Ajker Patrika

পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি হাইকোর্টে

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ০৯ জুন ২০২৬, ১৭: ৪৯
পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি হাইকোর্টে
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের সাজা অনুমোদনের জন্য মামলার নথি হাইকোর্টে পৌঁছেছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনাল থেকে এই নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, নথি বিকেলে পাঠানো হয়েছে।

গত রোববার আলোচিত এই মামলায় সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়। ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকিন এই রায় দেন।

রায়ে সোহেল রানাকে ৫ লাখ ও স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আদায়কৃত জরিমানার টাকা শিশুর পরিবার পাবে বলে রায়ে বলা হয়েছে।

আসামি সোহেল ও স্বপ্না কারাগারে আছেন। ট্রাইবুনাল রায়ে উল্লেখ করেছেন, আসামিদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে। তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আগে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্টের অনুমোদন নিতে হবে। ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দ্রুত এই মামলার সব দলিলপত্র হাইকোর্টে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলা সংক্রান্ত বিভিন্ন দলিল পত্র—যেমন মামলার এজাহার, চার্জশিট, আলামতের জব্দতালিকা, সাক্ষীদের জবানবন্দি, জেরা, রায়, আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ও আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের দিন আসামিদের বক্তব্য এবং মামলা সংশ্লিষ্ট সমস্ত কাগজপত্র একত্রিত করে নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়েছে।

শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয় গত ১ জুন। আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হওয়ার মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে এই মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। এ মামলা দায়ের করার পর চারদিনে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। গত মঙ্গলবার একদিনে ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

অভিযোগপত্র দাখিল করা হয় গত ২৪ মে বিকেলে। সেদিনই নথি বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

গত ১৯ মে পল্লবীর একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করা হয়। ফ্ল্যাটটির বাসিন্দা আসামি সোহেল ঘটনার পর বাসার শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। বাসা থেকে তাঁর স্ত্রীকে তখনই আটক করা হয়। আর সেদিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় ২০ মে শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত