নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিশেষ আদেশে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন করে গণভোটের মাধ্যমে জনগণের সম্মতি নেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। গণভোটের বিষয়ের মধ্যে পুরো জুলাই সনদ না দিয়ে সংবিধান-সম্পর্কিত বিষয় থাকতে পারে। এ ছাড়া জাতীয় সংসদকে দ্বৈত ভূমিকা দেওয়ার প্রস্তাব করা হবে। এর আওতায় আগামী জাতীয় সংসদ নিয়মিত কাজের পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদের (গণপরিষদ) দায়িত্ব পালন করবে। এসব বিবেচনায় রেখে আজ রোববার আবারও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করবে কমিশন।
নানা অনিশ্চয়তা আর জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে গত শুক্রবার আলোচিত জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছে বিএনপি, জামায়াতসহ ২৪টি রাজনৈতিক দল ও জোট। সনদ বাস্তবায়নের আইনি ভিত্তি ও বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা না থাকায় স্বাক্ষর করেনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের তরুণ নেতাদের গঠন করা দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। অন্যদিকে সনদে স্বাধীনতার ঘোষণার অংশ বিলুপ্ত করাসহ আপত্তি তোলা বিষয় থাকার অভিযোগ করে স্বাক্ষর করেনি সিপিবি, বাংলাদেশ জাসদ, বাসদ, বাসদ-মার্ক্সবাদী বাম দলগুলো। তবে সনদে স্বাক্ষরে দলগুলোকে রাজি করাতে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে কমিশন। তাদের আশা, ৩১ অক্টোবরের মধ্যে দলগুলো স্বাক্ষর করবে। এর মধ্যে শুক্রবার রাত থেকেই এনসিপির সঙ্গে নানাভাবে যোগাযোগ করছে সরকার ও কমিশন।
গতকাল শনিবার জাতীয় সংসদে কমিশনের কার্যালয়ে বৈঠক করেন এর সদস্যরা। আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলও এতে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ জানিয়েছেন বৈঠকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতির প্রস্তাবের খসড়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বৈঠকে আমাদের হাতে থাকা প্রস্তাবের খসড়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি আগামীকাল (আজ রোববার) বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠকের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সেখানে খসড়ার আরেকটু বিস্তারিত করার বিষয়ে আলোচনা হবে।’
বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করে কমিশন ইতিমধ্যে সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশের খসড়া তৈরি করেছে। সেখানে অন্তর্বর্তী সরকারকে বিশেষ আদেশের মাধ্যমে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে বলার কথা আছে। পরে গণভোটের মাধ্যমে জনগণের স্বীকৃতি নেওয়া হবে। তবে গণভোটের দিন-তারিখের বিষয়ে সিদ্ধান্ত সরকার ও নির্বাচন কমিশনের ওপর ছেড়ে দিতে চায় কমিশন। সংবিধান-সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলো টেকসই করার লক্ষ্যে খসড়া সুপারিশে আরও বলা হয়েছে যে আগামী জাতীয় সংসদ নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত দ্বৈত ভূমিকা পালন করবে। জাতীয় সংসদের পাশাপাশি তার নাম হবে সংবিধান সংস্কার পরিষদ। অন্যদিকে জুলাই সনদের কিছু প্রস্তাব বিশেষ আদেশের মাধ্যমে এবং কিছু প্রস্তাব গণভোটে দেওয়া হবে। গণভোটে পুরো সনদের বিষয় না দিয়ে সংবিধান-সম্পর্কিত বিষয়ে প্রশ্ন রাখার সুপারিশ করা হবে। বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আরও পরামর্শ করে প্রস্তাবগুলো আবার পরিমার্জিত করা হবে। আলী রীয়াজ বলেন, ‘আমরা দ্রুত সরকারের কাছে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশ দিতে চাই।’
এনসিপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের ‘টেক্সট’ (লিখিত ভাষ্য) এবং গণভোটের প্রশ্নটি চূড়ান্ত করে আগেই জনগণের কাছে প্রকাশ করতে হবে। ‘জনগণের সার্বভৌম অভিপ্রায়ের বহিঃপ্রকাশ’ হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আদেশটি জারি করবেন। আগামী সংসদ সাংবিধানিক ক্ষমতাবলে সংবিধান সংস্কার করবে।
একটি সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকগুলোতে এনসিপির পক্ষ থেকে বিশেষ আদেশে কী কথা থাকবে, তা জানাতে বলা হয়েছিল কমিশনকে। এনসিপির আশঙ্কা, স্বাক্ষরের পরে আদেশ নিয়ে দেশের রাজনীতিতে নতুন অস্থিরতা বা সংকট তৈরি হতে পারে। এ জন্য স্বাক্ষরের আগেই আদেশের সুপারিশ সরকার ও রাজনৈতিক দলের কাছে দেওয়ার দাবি করেছিল দলটি। অন্যদিকে আদেশের সুপারিশ সামনে এলে কোন কোন দল স্বাক্ষর করতে অনাগ্রহী হয়ে পড়বে আশঙ্কা করে কমিশন তা সরকারের কাছে হস্তান্তর করেনি বলে জানা গেছে।
কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, ‘বাস্তবায়নপ্রক্রিয়া নিয়ে তাদের (এনসিপির) কিছু আপত্তির জায়গা আছে। তাদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ হচ্ছে। আশা করি, তাঁরা স্বাক্ষর করবেন। কারণ, সনদ প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় গুরুত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে তাঁরা অংশগ্রহণ করেছেন। তদুপরি তাঁরাই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শীর্ষ পর্যায়ে ছিলেন। সে ক্ষেত্রে সনদ তৈরি প্রক্রিয়ায় তাঁদের বড় ভূমিকা আছে।’
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন কমিশনও চায় বলে জানান আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, ‘সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য বাস্তবায়নপ্রক্রিয়া আমরা তৈরি করার চেষ্টা করছি।’
কমিশনের পক্ষ থেকে সনদে স্বাক্ষর না করা সিপিবি, বাংলাদেশ জাসদ, বাসদ, বাসদ-মার্ক্সবাদী দলের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ চলছে। আগামী সোমবারের মধ্যে তাদের সঙ্গে বসতে পারব। সেখানে দলগুলোর আপত্তি শুনে বুঝতে পারব।’
শুক্রবারের স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে গণফোরামের দুই নেতা উপস্থিত থাকলেও তাঁরা স্বাক্ষর করেননি। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, একাত্তরের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বিলুপ্ত করার সুপারিশ বাদ না দিলে স্বাক্ষর করবেন না তাঁরা। কমিশন পরে সনদের ভাষা সংশোধন করে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বাদ দেওয়ার প্রস্তাবটি বাদ দিয়েছে। কমিশন বলেছে, এ নিয়ে গণফোরামের সঙ্গে তাদের কথা হয়েছে। দলটি আজ রোববার স্বাক্ষর করবে বলে জানিয়েছে। জাতীয় সংসদের এলডি হলে দুপুর সাড়ে ১২টায় স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

বিশেষ আদেশে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন করে গণভোটের মাধ্যমে জনগণের সম্মতি নেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। গণভোটের বিষয়ের মধ্যে পুরো জুলাই সনদ না দিয়ে সংবিধান-সম্পর্কিত বিষয় থাকতে পারে। এ ছাড়া জাতীয় সংসদকে দ্বৈত ভূমিকা দেওয়ার প্রস্তাব করা হবে। এর আওতায় আগামী জাতীয় সংসদ নিয়মিত কাজের পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদের (গণপরিষদ) দায়িত্ব পালন করবে। এসব বিবেচনায় রেখে আজ রোববার আবারও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করবে কমিশন।
নানা অনিশ্চয়তা আর জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে গত শুক্রবার আলোচিত জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছে বিএনপি, জামায়াতসহ ২৪টি রাজনৈতিক দল ও জোট। সনদ বাস্তবায়নের আইনি ভিত্তি ও বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা না থাকায় স্বাক্ষর করেনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের তরুণ নেতাদের গঠন করা দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। অন্যদিকে সনদে স্বাধীনতার ঘোষণার অংশ বিলুপ্ত করাসহ আপত্তি তোলা বিষয় থাকার অভিযোগ করে স্বাক্ষর করেনি সিপিবি, বাংলাদেশ জাসদ, বাসদ, বাসদ-মার্ক্সবাদী বাম দলগুলো। তবে সনদে স্বাক্ষরে দলগুলোকে রাজি করাতে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে কমিশন। তাদের আশা, ৩১ অক্টোবরের মধ্যে দলগুলো স্বাক্ষর করবে। এর মধ্যে শুক্রবার রাত থেকেই এনসিপির সঙ্গে নানাভাবে যোগাযোগ করছে সরকার ও কমিশন।
গতকাল শনিবার জাতীয় সংসদে কমিশনের কার্যালয়ে বৈঠক করেন এর সদস্যরা। আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলও এতে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ জানিয়েছেন বৈঠকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতির প্রস্তাবের খসড়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বৈঠকে আমাদের হাতে থাকা প্রস্তাবের খসড়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি আগামীকাল (আজ রোববার) বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠকের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সেখানে খসড়ার আরেকটু বিস্তারিত করার বিষয়ে আলোচনা হবে।’
বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করে কমিশন ইতিমধ্যে সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশের খসড়া তৈরি করেছে। সেখানে অন্তর্বর্তী সরকারকে বিশেষ আদেশের মাধ্যমে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে বলার কথা আছে। পরে গণভোটের মাধ্যমে জনগণের স্বীকৃতি নেওয়া হবে। তবে গণভোটের দিন-তারিখের বিষয়ে সিদ্ধান্ত সরকার ও নির্বাচন কমিশনের ওপর ছেড়ে দিতে চায় কমিশন। সংবিধান-সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলো টেকসই করার লক্ষ্যে খসড়া সুপারিশে আরও বলা হয়েছে যে আগামী জাতীয় সংসদ নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত দ্বৈত ভূমিকা পালন করবে। জাতীয় সংসদের পাশাপাশি তার নাম হবে সংবিধান সংস্কার পরিষদ। অন্যদিকে জুলাই সনদের কিছু প্রস্তাব বিশেষ আদেশের মাধ্যমে এবং কিছু প্রস্তাব গণভোটে দেওয়া হবে। গণভোটে পুরো সনদের বিষয় না দিয়ে সংবিধান-সম্পর্কিত বিষয়ে প্রশ্ন রাখার সুপারিশ করা হবে। বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আরও পরামর্শ করে প্রস্তাবগুলো আবার পরিমার্জিত করা হবে। আলী রীয়াজ বলেন, ‘আমরা দ্রুত সরকারের কাছে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশ দিতে চাই।’
এনসিপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের ‘টেক্সট’ (লিখিত ভাষ্য) এবং গণভোটের প্রশ্নটি চূড়ান্ত করে আগেই জনগণের কাছে প্রকাশ করতে হবে। ‘জনগণের সার্বভৌম অভিপ্রায়ের বহিঃপ্রকাশ’ হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আদেশটি জারি করবেন। আগামী সংসদ সাংবিধানিক ক্ষমতাবলে সংবিধান সংস্কার করবে।
একটি সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকগুলোতে এনসিপির পক্ষ থেকে বিশেষ আদেশে কী কথা থাকবে, তা জানাতে বলা হয়েছিল কমিশনকে। এনসিপির আশঙ্কা, স্বাক্ষরের পরে আদেশ নিয়ে দেশের রাজনীতিতে নতুন অস্থিরতা বা সংকট তৈরি হতে পারে। এ জন্য স্বাক্ষরের আগেই আদেশের সুপারিশ সরকার ও রাজনৈতিক দলের কাছে দেওয়ার দাবি করেছিল দলটি। অন্যদিকে আদেশের সুপারিশ সামনে এলে কোন কোন দল স্বাক্ষর করতে অনাগ্রহী হয়ে পড়বে আশঙ্কা করে কমিশন তা সরকারের কাছে হস্তান্তর করেনি বলে জানা গেছে।
কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, ‘বাস্তবায়নপ্রক্রিয়া নিয়ে তাদের (এনসিপির) কিছু আপত্তির জায়গা আছে। তাদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ হচ্ছে। আশা করি, তাঁরা স্বাক্ষর করবেন। কারণ, সনদ প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় গুরুত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে তাঁরা অংশগ্রহণ করেছেন। তদুপরি তাঁরাই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শীর্ষ পর্যায়ে ছিলেন। সে ক্ষেত্রে সনদ তৈরি প্রক্রিয়ায় তাঁদের বড় ভূমিকা আছে।’
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন কমিশনও চায় বলে জানান আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, ‘সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য বাস্তবায়নপ্রক্রিয়া আমরা তৈরি করার চেষ্টা করছি।’
কমিশনের পক্ষ থেকে সনদে স্বাক্ষর না করা সিপিবি, বাংলাদেশ জাসদ, বাসদ, বাসদ-মার্ক্সবাদী দলের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ চলছে। আগামী সোমবারের মধ্যে তাদের সঙ্গে বসতে পারব। সেখানে দলগুলোর আপত্তি শুনে বুঝতে পারব।’
শুক্রবারের স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে গণফোরামের দুই নেতা উপস্থিত থাকলেও তাঁরা স্বাক্ষর করেননি। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, একাত্তরের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বিলুপ্ত করার সুপারিশ বাদ না দিলে স্বাক্ষর করবেন না তাঁরা। কমিশন পরে সনদের ভাষা সংশোধন করে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বাদ দেওয়ার প্রস্তাবটি বাদ দিয়েছে। কমিশন বলেছে, এ নিয়ে গণফোরামের সঙ্গে তাদের কথা হয়েছে। দলটি আজ রোববার স্বাক্ষর করবে বলে জানিয়েছে। জাতীয় সংসদের এলডি হলে দুপুর সাড়ে ১২টায় স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচনের পরিবেশ ভালো আছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারব।’
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিল করা ৭২৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। বাছাইয়ের শেষ দিন গতকাল রোববার রাতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য জানান।
১১ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বলপূর্বক গুমের পেছনে মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল বলে জানিয়েছে গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশন। কমিশন বলেছে, প্রাপ্ত উপাত্তে প্রমাণিত, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপরাধ। এসব ঘটনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহ
১১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন গণভোটের বিষয়বস্তু জনগণের কাছে পরিষ্কার করতে এবং জনসচেতনতা বাড়াতে বড় ধরনের প্রচার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সরকার। দেশের প্রতিটি বিভাগে বড় আকারের কর্মশালার মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তৃণমূল পর্যায়ে ভোটারদের কাছে গণভোটের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
১৩ ঘণ্টা আগে