আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর জন্য কাজের সুযোগ তৈরি করতে ‘গ্র্যাজুয়েট পাস’ চালু করা হচ্ছে—এমন একটি খবর কিছু সংবাদমাধ্যমে এসেছে। তবে এ তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন দেশটির উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জামব্রি আব্দুল কাদির। এ বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য এমন কোনো বিশেষ পাস ইস্যু করার বিষয়ে কোনো চুক্তি বা সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি।
মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম দ্য স্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি কেদাহ রাজ্যের শিল্প ও বিনিয়োগ, উচ্চশিক্ষা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবন কমিটির চেয়ারম্যান ড. হাইম হিলমান আবদুল্লাহ একটি টিকটক ভিডিওতে দাবি করেন, মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া হবে। তাঁর এই দাবির তীব্র সমালোচনা করে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জামব্রি আব্দুল কাদির বলেন, ‘একজন শিক্ষাবিদ হিসেবে তাঁর উচিত ছিল প্রকৃত, সঠিক এবং প্রমাণিত তথ্যের ভিত্তিতে বিবৃতি দেওয়া, কেবল অনুমানের ওপর ভিত্তি করে বা অসাবধানতাবশত তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া নয়।’
মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের একটি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা হয়েছে। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ‘গ্র্যাজুয়েট পাস’ বিবেচনা করতে তিনি সম্মত হয়েছেন, এমন অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য।
এই বিতর্কের সূত্রপাত হয় বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া সফরকে কেন্দ্র করে। এই সফরে তিনি কুয়ালালামপুরে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জামব্রি আব্দুল কাদিরসহ বেশ কয়েকজন মালয়েশীয় কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করেন। সফরের পর ১৩ আগস্ট ঢাকায় উপদেষ্টা আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের জানান, বৈঠকে ‘গ্র্যাজুয়েট প্লাস’ ভিসা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘নীতিগতভাবে মন্ত্রী মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য “গ্র্যাজুয়েট পাস ভিসা” ইস্যু করতে সম্মত হয়েছেন। তবে নীতিটি কার্যকর হওয়ার আগে উভয় পক্ষকে কিছু আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে।’
উল্লেখ্য, বর্তমানে মালয়েশিয়ায় প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছেন। এতদিন পর্যন্ত অন্যান্য দেশের শিক্ষার্থীরা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে প্রবেশ করতে পারলেও, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য সেই সুযোগ নেই। ফলে এই ‘গ্র্যাজুয়েট পাস’ নিয়ে তাদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। মন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর সেই প্রত্যাশায় অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর জন্য কাজের সুযোগ তৈরি করতে ‘গ্র্যাজুয়েট পাস’ চালু করা হচ্ছে—এমন একটি খবর কিছু সংবাদমাধ্যমে এসেছে। তবে এ তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন দেশটির উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জামব্রি আব্দুল কাদির। এ বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য এমন কোনো বিশেষ পাস ইস্যু করার বিষয়ে কোনো চুক্তি বা সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি।
মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম দ্য স্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি কেদাহ রাজ্যের শিল্প ও বিনিয়োগ, উচ্চশিক্ষা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবন কমিটির চেয়ারম্যান ড. হাইম হিলমান আবদুল্লাহ একটি টিকটক ভিডিওতে দাবি করেন, মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া হবে। তাঁর এই দাবির তীব্র সমালোচনা করে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জামব্রি আব্দুল কাদির বলেন, ‘একজন শিক্ষাবিদ হিসেবে তাঁর উচিত ছিল প্রকৃত, সঠিক এবং প্রমাণিত তথ্যের ভিত্তিতে বিবৃতি দেওয়া, কেবল অনুমানের ওপর ভিত্তি করে বা অসাবধানতাবশত তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া নয়।’
মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের একটি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা হয়েছে। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ‘গ্র্যাজুয়েট পাস’ বিবেচনা করতে তিনি সম্মত হয়েছেন, এমন অভিযোগ সম্পূর্ণ অসত্য।
এই বিতর্কের সূত্রপাত হয় বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া সফরকে কেন্দ্র করে। এই সফরে তিনি কুয়ালালামপুরে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জামব্রি আব্দুল কাদিরসহ বেশ কয়েকজন মালয়েশীয় কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করেন। সফরের পর ১৩ আগস্ট ঢাকায় উপদেষ্টা আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের জানান, বৈঠকে ‘গ্র্যাজুয়েট প্লাস’ ভিসা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘নীতিগতভাবে মন্ত্রী মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য “গ্র্যাজুয়েট পাস ভিসা” ইস্যু করতে সম্মত হয়েছেন। তবে নীতিটি কার্যকর হওয়ার আগে উভয় পক্ষকে কিছু আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে।’
উল্লেখ্য, বর্তমানে মালয়েশিয়ায় প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছেন। এতদিন পর্যন্ত অন্যান্য দেশের শিক্ষার্থীরা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে প্রবেশ করতে পারলেও, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য সেই সুযোগ নেই। ফলে এই ‘গ্র্যাজুয়েট পাস’ নিয়ে তাদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। মন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর সেই প্রত্যাশায় অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

একেএম ফজলুল হক বলেন, ‘আমার প্রতি বৈষম্য হয়েছে। বিএনপির অনেক প্রার্থীকে দ্বৈত নাগরিকত্বের কাগজপত্র জমা না করেও মনোনয়নপত্র বৈধ করেছে। রিটার্নিং অফিসারের মতো নির্বাচন কমিশনও আমার প্রার্থিতা দেয়নি। এখন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে আদালতে যাওয়ার ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’
২ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। সেই সঙ্গে এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্যের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে এসব কর্মসূচিতে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় এবং ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
৩ ঘণ্টা আগে
আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মুসলিম বিশ্বের ঐক্য সুসংহত করার লক্ষ্যে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) এক বিশেষ অধিবেশনে সোমালিয়ার পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ।
৫ ঘণ্টা আগে