আজকের পত্রিকা ডেস্ক

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে পুলিশ বাহিনীর সংস্কারসহ তাদের পোশাক পরিবর্তনের দাবি ওঠে। শেষ পর্যন্ত পুলিশ, র্যাব ও আনসার বাহিনীর পোশাক পরিবর্তন হচ্ছে। এখন থেকে কালো প্যান্টের সঙ্গে আয়রন রঙের শার্ট পরবে পুলিশ। এর আগে পুলিশের পোশাক ছিল নেভি ব্লু শার্ট ও প্যান্ট। যদিও মহানগরগুলো আলাদা আলাদা পোশাক পরত।
আজ সোমবার সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘আমরা পুলিশ, র্যাব ও আনসারদের জন্য তিনটি পোশাক নির্ধারণ করেছি। এসব পোশাক পর্যায়ক্রমে পরিবর্তন করা হবে। যেসব পোশাক রয়েছে, সেসব আস্তে আস্তে বদলে ফেলা হবে। একসময় ছিল খাকি, বদলে গেছে অনেক আগেই। পরে মহানগর ও জেলা পর্যায়ে দুই রঙের পোশাক দেওয়া হয়। পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও ব্যাটালিয়ন ভেদে পোশাকের ভিন্নতাও ছিল। এখন সব বাদ দিয়ে আয়রন রঙের শার্ট আর কালো প্যান্ট দেওয়া হচ্ছে পুলিশকে।’
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘পোশাকের সঙ্গে আমাদের সবার মন-মানসিকতারও পরিবর্তন হতে হবে। আমাদের সবাইকে দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে হবে। তাহলেই অনেক কিছু পরিবর্তন হবে। গত ১৫ বছর তাদের যে ট্রেনিং ছিল, সেই ট্রেনিংও পরিবর্তন করতে হবে, তাদের মানবিক হতে হবে।’
বাংলাদেশে শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর সাত দিন পুলিশকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এরই মধ্যে বাহিনীটিকে সচল করতে নবগঠিত অন্তর্বর্তী সরকার থেকে পুলিশের যেসব সংস্কারের কথা বলা হয়েছে তার অন্যতম পোশাক পরিবর্তনের উদ্যোগ।
২০০৯ সালের বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে ২০১১ সালে বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছিল বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সেই সময় বাহিনীর মনোগ্রাম ও পোশাকেও পরিবর্তন আনা হয়েছিল। বিজিবি একটি আধা সামরিক বাহিনী। অন্যদিকে, পুলিশ বেসামরিক বাহিনী। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য সংখ্যা প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে পুলিশ বাহিনীর সংস্কারসহ তাদের পোশাক পরিবর্তনের দাবি ওঠে। শেষ পর্যন্ত পুলিশ, র্যাব ও আনসার বাহিনীর পোশাক পরিবর্তন হচ্ছে। এখন থেকে কালো প্যান্টের সঙ্গে আয়রন রঙের শার্ট পরবে পুলিশ। এর আগে পুলিশের পোশাক ছিল নেভি ব্লু শার্ট ও প্যান্ট। যদিও মহানগরগুলো আলাদা আলাদা পোশাক পরত।
আজ সোমবার সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘আমরা পুলিশ, র্যাব ও আনসারদের জন্য তিনটি পোশাক নির্ধারণ করেছি। এসব পোশাক পর্যায়ক্রমে পরিবর্তন করা হবে। যেসব পোশাক রয়েছে, সেসব আস্তে আস্তে বদলে ফেলা হবে। একসময় ছিল খাকি, বদলে গেছে অনেক আগেই। পরে মহানগর ও জেলা পর্যায়ে দুই রঙের পোশাক দেওয়া হয়। পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও ব্যাটালিয়ন ভেদে পোশাকের ভিন্নতাও ছিল। এখন সব বাদ দিয়ে আয়রন রঙের শার্ট আর কালো প্যান্ট দেওয়া হচ্ছে পুলিশকে।’
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘পোশাকের সঙ্গে আমাদের সবার মন-মানসিকতারও পরিবর্তন হতে হবে। আমাদের সবাইকে দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে হবে। তাহলেই অনেক কিছু পরিবর্তন হবে। গত ১৫ বছর তাদের যে ট্রেনিং ছিল, সেই ট্রেনিংও পরিবর্তন করতে হবে, তাদের মানবিক হতে হবে।’
বাংলাদেশে শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর সাত দিন পুলিশকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এরই মধ্যে বাহিনীটিকে সচল করতে নবগঠিত অন্তর্বর্তী সরকার থেকে পুলিশের যেসব সংস্কারের কথা বলা হয়েছে তার অন্যতম পোশাক পরিবর্তনের উদ্যোগ।
২০০৯ সালের বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে ২০১১ সালে বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছিল বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সেই সময় বাহিনীর মনোগ্রাম ও পোশাকেও পরিবর্তন আনা হয়েছিল। বিজিবি একটি আধা সামরিক বাহিনী। অন্যদিকে, পুলিশ বেসামরিক বাহিনী। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য সংখ্যা প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার।

তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
১৬ ঘণ্টা আগে
পোস্টে প্রেস সচিব লিখেছেন, ‘শহীদ বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর থেকে আমার মনে হচ্ছে তিনি (মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর) ভীষণ একা হয়ে পড়েছেন। একত্রে এই দুই নেতা আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম এক সম্মানিত ও নির্ভরযোগ্য অংশীদারিত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। সহমর্মিতা এবং নীরবে ধৈর্য ধরার ক্ষমতার...
১৭ ঘণ্টা আগে
জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু জানান, রাজধানীতে নিজ বাসায় বর্ষীয়ান এ রাজনীতিকের মৃত্যু হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাদ জোহর টাঙ্গাইল শহরের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে
সদ্য সমাপ্ত ২০২৫ সালে সারা দেশে অন্তত ৪২৮টি গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে, যা ২০২৪ সালের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি। ২০২৪ সালে গণপিটুনির ১৬৯টি ঘটনায় নিহত হয়েছিল ১৪৬ জন এবং আহত ছিল ১২৬ জন। আর ২০২৫ সালে গণপিটুনিতে ১৬৬ জন নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে ৪৬০ জন। ২২০ জনকে আহতাবস্থায় পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। গণপিটুনির ঘটনায় আহত
১৯ ঘণ্টা আগে