফ্যাসিস্ট সরকার বাংলাদেশে ইসলামি জঙ্গিবাদের অপপ্রচার করে। জঙ্গি দমনের নামে তারা কিছুদিন পরপর বিভিন্ন নাটক তৈরি করেছে। এসব নাটকে প্রধানত গ্রামের দরিদ্র ও অসহায় জনগণের ওপর জুলুম চালানো হয়েছে। জঙ্গি সাজিয়ে ফেক এনকাউন্টারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ নাটকের মূল ভূমিকা পালন করেছিলেন পুলিশের মনিরুল ইসলাম ও আসাদুজ্জামান।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিল শুনানির শেষ দিন আগামীকাল রোববার। পাশাপাশি এদিন দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীরা জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত জানাবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
৬ মিনিট আগে
পর্যবেক্ষকদের উদ্দেশে ইনতা লাসে বলেন, ‘আপনারাই মাঠে থাকবেন। বাস্তবতা দেখবেন। প্রতিটি জেলায় পরিস্থিতি কীভাবে এগোচ্ছে, তা ঢাকায় আমাদের জানাবেন। আপনার মাঠপর্যায়ের মূল্যায়ন ও প্রতিবেদন আমরা গুরুত্বের সঙ্গে প্রত্যাশা করছি। দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকেরা আমাদের মিশনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাঁদের পর্যবেক্ষণ...
৪০ মিনিট আগে
জুলাইয়ের চেতনার নামে গরু কোরবানি দেওয়া, মধ্যরাতে অফিসে হামলা করা, আগুন দেওয়া নজিরবিহীন ঘটনা বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক হাসান হাফিজ। আজ শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের (কেআইবি) মিলনায়তনে গণমাধ্যম সম্মিলনে তিনি এ কথা বলেন।
১ ঘণ্টা আগে
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের প্রচারের সমালোচনার জবাব দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও সরকারের গণভোট প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেছেন, ‘এ সরকার রক্তের ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আপনি এটাকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার মনে করেন? যে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে।
৫ ঘণ্টা আগে