
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর রামপুরায় চালানো হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযোগ আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে এই মামলার আসামি পলাতক চার পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। ১৭ আগস্টের মধ্যে তাঁদের গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ রোববার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এসব আদেশ দেন।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া চার পুলিশ কর্মকর্তা হলেন ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, ডিএমপির খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমান ও রামপুরা থানার সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া।
এ ছাড়া গ্রেপ্তার থাকা রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ওই দিন হাজির করতে বলা হয়েছে।
গত ৩১ জুলাই এ মামলার প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। যাচাই-বাছাই শেষে গত বৃহস্পতিবার তা আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রাইব্যুনালে দাখিল করে প্রসিকিউশন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রামপুরায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা একজনকে গুলি, আরেকজনকে গুলি করে হত্যা এবং একটি শিশুকে গুলি করলে তা তার মাথার এক পাশে লেগে অন্য পাশ দিয়ে বের হয়ে তার দাদির মৃত্যু—মামলার প্রতিবেদনে আসামিদের বিরুদ্ধে এই তিন ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়।

আজ মঙ্গলবার মানবাধিকার সংগঠন ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। সেই সঙ্গে হামের প্রাদুর্ভাবে মারা যাওয়া শিশুদের পরিবারকে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা-ও জানতে চাওয়া...
১৪ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে ফেরত নেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির আদেশে এ-সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ।
১৪ ঘণ্টা আগে
২০ জুলাই রাতে হাসপাতাল থেকে কিছু লোক তাঁকে জোর করে বের করে দেন। কারণ, সেদিন আওয়ামী লীগের লোকজন হাসপাতালের চিকিৎসকদের হুমকি দিয়েছিলেন, ‘তাদের গুলি করা হয়েছে, মরেনি; ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেলুন।’ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসাসংক্রান্ত কোনো কাগজপত্রও তাঁকে দেওয়া হয়নি...
১৪ ঘণ্টা আগে
পরিবেশ ও নগর ব্যবস্থাপনা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। খাল-বিল ও নদীদূষণ বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। এ জন্য বাড়ির মালিকদের সেপটিক ট্যাংক নির্মাণ বাধ্যতামূলক করার বিষয়ে সরকার কাজ করছে। পরিবেশ ও জলবায়ুসংকট মোকাবিলায় সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে