বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

ভুল ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার। আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, গতকাল মঙ্গলবার রাতে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা বদলে দিয়ে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন সংশোধন করে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার। এ নিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যম ভুল সংবাদ প্রকাশ করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, যাতে গণমাধ্যমে মিথ্যা, ভুয়া, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, ‘সমকাল, যুগান্তর, ইত্তেফাকসহ বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতাসহ শতাধিকের মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি বাতিল করা হয়েছে। এই খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভুয়া, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর।’
উপপ্রেস সচিব বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ও সংবাদ সম্মেলন করে ব্যাখ্যা করেছে। আমরা নিজেরাও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেছি। উনারাও বলেছেন, মুজিবনগর সরকারের যাঁরা ছিলেন, তাঁরা মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী হিসেবে যাঁদের রাখা হয়েছে, তাঁদের সুযোগ-সুবিধা একই থাকবে।’
আবুল কালাম আজাদ মজুমদার আরও বলেন, ‘যেসব সংবাদমাধ্যম ভুল সংবাদ প্রকাশ করেছে, আমরা আশা করব, তারা তাদের ভুলটা সংশোধন করবে। যেখানে তারা ভুল সংবাদটি ছাপিয়েছে, ঠিক একই জায়গায় ভুল সংশোধন করে সংশোধনী প্রকাশ করে তাদের পাঠকদের কাছে দুঃখপ্রকাশ করবে।’
অন্তর্বর্তী সরকার সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ব্যাপারে খুবই উদার উল্লেখ করে আজাদ মজুমদার বলেন, ‘আমরা সমালোচনাকে সব সময় স্বাগত জানাই। কিন্তু কখনোই কাউকে এই রকম কোনো লাইসেন্স দেওয়া হয়নি যে, তিনি চাইলেই ভুল সংবাদ প্রচার করবেন। যারাই এখন থেকে ভুল সংবাদ প্রকাশ করবে, বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করবে, যা মানুষকে বিভ্রান্ত করবে, সরকার তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।’

ভুল ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার। আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, গতকাল মঙ্গলবার রাতে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা বদলে দিয়ে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন সংশোধন করে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার। এ নিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যম ভুল সংবাদ প্রকাশ করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, যাতে গণমাধ্যমে মিথ্যা, ভুয়া, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর তথ্য নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, ‘সমকাল, যুগান্তর, ইত্তেফাকসহ বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতাসহ শতাধিকের মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি বাতিল করা হয়েছে। এই খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভুয়া, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর।’
উপপ্রেস সচিব বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ও সংবাদ সম্মেলন করে ব্যাখ্যা করেছে। আমরা নিজেরাও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেছি। উনারাও বলেছেন, মুজিবনগর সরকারের যাঁরা ছিলেন, তাঁরা মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী হিসেবে যাঁদের রাখা হয়েছে, তাঁদের সুযোগ-সুবিধা একই থাকবে।’
আবুল কালাম আজাদ মজুমদার আরও বলেন, ‘যেসব সংবাদমাধ্যম ভুল সংবাদ প্রকাশ করেছে, আমরা আশা করব, তারা তাদের ভুলটা সংশোধন করবে। যেখানে তারা ভুল সংবাদটি ছাপিয়েছে, ঠিক একই জায়গায় ভুল সংশোধন করে সংশোধনী প্রকাশ করে তাদের পাঠকদের কাছে দুঃখপ্রকাশ করবে।’
অন্তর্বর্তী সরকার সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ব্যাপারে খুবই উদার উল্লেখ করে আজাদ মজুমদার বলেন, ‘আমরা সমালোচনাকে সব সময় স্বাগত জানাই। কিন্তু কখনোই কাউকে এই রকম কোনো লাইসেন্স দেওয়া হয়নি যে, তিনি চাইলেই ভুল সংবাদ প্রচার করবেন। যারাই এখন থেকে ভুল সংবাদ প্রকাশ করবে, বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করবে, যা মানুষকে বিভ্রান্ত করবে, সরকার তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।’

‘বিটিআরসির এনইআইআর সিস্টেমে আমার এনআইডির বিপরীতে ৫২টা ফোন নিবন্ধিত দেখাচ্ছে। এতগুলো ফোন কীভাবে আমার নামে নিবন্ধিত হয়! আমার ও পরিবারের সদস্যদের ধরলে মোট ৫-৭টা হতে পারে। তাই বলে ৫২টা?
৭ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৪টি আসনে ৮৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে জামায়াতের এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ ও নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্নার মতো নেতারাও রয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
এনইআইআর চালুর পরে ‘ক্লোন ফোন’ নিয়ে ভয়াবহ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। শুধু একটি আইএমইআই নম্বরেই পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৯১ লাখ ২২ হাজার ৫৩৪টি স্মার্টফোন।আজ শুক্রবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এ তথ্য জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা ও গণফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ড. কামাল হোসেন গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। আজ শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে তাঁকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে