নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

করোনা মহামারির কারণে গত দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ ছিল বাংলাদেশ-ভারত বাস চলাচল। আজ শুক্রবার সকাল থেকে দুই দেশের মধ্যে পুনরায় বাস সার্ভিস চালু হলো। প্রথম ট্রিপে বাংলাদেশ থেকে ২২ জন যাত্রী নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হয়েছে শ্যামলী এন আর পরিবহনের একটি বাস।
আজ সকালে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) মতিঝিল বাস ডিপো থেকে দুই দেশের মধ্যে আন্তর্জাতিক বাস সার্ভিস পুনরায় চালুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ নির্বাহী পরিচালক নীলিমা আক্তার ও বিআরটিসি চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম।
এই বাস চালুর বিষয়ে শ্যামলী এনআর ট্রাভেলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শুভংকর ঘোষ রাকেশ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে দীর্ঘ দুই বছর পর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পুনরায় আন্তর্জাতিক বাস সার্ভিস চালু হলো। দীর্ঘদিন পর বন্ধুপ্রতিম দুই প্রতিবেশী দেশের জনসাধারণের যাতায়াতে এবার সুবিধা হবে। সাধারণ মানুষও অপেক্ষায় ছিল কবে এই বাস সার্ভিস চালু হবে। এখন থেকে ঢাকা থেকে সরাসরি বাসে কলকাতায় যাওয়া যাবে। এই রুটের বাসের ভাড়া বাড়ানো হচ্ছে না, আগের নির্ধারিত ভাড়ায় যাত্রীরা অনায়াসে কলকাতা ভ্রমণ করতে পারবেন।’
রাকেশ আরও বলেন, করোনার আগে যে টাইম সিডিউল বাসগুলো চলত, সেই সিডিউল বাস চলাচল করছে। পর্যায়ক্রমে আমরা বাসের সংখ্যা বাড়াব। আজ দুটি রুটে ঢাকা-কলকাতা, ঢাকা-আগরতলা বাস চলাচল শুরু হলো। পর্যায়ক্রমে বাকি রুটগুলোতেও বাস পরিচালনা করা হবে।
এদিকে করোনার কারণে বাসেবা বন্ধ রাখার আগে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে মোট পাঁচটি রুটে বাস চলাচল করত। সেগুলো হচ্ছে ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা, ঢাকা-আগরতলা-ঢাকা, ঢাকা-সিলেট-শিলং-গুয়াহাটি-ঢাকা, আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা-আগরতলা ও ঢাকা-খুলনা-কলকাতা-ঢাকা।
উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বের সব দেশের নাগরিকদের ভিসা স্থগিত করেছিল ভারত সরকার। ফলে ২০২০ সালের ১৩ মার্চ রাত ১২টা থেকে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বাস সার্ভিস বন্ধ হয়ে যায়।

করোনা মহামারির কারণে গত দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ ছিল বাংলাদেশ-ভারত বাস চলাচল। আজ শুক্রবার সকাল থেকে দুই দেশের মধ্যে পুনরায় বাস সার্ভিস চালু হলো। প্রথম ট্রিপে বাংলাদেশ থেকে ২২ জন যাত্রী নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হয়েছে শ্যামলী এন আর পরিবহনের একটি বাস।
আজ সকালে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) মতিঝিল বাস ডিপো থেকে দুই দেশের মধ্যে আন্তর্জাতিক বাস সার্ভিস পুনরায় চালুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ নির্বাহী পরিচালক নীলিমা আক্তার ও বিআরটিসি চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম।
এই বাস চালুর বিষয়ে শ্যামলী এনআর ট্রাভেলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শুভংকর ঘোষ রাকেশ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে দীর্ঘ দুই বছর পর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পুনরায় আন্তর্জাতিক বাস সার্ভিস চালু হলো। দীর্ঘদিন পর বন্ধুপ্রতিম দুই প্রতিবেশী দেশের জনসাধারণের যাতায়াতে এবার সুবিধা হবে। সাধারণ মানুষও অপেক্ষায় ছিল কবে এই বাস সার্ভিস চালু হবে। এখন থেকে ঢাকা থেকে সরাসরি বাসে কলকাতায় যাওয়া যাবে। এই রুটের বাসের ভাড়া বাড়ানো হচ্ছে না, আগের নির্ধারিত ভাড়ায় যাত্রীরা অনায়াসে কলকাতা ভ্রমণ করতে পারবেন।’
রাকেশ আরও বলেন, করোনার আগে যে টাইম সিডিউল বাসগুলো চলত, সেই সিডিউল বাস চলাচল করছে। পর্যায়ক্রমে আমরা বাসের সংখ্যা বাড়াব। আজ দুটি রুটে ঢাকা-কলকাতা, ঢাকা-আগরতলা বাস চলাচল শুরু হলো। পর্যায়ক্রমে বাকি রুটগুলোতেও বাস পরিচালনা করা হবে।
এদিকে করোনার কারণে বাসেবা বন্ধ রাখার আগে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে মোট পাঁচটি রুটে বাস চলাচল করত। সেগুলো হচ্ছে ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা, ঢাকা-আগরতলা-ঢাকা, ঢাকা-সিলেট-শিলং-গুয়াহাটি-ঢাকা, আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা-আগরতলা ও ঢাকা-খুলনা-কলকাতা-ঢাকা।
উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বের সব দেশের নাগরিকদের ভিসা স্থগিত করেছিল ভারত সরকার। ফলে ২০২০ সালের ১৩ মার্চ রাত ১২টা থেকে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বাস সার্ভিস বন্ধ হয়ে যায়।

সাধারণ মানুষের কাছে কার্যত অজানা থাকলেও সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত হলে সড়ক পরিবহন আইনে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান রয়েছে। আইনে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের জন্য ৫ লাখ টাকা এবং আহত ব্যক্তির জন্য ৩ লাখ টাকা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
‘বিটিআরসির এনইআইআর সিস্টেমে আমার এনআইডির বিপরীতে ৫২টা ফোন নিবন্ধিত দেখাচ্ছে। এতগুলো ফোন কীভাবে আমার নামে নিবন্ধিত হয়! আমার ও পরিবারের সদস্যদের ধরলে মোট ৫-৭টা হতে পারে। তাই বলে ৫২টা?
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৪টি আসনে ৮৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে জামায়াতের এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ ও নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্নার মতো নেতারাও রয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
এনইআইআর চালুর পরে ‘ক্লোন ফোন’ নিয়ে ভয়াবহ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। শুধু একটি আইএমইআই নম্বরেই পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৯১ লাখ ২২ হাজার ৫৩৪টি স্মার্টফোন।আজ শুক্রবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এ তথ্য জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে