Ajker Patrika

শিশুদের খাদ্যের মানের সঙ্গে আপস করার সুযোগ নেই: ববি হাজ্জাজ

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ২৪ মে ২০২৬, ১৪: ৫৩
শিশুদের খাদ্যের মানের সঙ্গে আপস করার সুযোগ নেই: ববি হাজ্জাজ
স্কুল‎স্কুলে মিড-ডে মিল কর্মসূচি বিষয়ক মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। ছবি: সংগৃহীত

‎স্কুলে মিড-ডে মিল কার্যক্রমে শিশুদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাদ্যের মান ও সরবরাহে কোনো ধরনের গাফিলতি কিংবা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

‎ববি হাজ্জাজ বলেন, মিড-ডে মিল কর্মসূচি শিশুদের পুষ্টি, স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষার সঙ্গে জড়িত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কর্মসূচি। যাঁরা দায়িত্বে আছেন সরকারি কর্মকর্তা হোন কিংবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, সবার সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা নিয়ে কাজ করতে হবে।

‎আজ রোববার রাজধানীতে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং মাঠপর্যায়ের দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে আয়োজিত এক নির্দেশনামূলক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ববি হাজ্জাজ এসব কথা বলেন।

‎প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ১৫১টি উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং এতে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প পরিচালিত হচ্ছে। এত বড় একটি কর্মসূচিতে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ না হলে তা সরকার ও সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য বিব্রতকর হবে।

সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ব্যবসাবান্ধব। কিন্তু ব্যবসার নামে শিশুদের খাদ্যের মানের সঙ্গে আপস করার সুযোগ নেই। যাঁরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না, তাঁরা ভবিষ্যতে এই কার্যক্রমে থাকতে পারবেন না।

‎সভায় ববি হাজ্জাজ নতুন নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেন। এর মধ্যে রয়েছে সম্পূর্ণ সাপ্লাই চেইন ম্যাপিং, ফুড টেকনিশিয়ান নিয়োগ, স্থানীয়ভাবে খাদ্য সংগ্রহ ও সরবরাহ নিশ্চিত করা, প্রতিদিন নির্ধারিত দিনে বিদ্যালয়ে খাদ্য পৌঁছে দেওয়া এবং মান নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা।

‎ববি হাজ্জাজ বলেন, স্কুল ফিডিং কার্যক্রমে কোথা থেকে খাদ্য আসছে, কীভাবে প্রক্রিয়াজাত হচ্ছে এবং কার মাধ্যমে বিদ্যালয়ে পৌঁছাচ্ছে—সবকিছুর পূর্ণাঙ্গ তথ্য সরকারের কাছে থাকতে হবে।

‎প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সরকারের মূল লক্ষ্য একটাই শিশুরা যেন সঠিকভাবে পুষ্টিকর খাবার পায়। এ জন্য বাস্তবসম্মত সব ধরনের সহযোগিতা সরকার দেবে। তবে দায়িত্বপ্রাপ্তদেরও নিজেদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।’

‎সভায় উপস্থিত সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক ও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা আরও জোরদারের আশ্বাস দেন।

ববি হাজ্জাজ বলেন, এটি একটি পাইলট কর্মসূচি। এখন যে সমস্যাগুলো চিহ্নিত হচ্ছে, সেগুলো সমাধান করেই ভবিষ্যতে সারা দেশে আরও কার্যকরভাবে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

‎সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী, প্রকল্প পরিচালক, উপপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট সব ঠিকাদার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

বগুড়ায় ইয়াবাসহ ২ পুলিশ সদস্য আটক

ভোলার সাবেক এমপি ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন মারা গেছেন

তিনবিঘা করিডরে বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠক, ভারতীয় বিধায়কের বিতর্কিত মন্তব্য

আসিফ মাহমুদ সচিবের স্বাক্ষর ছাড়াই ফাইল পাস করেছেন: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

‘গাজা গণহত্যায়’ ইসরায়েলকে অস্ত্র দিয়েছে ভারত-ব্রাজিলসহ ৫১ দেশ

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত