
বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব গভীর করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অনেকগুলো পদক্ষেপ আছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া অব্যাহত থাকবে। এমনটাই জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল। স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেছেন, জলবায়ু ও নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যৌথভাবে কাজ করার সুযোগ আছে।
বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্টেট ডিপার্টমেন্টের বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র অবাধ ও উন্মুক্ত ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল নিশ্চিত করে এই অঞ্চলে উভয় দেশের স্বার্থ এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অংশীদারত্বের অপেক্ষা করছে। বিষয়টি উল্লেখ করে বেদান্ত প্যাটেলের কাছে জানতে চাওয়া হয়, এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব আরও গভীর করতে যুক্তরাষ্ট্র কোন কোন সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের কথা ভাবছে?
জবাবে বেদান্ত প্যাটেল বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের অংশীদারত্ব আরও গভীর করার ক্ষেত্রে আমাদের অনেকগুলো পদক্ষেপ আছে এবং এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া অব্যাহত থাকবে। আপনি জানেন, আমি আগেও বলেছি—গত বছর বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের বার্ষিকী (৫০ বছর পূর্তি) ছিল।’
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র বলেন, ‘আমাদের মধ্যে সহযোগিতার বেশ কয়েকটি ক্ষেত্র রয়েছে, বিশেষ করে জলবায়ু সহযোগিতা, নিরাপত্তা সহযোগিতার মতো বিষয়গুলোতে আমরা সহযোগিতা করতে পারি। আমরা বিশ্বাস করি, সেই সুযোগ আছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘অবশ্যই এর মাধ্যমে সেখানে (বাংলাদেশে) সরকারের বাইরেও বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গেও যুক্ত হওয়ার সুযোগ আছে আমাদের। আমরা বিশ্বাস করি, বিষয়টি এই সম্পর্ককে আরও গভীর করার গুরুত্বপূর্ণ চাবিকাঠি।’
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রধান মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার জানিয়েছিলেন—দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো উদ্বিগ্ন। পাশাপাশি হাজারো বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তারের খবরেও উদ্বিগ্ন দেশটি। তারা বলেছে, নির্বাচনের আগে ও নির্বাচনের দিন যেসব সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, সেগুলোর ব্যাপারে তারা বাংলাদেশ সরকারকে বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছ তদন্ত করতে উৎসাহিত করছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশে হাজারো বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার এবং নির্বাচনে অনিয়মের খবরে এখনো উদ্বিগ্ন। পর্যবেক্ষকদের মতো আমরাও বিশ্বাস করি, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। আমরা হতাশ, নির্বাচনে সব দল অংশ নেয়নি ও নির্বাচনের আগের কয়েক মাসে ও নির্বাচনের দিন যেসব সহিংস ঘটনা ঘটেছে, আমরা সেই সব ঘটনার নিন্দা জানাই। আমরা এখন বাংলাদেশ সরকারকে এসব সহিংস ঘটনার বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছ তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনতে উৎসাহিত করছি। আমরা সব দলকে রাজনৈতিক সহিংসতা পরিহারের আহ্বান জানাচ্ছি।’
অন্য এক প্রশ্নে ম্যাথিউ মিলারকে বলা হয়, আপনি যেহেতু বলেছেন বাংলাদেশে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য হয়নি। তার মানে কি এটা যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টানা চতুর্থ মেয়াদকে যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দেবে না? জবাবে মিলার শুধু বলেন, ‘না, না।’

বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব গভীর করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অনেকগুলো পদক্ষেপ আছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া অব্যাহত থাকবে। এমনটাই জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল। স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেছেন, জলবায়ু ও নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যৌথভাবে কাজ করার সুযোগ আছে।
বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্টেট ডিপার্টমেন্টের বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র অবাধ ও উন্মুক্ত ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল নিশ্চিত করে এই অঞ্চলে উভয় দেশের স্বার্থ এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অংশীদারত্বের অপেক্ষা করছে। বিষয়টি উল্লেখ করে বেদান্ত প্যাটেলের কাছে জানতে চাওয়া হয়, এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব আরও গভীর করতে যুক্তরাষ্ট্র কোন কোন সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের কথা ভাবছে?
জবাবে বেদান্ত প্যাটেল বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের অংশীদারত্ব আরও গভীর করার ক্ষেত্রে আমাদের অনেকগুলো পদক্ষেপ আছে এবং এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া অব্যাহত থাকবে। আপনি জানেন, আমি আগেও বলেছি—গত বছর বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের বার্ষিকী (৫০ বছর পূর্তি) ছিল।’
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র বলেন, ‘আমাদের মধ্যে সহযোগিতার বেশ কয়েকটি ক্ষেত্র রয়েছে, বিশেষ করে জলবায়ু সহযোগিতা, নিরাপত্তা সহযোগিতার মতো বিষয়গুলোতে আমরা সহযোগিতা করতে পারি। আমরা বিশ্বাস করি, সেই সুযোগ আছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘অবশ্যই এর মাধ্যমে সেখানে (বাংলাদেশে) সরকারের বাইরেও বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গেও যুক্ত হওয়ার সুযোগ আছে আমাদের। আমরা বিশ্বাস করি, বিষয়টি এই সম্পর্ককে আরও গভীর করার গুরুত্বপূর্ণ চাবিকাঠি।’
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রধান মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার জানিয়েছিলেন—দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো উদ্বিগ্ন। পাশাপাশি হাজারো বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তারের খবরেও উদ্বিগ্ন দেশটি। তারা বলেছে, নির্বাচনের আগে ও নির্বাচনের দিন যেসব সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, সেগুলোর ব্যাপারে তারা বাংলাদেশ সরকারকে বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছ তদন্ত করতে উৎসাহিত করছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশে হাজারো বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার এবং নির্বাচনে অনিয়মের খবরে এখনো উদ্বিগ্ন। পর্যবেক্ষকদের মতো আমরাও বিশ্বাস করি, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। আমরা হতাশ, নির্বাচনে সব দল অংশ নেয়নি ও নির্বাচনের আগের কয়েক মাসে ও নির্বাচনের দিন যেসব সহিংস ঘটনা ঘটেছে, আমরা সেই সব ঘটনার নিন্দা জানাই। আমরা এখন বাংলাদেশ সরকারকে এসব সহিংস ঘটনার বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছ তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনতে উৎসাহিত করছি। আমরা সব দলকে রাজনৈতিক সহিংসতা পরিহারের আহ্বান জানাচ্ছি।’
অন্য এক প্রশ্নে ম্যাথিউ মিলারকে বলা হয়, আপনি যেহেতু বলেছেন বাংলাদেশে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য হয়নি। তার মানে কি এটা যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টানা চতুর্থ মেয়াদকে যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দেবে না? জবাবে মিলার শুধু বলেন, ‘না, না।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাওয়া প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। তাঁদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল করা যাবে।
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেওয়া পর পোস্টাল ব্যালটে ছবি বা ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার না করতে অনুরোধ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ছবি বা ভিডিও শেয়ার করলে সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ভোটারের এনআইডি ব্লক করাসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছে ইসি।
৮ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ শনিবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ঢাকা জেলা প্রশাসক রেজাউল করিম এই ঘোষণা দেন। তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন তাসনিম জারা।
১৩ ঘণ্টা আগে
সাধারণ মানুষের কাছে কার্যত অজানা থাকলেও সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত হলে সড়ক পরিবহন আইনে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান রয়েছে। আইনে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের জন্য ৫ লাখ টাকা এবং আহত ব্যক্তির জন্য ৩ লাখ টাকা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
১ দিন আগে