নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

হাইকোর্ট বিভাগের ১২ জন বিচারপতিকে আপাতত বিচারকাজ থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। আজ বুধবার বিকেল ৪টার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘেরাও কর্মসূচিতে এসে এই সিদ্ধান্ত জানান সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা।
এই ১২ বিচারপতি কারা তা জানা যায়নি, তবে তাঁরা আওয়ামী লীগের আমলে নিয়োগ পেয়েছেন। এর আগে প্রধান বিচারপতির তলবে দুপুর সাড়ে ১২টার পর একে একে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসেন ৭ বিচারপতি।
বিচারপতি হলেন- খোন্দকার দিলিরুজ্জামান, এস এম মনিরুজ্জামান, মো. আখতারুজ্জামান, শাহেদ নূর উদ্দিন, এস এম মাসূদ হোসেন দোলন, মো. আমিনুল ইসলাম।
তবে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বের হওয়ার পর জানতে চাইলে কোনো বিচারপতি কিছু বলতে রাজি হননি।
এর আগে দুপুরে আওয়ামী লীগের ‘ফ্যাসিস্ট বিচারপতিদের’ পদত্যাগের দাবিতে হাইকোর্ট ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
কর্মসূচিতে দলবাজ ও বিতর্কিত বিচারপতিদের আজ বেলা ২টার মধ্যে পদত্যাগের দাবি জানায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ।
এছাড়া হাইকোর্ট বিভাগের দলবাজ ও দুর্নীতিবাজ বিচারপতিদের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করছে বৈষম্যবিরোধী আইনজীবী সমাজ।
পরে বিকেল ৪টার দিকে অ্যানেক্ম ভবনের সামনে বিক্ষোভস্থলে এসে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ১২ বিচারপতির বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানালে বিক্ষোভকারীরা হাইকোর্ট এলাকা ছাড়েন।
আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে রেজিস্ট্রার জেনারেল বলেন, ‘আপনাদের নেতারা আমার চেম্বারে বসেছিলেন। আমরা দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেছি। প্রধান বিচারপতির সঙ্গেও এটি নিয়ে কথা বলেছি। আপনারা জানেন, বিচারপতির পদত্যাগ বা অপসারণ—এটার একটা প্রক্রিয়া আছে। কিন্তু বর্তমানে দেশে এ-সংক্রান্ত কোনো আইন বিদ্যমান নেই। বিগত (আওয়ামী লীগ) সরকার সংসদের মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের উদ্যোগ নিয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট তা বাতিল করে দিয়েছেন। সেটা আবার সরকার রিভিউ করেছে। আগামী ২০ অক্টোবর সেটি আপিল বিভাগে শুনানি হবে।’
আজিজ আহমদ ভূঞা আরও বলেন, ‘আপাতত ১২ জন বিচারপতিকে প্রাথমিকভাবে কোনো বেঞ্চ দেওয়া হচ্ছে না। ষোড়শ সংশোধনী রিভিউ শুনানি আছে ২০ তারিখ। আশা করছি এর মাধ্যমে পরবর্তী প্রক্রিয়াগুলো শুরু হবে। বিচারপতি অপসারণের সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট এককভাবে জড়িত নন। রাষ্ট্রপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ও আইন উপদেষ্টা জড়িত আছে।’

হাইকোর্ট বিভাগের ১২ জন বিচারপতিকে আপাতত বিচারকাজ থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। আজ বুধবার বিকেল ৪টার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘেরাও কর্মসূচিতে এসে এই সিদ্ধান্ত জানান সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা।
এই ১২ বিচারপতি কারা তা জানা যায়নি, তবে তাঁরা আওয়ামী লীগের আমলে নিয়োগ পেয়েছেন। এর আগে প্রধান বিচারপতির তলবে দুপুর সাড়ে ১২টার পর একে একে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসেন ৭ বিচারপতি।
বিচারপতি হলেন- খোন্দকার দিলিরুজ্জামান, এস এম মনিরুজ্জামান, মো. আখতারুজ্জামান, শাহেদ নূর উদ্দিন, এস এম মাসূদ হোসেন দোলন, মো. আমিনুল ইসলাম।
তবে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বের হওয়ার পর জানতে চাইলে কোনো বিচারপতি কিছু বলতে রাজি হননি।
এর আগে দুপুরে আওয়ামী লীগের ‘ফ্যাসিস্ট বিচারপতিদের’ পদত্যাগের দাবিতে হাইকোর্ট ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
কর্মসূচিতে দলবাজ ও বিতর্কিত বিচারপতিদের আজ বেলা ২টার মধ্যে পদত্যাগের দাবি জানায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ।
এছাড়া হাইকোর্ট বিভাগের দলবাজ ও দুর্নীতিবাজ বিচারপতিদের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করছে বৈষম্যবিরোধী আইনজীবী সমাজ।
পরে বিকেল ৪টার দিকে অ্যানেক্ম ভবনের সামনে বিক্ষোভস্থলে এসে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ১২ বিচারপতির বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানালে বিক্ষোভকারীরা হাইকোর্ট এলাকা ছাড়েন।
আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে রেজিস্ট্রার জেনারেল বলেন, ‘আপনাদের নেতারা আমার চেম্বারে বসেছিলেন। আমরা দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেছি। প্রধান বিচারপতির সঙ্গেও এটি নিয়ে কথা বলেছি। আপনারা জানেন, বিচারপতির পদত্যাগ বা অপসারণ—এটার একটা প্রক্রিয়া আছে। কিন্তু বর্তমানে দেশে এ-সংক্রান্ত কোনো আইন বিদ্যমান নেই। বিগত (আওয়ামী লীগ) সরকার সংসদের মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের উদ্যোগ নিয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট তা বাতিল করে দিয়েছেন। সেটা আবার সরকার রিভিউ করেছে। আগামী ২০ অক্টোবর সেটি আপিল বিভাগে শুনানি হবে।’
আজিজ আহমদ ভূঞা আরও বলেন, ‘আপাতত ১২ জন বিচারপতিকে প্রাথমিকভাবে কোনো বেঞ্চ দেওয়া হচ্ছে না। ষোড়শ সংশোধনী রিভিউ শুনানি আছে ২০ তারিখ। আশা করছি এর মাধ্যমে পরবর্তী প্রক্রিয়াগুলো শুরু হবে। বিচারপতি অপসারণের সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট এককভাবে জড়িত নন। রাষ্ট্রপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ও আইন উপদেষ্টা জড়িত আছে।’

এনইআইআর চালুর পরে ‘ক্লোন ফোন’ নিয়ে ভয়াবহ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। শুধু একটি আইএমইআই নম্বরেই পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৯১ লাখ ২২ হাজার ৫৩৪টি স্মার্টফোন।আজ শুক্রবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এ তথ্য জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা ও গণফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ড. কামাল হোসেন গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। আজ শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে তাঁকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
‘দেশের চাবি আপনার হাতে’—স্লোগানে গণভোট নিয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে কী পাবেন আর ‘না’ ভোট দিলে কী পাবেন না—শিরোনামে একটি লিফলেট শুক্রবার পোস্ট করা হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে।
৭ ঘণ্টা আগে
নতুন একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। গতকাল বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে