নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা নেতিবাচক থাকে, বারবার এমন অভিযোগ শুনেছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, ‘আমরা অনেক জায়গায় শুনেছি, বারবার এই অভিযোগটা শুনেছি, নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা থাকে নেতিবাচক। স্থানীয়ভাবে পুলিশকে পক্ষে নেওয়ার চেষ্টা হয়ে থাকে। কারণ, পুলিশের হাতে অস্ত্র থাকে, শক্তি থাকে, ইউনিফর্ম থাকে। সেই দিকটাও আমরা দেখব। আমি পুলিশকে দোষারোপ করছি না। আমি পুলিশের কাছে যাচ্ছি, আমার পক্ষে আসার জন্য। তারা কনভিনস (সন্তুষ্ট) হয়ে আমার পক্ষে চলে এসেছে। এই বিষয়টা কিন্তু আমাদের সকলে মিলে নিউট্রলাইস করতে হবে।’
আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সিইসি এসব কথা বলেন।
সিইসি বলেন, ‘নির্বাচনে পুলিশ প্রশাসন, সরকার সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। সরকারের সদিচ্ছা অতিশয় গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, নির্বাচনে রাজনৈতিক সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকবে অনেকটা। দীর্ঘদিনের আমলাতান্ত্রিক সরকার অর্থাৎ ডিসি, এসপি, পুলিশ। এ ছাড়া নির্বাচনে মিডিয়ার একটা ভূমিকা থাকবে। অনিয়ম যদি হয়, দৃশ্যমানভাবে তা যদি ফুটিয়ে তোলা যায়, তাহলে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক হতে পারে।’
সিইসি বলেন, ‘আমাদের দায়িত্ব যত দূর সম্ভব আমাদের সাধ্য অনুযায়ী প্রতিপালন করার চেষ্টা করব। নির্বাচন কমিশনের ওপর একটা বড় দায়িত্ব আছে। রাজনৈতিক দল ও দলের নেতা-কর্মীদেরও দায়িত্ব রয়েছে সার্বিকভাবে নির্বাচনের জন্য একটা অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে দেওয়া। খুব প্রতিকূল পরিবেশ যদি বিরাজ করে তাহলে আমাদের জন্য অনেকটা কষ্টসাধ্য হয়ে যাবে। কিন্তু আমাদের অবস্থান থেকে বলেছি, আমরা চেষ্টা করব দক্ষতার সঙ্গে, সততার সঙ্গে সাহসিকতার সঙ্গে আমাদের দায়িত্ব পালন করতে।’
জাতীয় নির্বাচনে কাদের সিদ্দিকীর দল অংশ নেবে জানিয়ে কাজী হাবিবুল আউয়াল আরও বলেন, ‘কাদের সিদ্দিকী সাহেব বলেছেন, বাসাইল নির্বাচন সুষ্ঠু হলে জাতীয় নির্বাচনে তাঁর দল অংশ নেবে। আমরা সব সময় একটা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের কথা বলেছি। আমরা সব দলের প্রতি আহ্বান জানাব, আপনারা আসুন নির্বাচনে অংশ নিয়ে নির্বাচনকে উৎসবমুখর করুন। আমাদের দায়িত্ব হলো, দলের দিকে তাকানো নয়, ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছেন কি না সেই চেষ্টা আমরা করব। নির্বাচনকালীন রাজনৈতিক বা আমলাতান্ত্রিক সরকারের ওপর নিয়ন্ত্রণ আইন অনুসারে প্রয়োগ করার চেষ্টা করব।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘আমরা এ পর্যন্ত যে নির্বাচনগুলো করেছি। মোটামুটি সবগুলো নির্বাচন সুশৃঙ্খলভাবে হয়েছে। তুলনামূলক ভালো হয়েছে। এই ক্ষেত্রে আমরা সরকারের পুলিশ ও প্রশাসনের আন্তরিক সহযোগিতা পেয়েছি। কখনো তাদের তরফ থেকে অসহযোগিতা পাইনি। আশা করি, নিরবচ্ছিন্নভাবে আগামী জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে যাবেন। যাতে জনগণের আস্থা, সম্মানবোধ আপনাদের (পুলিশ ও প্রশাসন) ওপর, আমাদের ওপর, সরকার ওপরও প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।’

নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা নেতিবাচক থাকে, বারবার এমন অভিযোগ শুনেছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, ‘আমরা অনেক জায়গায় শুনেছি, বারবার এই অভিযোগটা শুনেছি, নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা থাকে নেতিবাচক। স্থানীয়ভাবে পুলিশকে পক্ষে নেওয়ার চেষ্টা হয়ে থাকে। কারণ, পুলিশের হাতে অস্ত্র থাকে, শক্তি থাকে, ইউনিফর্ম থাকে। সেই দিকটাও আমরা দেখব। আমি পুলিশকে দোষারোপ করছি না। আমি পুলিশের কাছে যাচ্ছি, আমার পক্ষে আসার জন্য। তারা কনভিনস (সন্তুষ্ট) হয়ে আমার পক্ষে চলে এসেছে। এই বিষয়টা কিন্তু আমাদের সকলে মিলে নিউট্রলাইস করতে হবে।’
আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সিইসি এসব কথা বলেন।
সিইসি বলেন, ‘নির্বাচনে পুলিশ প্রশাসন, সরকার সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। সরকারের সদিচ্ছা অতিশয় গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, নির্বাচনে রাজনৈতিক সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকবে অনেকটা। দীর্ঘদিনের আমলাতান্ত্রিক সরকার অর্থাৎ ডিসি, এসপি, পুলিশ। এ ছাড়া নির্বাচনে মিডিয়ার একটা ভূমিকা থাকবে। অনিয়ম যদি হয়, দৃশ্যমানভাবে তা যদি ফুটিয়ে তোলা যায়, তাহলে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক হতে পারে।’
সিইসি বলেন, ‘আমাদের দায়িত্ব যত দূর সম্ভব আমাদের সাধ্য অনুযায়ী প্রতিপালন করার চেষ্টা করব। নির্বাচন কমিশনের ওপর একটা বড় দায়িত্ব আছে। রাজনৈতিক দল ও দলের নেতা-কর্মীদেরও দায়িত্ব রয়েছে সার্বিকভাবে নির্বাচনের জন্য একটা অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে দেওয়া। খুব প্রতিকূল পরিবেশ যদি বিরাজ করে তাহলে আমাদের জন্য অনেকটা কষ্টসাধ্য হয়ে যাবে। কিন্তু আমাদের অবস্থান থেকে বলেছি, আমরা চেষ্টা করব দক্ষতার সঙ্গে, সততার সঙ্গে সাহসিকতার সঙ্গে আমাদের দায়িত্ব পালন করতে।’
জাতীয় নির্বাচনে কাদের সিদ্দিকীর দল অংশ নেবে জানিয়ে কাজী হাবিবুল আউয়াল আরও বলেন, ‘কাদের সিদ্দিকী সাহেব বলেছেন, বাসাইল নির্বাচন সুষ্ঠু হলে জাতীয় নির্বাচনে তাঁর দল অংশ নেবে। আমরা সব সময় একটা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের কথা বলেছি। আমরা সব দলের প্রতি আহ্বান জানাব, আপনারা আসুন নির্বাচনে অংশ নিয়ে নির্বাচনকে উৎসবমুখর করুন। আমাদের দায়িত্ব হলো, দলের দিকে তাকানো নয়, ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছেন কি না সেই চেষ্টা আমরা করব। নির্বাচনকালীন রাজনৈতিক বা আমলাতান্ত্রিক সরকারের ওপর নিয়ন্ত্রণ আইন অনুসারে প্রয়োগ করার চেষ্টা করব।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘আমরা এ পর্যন্ত যে নির্বাচনগুলো করেছি। মোটামুটি সবগুলো নির্বাচন সুশৃঙ্খলভাবে হয়েছে। তুলনামূলক ভালো হয়েছে। এই ক্ষেত্রে আমরা সরকারের পুলিশ ও প্রশাসনের আন্তরিক সহযোগিতা পেয়েছি। কখনো তাদের তরফ থেকে অসহযোগিতা পাইনি। আশা করি, নিরবচ্ছিন্নভাবে আগামী জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে যাবেন। যাতে জনগণের আস্থা, সম্মানবোধ আপনাদের (পুলিশ ও প্রশাসন) ওপর, আমাদের ওপর, সরকার ওপরও প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।’

নিরাপত্তার বিবেচনায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪২ হাজার ৭৬১টি।
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর আগে গত জুলাইয়ে কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছিল কমিশন। আগের ঘোষিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী অনেক কাজ যথাসময়ে শেষ করতে পারেনি ইসি। এর মধ্যে রাজনৈতিক দল নিবন্ধন ও সংসদীয় আসনের সীমানা বিন্যাস ছিল অন্যতম।
৬ ঘণ্টা আগে
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় নারায়ণগঞ্জে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক এমপি শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। সে সঙ্গে তাঁরা পলাতক থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জুলাই জাতীয় সনদের প্রশ্নে গণভোট। সেখানে দেশবাসীকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে বৈষম্য, শোষণ আর নিপীড়ন...
৮ ঘণ্টা আগে