নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

২০২৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে ৭ হাজার ৩৫৯ জন। তাদের মধ্যে নারী ৯৬২ জন এবং শিশু ১ হাজার ৮ জন। এ সময় আহত হয়েছে আরও ১৬ হাজার ৪৭৬ জন। দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে মোটরসাইকেল আরোহীরা।
সড়ক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও দুর্ঘটনার কারণ নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা রোড সেফটি ফাউন্ডেশন আজ শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য প্রকাশ করে। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন হয়।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, ২০২৫ সালে দেশে ৭ হাজার ৫৮৪টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া একই বছর ১৩২টি নৌ দুর্ঘটনায় ১৪৯ জন নিহত, ১২৩ জন আহত এবং ৩৪ জন নিখোঁজ হয়। রেলপথে ৫১৯টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায় ৪৭৮ জন এবং আহত হয় ১৫২ জন। ২০২৪ সালে দেশে ৬ হাজার ৯২৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ২৯৪ জন নিহত এবং ১২ হাজার ১৯ জন আহত হয়। সেই হিসাবে পরের বছর দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা বেড়েছে।
সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ২৯টি; যা মোট দুর্ঘটনার ৩৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং মোট নিহতের ৩৬ দশমিক ২৯ শতাংশ। এসব দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ২ হাজার ৬৭২ জন। বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৮ থেকে ৬৫ বছর বয়সী কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৫ হাজার ৭২৩ জন সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন, যা মোট নিহতের প্রায় ৭৮ শতাংশ।
মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা বৃদ্ধির কারণ তুলে ধরে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ আই মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশে নিবন্ধিত মোটরযানের প্রায় ৭১ শতাংশই মোটরসাইকেল। এর চালকদের বড় অংশ কিশোর ও তরুণ। বেপরোয়া গাড়ি চালানোর কারণে তারা নিজেরা যেমন দুর্ঘটনায় পড়ছে, তেমনি অন্যদের জীবনও ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
সড়ক পরিবহন খাতে শৃঙ্খলার অভাব প্রসঙ্গে মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বলেন, বিআরটিএ, বিআরটিসি, ডিটিসিএ, পুলিশ, সিটি করপোরেশন, পৌরসভাসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি রয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা, কাঠামোগত সমস্যা ও জবাবদিহির অভাবের কারণে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরছে না। বছরের পর বছর বৈঠক, কর্মশালা ও কমিটি গঠনের মধ্যে উদ্যোগ সীমাবদ্ধ থাকছে।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশন সড়ক দুর্ঘটনার জন্য ১৩টি কারণ চিহ্নিত করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, অতিরিক্ত বোঝাই, চালকদের অদক্ষতা ও অসুস্থতা, নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা ও বেতনকাঠামোর অভাব, ত্রুটিপূর্ণ সড়ক অবকাঠামো, তরুণদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালনা, ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানা এবং বিআরটিএর সক্ষমতা ও জবাবদিহির ঘাটতি।

২০২৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে ৭ হাজার ৩৫৯ জন। তাদের মধ্যে নারী ৯৬২ জন এবং শিশু ১ হাজার ৮ জন। এ সময় আহত হয়েছে আরও ১৬ হাজার ৪৭৬ জন। দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে মোটরসাইকেল আরোহীরা।
সড়ক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও দুর্ঘটনার কারণ নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা রোড সেফটি ফাউন্ডেশন আজ শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য প্রকাশ করে। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন হয়।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, ২০২৫ সালে দেশে ৭ হাজার ৫৮৪টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া একই বছর ১৩২টি নৌ দুর্ঘটনায় ১৪৯ জন নিহত, ১২৩ জন আহত এবং ৩৪ জন নিখোঁজ হয়। রেলপথে ৫১৯টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায় ৪৭৮ জন এবং আহত হয় ১৫২ জন। ২০২৪ সালে দেশে ৬ হাজার ৯২৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ২৯৪ জন নিহত এবং ১২ হাজার ১৯ জন আহত হয়। সেই হিসাবে পরের বছর দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা বেড়েছে।
সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ২৯টি; যা মোট দুর্ঘটনার ৩৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং মোট নিহতের ৩৬ দশমিক ২৯ শতাংশ। এসব দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ২ হাজার ৬৭২ জন। বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৮ থেকে ৬৫ বছর বয়সী কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৫ হাজার ৭২৩ জন সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন, যা মোট নিহতের প্রায় ৭৮ শতাংশ।
মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা বৃদ্ধির কারণ তুলে ধরে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ আই মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশে নিবন্ধিত মোটরযানের প্রায় ৭১ শতাংশই মোটরসাইকেল। এর চালকদের বড় অংশ কিশোর ও তরুণ। বেপরোয়া গাড়ি চালানোর কারণে তারা নিজেরা যেমন দুর্ঘটনায় পড়ছে, তেমনি অন্যদের জীবনও ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
সড়ক পরিবহন খাতে শৃঙ্খলার অভাব প্রসঙ্গে মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বলেন, বিআরটিএ, বিআরটিসি, ডিটিসিএ, পুলিশ, সিটি করপোরেশন, পৌরসভাসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি রয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা, কাঠামোগত সমস্যা ও জবাবদিহির অভাবের কারণে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরছে না। বছরের পর বছর বৈঠক, কর্মশালা ও কমিটি গঠনের মধ্যে উদ্যোগ সীমাবদ্ধ থাকছে।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশন সড়ক দুর্ঘটনার জন্য ১৩টি কারণ চিহ্নিত করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, অতিরিক্ত বোঝাই, চালকদের অদক্ষতা ও অসুস্থতা, নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা ও বেতনকাঠামোর অভাব, ত্রুটিপূর্ণ সড়ক অবকাঠামো, তরুণদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালনা, ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানা এবং বিআরটিএর সক্ষমতা ও জবাবদিহির ঘাটতি।

‘ক্যারিয়ার রাজনীতিকদের’ অনেকটা কোণঠাসা করে জাতীয় সংসদে ব্যবসায়ীদের উপস্থিতি বেশ কিছুদিন ধরেই বেড়ে চলেছে। একাধিক চরম বিতর্কিত ভোটের পর হতে যাওয়া বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরও এ চিত্র বহাল থাকতে পারে। কারণ এবারের প্রার্থী তালিকায়ও পেশাজীবীদের মধ্যে ব্যবসায়ীদের জয়জয়কার।
৯ ঘণ্টা আগে
ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘বিনিয়োগ না বাড়লে বৈষম্য ও অস্থিরতা বাড়বে। সমাজে যদি ন্যায়সংগত সুযোগ না থাকে, তাহলে একদিকে বৈষম্য তৈরি হয়, অন্যদিকে অস্থিরতা দেখা দেয়। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে যে আন্দোলন হয়, তার পেছনেও এই বাস্তবতা কাজ করেছে। বাজারে চাকরি নেই, সরকারি চাকরিই একমাত্র ভরসা, সেখানেও কোটা-সংকট।
১৬ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর মুক্তির দাবিতে মার্কিন দূতাবাস অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বামপন্থী দলগুলোর জোট গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট। তবে শাহজাদপুরেই ব্যারিকেড দিয়ে মিছিলে বাধা দিয়েছে পুলিশ।
১৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনায় বাংলাদেশের ‘বড় সাফল্য’ অর্জন করেছে বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। বর্তমানে ওয়াশিংটন ডিসি সফরে থাকা জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন।
১৮ ঘণ্টা আগে