নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

গণফোরামের সংসদ সদস্য মোকাব্বির খান বলেছেন, ‘এখনো জাতীয় সংসদে দুর্নীতিবাজ, অর্থ পাচারকারী, লুটেরাদের জন্য ইনডেমনিটি আইন পাস হয়। এটা লজ্জার ব্যাপার। কিছু বিষয়কে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখা উচিত। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু, সংসদ, সংবিধান, জাতীয় পতাকা, জাতীয় সংবিধান এগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুললে চরম বেইমানি হবে।
আজ রোববার জাতীয় সংসদের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ১৪৭ বিধিতে উত্থাপন করা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। জাতীয় সংসদের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে গত শুক্রবার জাতীয় সংসদে স্মারক বক্তব্য দেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
মোকাব্বির খান বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণা ছিল ৭০-এর নির্বাচন। তখন পশ্চিম পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণে ছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু নির্বাচনে প্রাদেশিক পরিষদে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৮৮ টিতে জয় পেয়েছিল আওয়ামী লীগ। ওই নির্বাচন নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠেনি। ১৯৭৩ সালের নির্বাচন নিয়েও কেউ প্রশ্ন তোলেনি।’
১৯৭৫ সালের পর বৈধ-অবৈধ কোনো সরকারের আমলে নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ হয়নি দাবি করে মোকাব্বির খান বলেন, ‘কখনো সংবিধান কাটছাঁট, কখনো হ্যাঁ-না ভোট, কখনো ব্যালট বাক্স চুরি, কখনো ১ কোটি ৩০ লাখ ভুয়া ভোটার, কখনো আগের রাতে ভোট চুরি ইত্যাদি ইত্যাদি। এই অপবাদ থেকে বাদ পড়েননি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাও।’
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘একজন সংসদ সদস্য বলেছিলেন, একটা আইন প্রণয়নের আগে এই সংসদে আনা উচিত। তার পরে এটা মন্ত্রিসভায় যাওয়া উচিত। আমি এই সংসদ সদস্যকে বলতে চাই, সংবিধান অনুযায়ী সংসদই হচ্ছে একমাত্র প্রতিষ্ঠান, সেখানে আইন পাস হয়। এই সংসদে আইন পাস হওয়ার পরে আর কারও কোনো কর্তৃত্ব থাকে না।’
গত শনিবার সংসদে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, কোনো আইন মন্ত্রিসভা থেকে পাস হওয়ার পরে সংসদীয় কমিটিতে কিছু পরিবর্তন হয়। কিন্তু এটা পার্টি হুইপিং হিসাবে কাজ করে। মন্ত্রিসভা পাস করে দিয়েছে এখানে আর বেশি পরিবর্তন করা যাবে না। আইনগুলো মন্ত্রিসভায় পাঠানোর আগে কমিটিতে পাঠানো উচিত। তাহলে আইনে বেশি অংশ নেওয়া যাবে। সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিতে সংসদের কোনো বিকল্প নেই।

গণফোরামের সংসদ সদস্য মোকাব্বির খান বলেছেন, ‘এখনো জাতীয় সংসদে দুর্নীতিবাজ, অর্থ পাচারকারী, লুটেরাদের জন্য ইনডেমনিটি আইন পাস হয়। এটা লজ্জার ব্যাপার। কিছু বিষয়কে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখা উচিত। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু, সংসদ, সংবিধান, জাতীয় পতাকা, জাতীয় সংবিধান এগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুললে চরম বেইমানি হবে।
আজ রোববার জাতীয় সংসদের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ১৪৭ বিধিতে উত্থাপন করা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। জাতীয় সংসদের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে গত শুক্রবার জাতীয় সংসদে স্মারক বক্তব্য দেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
মোকাব্বির খান বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণা ছিল ৭০-এর নির্বাচন। তখন পশ্চিম পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণে ছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু নির্বাচনে প্রাদেশিক পরিষদে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৮৮ টিতে জয় পেয়েছিল আওয়ামী লীগ। ওই নির্বাচন নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠেনি। ১৯৭৩ সালের নির্বাচন নিয়েও কেউ প্রশ্ন তোলেনি।’
১৯৭৫ সালের পর বৈধ-অবৈধ কোনো সরকারের আমলে নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ হয়নি দাবি করে মোকাব্বির খান বলেন, ‘কখনো সংবিধান কাটছাঁট, কখনো হ্যাঁ-না ভোট, কখনো ব্যালট বাক্স চুরি, কখনো ১ কোটি ৩০ লাখ ভুয়া ভোটার, কখনো আগের রাতে ভোট চুরি ইত্যাদি ইত্যাদি। এই অপবাদ থেকে বাদ পড়েননি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাও।’
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘একজন সংসদ সদস্য বলেছিলেন, একটা আইন প্রণয়নের আগে এই সংসদে আনা উচিত। তার পরে এটা মন্ত্রিসভায় যাওয়া উচিত। আমি এই সংসদ সদস্যকে বলতে চাই, সংবিধান অনুযায়ী সংসদই হচ্ছে একমাত্র প্রতিষ্ঠান, সেখানে আইন পাস হয়। এই সংসদে আইন পাস হওয়ার পরে আর কারও কোনো কর্তৃত্ব থাকে না।’
গত শনিবার সংসদে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, কোনো আইন মন্ত্রিসভা থেকে পাস হওয়ার পরে সংসদীয় কমিটিতে কিছু পরিবর্তন হয়। কিন্তু এটা পার্টি হুইপিং হিসাবে কাজ করে। মন্ত্রিসভা পাস করে দিয়েছে এখানে আর বেশি পরিবর্তন করা যাবে না। আইনগুলো মন্ত্রিসভায় পাঠানোর আগে কমিটিতে পাঠানো উচিত। তাহলে আইনে বেশি অংশ নেওয়া যাবে। সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিতে সংসদের কোনো বিকল্প নেই।

২০১৪ সালে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার নির্বাচন ছিল ‘সম্পূর্ণ সাজানো ও সুপরিকল্পিত’। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে এ বন্দোবস্ত করা হয়েছিল বলে জাতীয় নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন ডাকাতি যেন আর কখনো না হয়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন তিনি। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশনের
২ ঘণ্টা আগে
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সাম্প্রতিক অধ্যাদেশগুলোতে তার প্রতিফলন নেই বলে অভিযোগ করেছে টিআইবি। দুর্নীতি–অনিয়মের বিরুদ্ধে নজরদারি করা আন্তর্জাতিক সংস্থাটির বাংলাদেশ শাখার পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, সংস্কারের আলোকে একের পর এক
২ ঘণ্টা আগে
জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলার কোনো আসামি যাতে জামিন, অব্যাহতি বা খালাস না পান, তা নিশ্চিত করাসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
৩ ঘণ্টা আগে