বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

পানিসংক্রান্ত অপরাধের জন্য সরকারি কর্মকর্তাকে তথ্য-উপাত্ত না দিলে বা কাউকে তাঁর সামনে হাজির হতে বাধা দিলে এবং মিথ্যা বা বিকৃত তথ্য দিলে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সেসবের বিচার করা হবে।
এমন নিয়ম রেখে মোবাইল কোর্ট আইনের তফসিলে বাংলাদেশ পানি আইনের ৩০ (২) ও ৩১ ধারা সংযোজন করে গতকাল সোমবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ।
অর্থাৎ, এখন থেকে বাংলাদেশ পানি আইনের ৩০ (২) ও ৩১ ধারার অপরাধের বিচার ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে করা হবে।
বাধা প্রদানের দণ্ডসংক্রান্ত বাংলাদেশ পানি আইনের ৩০ (২) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি উপধারা (১)-এ উল্লিখিত দায়িত্ব পালনরত কোনো কর্মকর্তার তলব অনুযায়ী তাঁর সামনে কোনো রেজিস্ট্রার, নথি বা দলিল-দস্তাবেজ উপস্থাপন করতে ইচ্ছাকৃতভাবে অস্বীকার করলে বা ব্যর্থ হলে অথবা উক্ত রূপ দায়িত্ব পালনরত কোনো কর্মকর্তার সম্মুখে কোনো ব্যক্তিকে হাজির হতে বা তার জবানবন্দি নিতে ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা প্রদান করলে বা বাধা প্রদানের চেষ্টা করলে, তিনি অনধিক তিন মাসের কারাদণ্ড অথবা অনধিক ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। ব্যাখ্যা: এই ধারায়, ‘বাধা’ অর্থে হুমকিও অন্তর্ভুক্ত হবে।
আর মিথ্যা তথ্য প্রদানের দণ্ডসংক্রান্ত ৩১ ধারায় বলা আছে, যদি কোনো ব্যক্তি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বা জ্ঞাতসারে কোনো মিথ্যা বা বিকৃত তথ্য প্রদান বা তথ্য গোপন করেন, তাহলে তিনি অনধিক এক বছরের কারাদণ্ড অথবা অনধিক ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

পানিসংক্রান্ত অপরাধের জন্য সরকারি কর্মকর্তাকে তথ্য-উপাত্ত না দিলে বা কাউকে তাঁর সামনে হাজির হতে বাধা দিলে এবং মিথ্যা বা বিকৃত তথ্য দিলে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সেসবের বিচার করা হবে।
এমন নিয়ম রেখে মোবাইল কোর্ট আইনের তফসিলে বাংলাদেশ পানি আইনের ৩০ (২) ও ৩১ ধারা সংযোজন করে গতকাল সোমবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ।
অর্থাৎ, এখন থেকে বাংলাদেশ পানি আইনের ৩০ (২) ও ৩১ ধারার অপরাধের বিচার ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে করা হবে।
বাধা প্রদানের দণ্ডসংক্রান্ত বাংলাদেশ পানি আইনের ৩০ (২) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি উপধারা (১)-এ উল্লিখিত দায়িত্ব পালনরত কোনো কর্মকর্তার তলব অনুযায়ী তাঁর সামনে কোনো রেজিস্ট্রার, নথি বা দলিল-দস্তাবেজ উপস্থাপন করতে ইচ্ছাকৃতভাবে অস্বীকার করলে বা ব্যর্থ হলে অথবা উক্ত রূপ দায়িত্ব পালনরত কোনো কর্মকর্তার সম্মুখে কোনো ব্যক্তিকে হাজির হতে বা তার জবানবন্দি নিতে ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা প্রদান করলে বা বাধা প্রদানের চেষ্টা করলে, তিনি অনধিক তিন মাসের কারাদণ্ড অথবা অনধিক ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। ব্যাখ্যা: এই ধারায়, ‘বাধা’ অর্থে হুমকিও অন্তর্ভুক্ত হবে।
আর মিথ্যা তথ্য প্রদানের দণ্ডসংক্রান্ত ৩১ ধারায় বলা আছে, যদি কোনো ব্যক্তি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বা জ্ঞাতসারে কোনো মিথ্যা বা বিকৃত তথ্য প্রদান বা তথ্য গোপন করেন, তাহলে তিনি অনধিক এক বছরের কারাদণ্ড অথবা অনধিক ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাওয়া প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। তাঁদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল করা যাবে।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেওয়া পর পোস্টাল ব্যালটে ছবি বা ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার না করতে অনুরোধ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ছবি বা ভিডিও শেয়ার করলে সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ভোটারের এনআইডি ব্লক করাসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছে ইসি।
৪ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ শনিবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ঢাকা জেলা প্রশাসক রেজাউল করিম এই ঘোষণা দেন। তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন তাসনিম জারা।
৯ ঘণ্টা আগে
সাধারণ মানুষের কাছে কার্যত অজানা থাকলেও সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত হলে সড়ক পরিবহন আইনে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান রয়েছে। আইনে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের জন্য ৫ লাখ টাকা এবং আহত ব্যক্তির জন্য ৩ লাখ টাকা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে