নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সরকারের মন্ত্রী ও জাতীয় সংসদে এমপি পদে থাকা অবস্থায় ভোটে অংশ নিলে নির্বাচনের সময় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না বলে মনে করছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান। আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক দিবস উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার এক ভার্চুয়াল সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালকের মতে, ‘মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য থাকা অবস্থায় যখন ভোটে অংশ নেওয়া হয় তখন অটোমেটিক ফিল্ড নষ্ট হয়। স্থানীয় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মধ্যে চাপ থাকে। এ বিষয়ে খতিয়ে দেখে আইনের প্রয়োজনীয় সংস্কার দরকার।’
‘অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন: গণতান্ত্রিক সুশাসনের চ্যালেঞ্জ উত্তরণে করণীয়’ শীর্ষক এই ভার্চুয়াল সভায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার, ইভিএমসহ বেশ কিছু বিষয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।
সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন টিআইবির গবেষণা ও পলিসি বিভাগের পরিচালক মো. রফিকুল হাসান। তাঁর মতে, যদি সব দলের আস্থা সৃষ্টির মাধ্যমে তাদের নির্বাচনে নিয়ে আসতে আইনগত পরিবর্তন-সংস্কার প্রয়োজন হয়, তাহলে নির্বাচন কমিশনকে সে কথা স্পষ্টভাবে সরকারকে জানিয়ে দিতে হবে। চলমান আইনি কাঠামোর বিভিন্ন ঘাটতি, যা নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতা সৃষ্টিতে বাধা দেয়, সেগুলো দূর করার জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করা ইসির প্রাতিষ্ঠানিক ও নৈতিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।
রফিকুল হাসান আরও বলেন, ‘এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেছে যে ভোটগ্রহণের জন্য এবার সর্বোচ্চ ১৫০টি আসনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। তবে এই সিদ্ধান্তে বিভিন্ন মহল থেকে সমালোচনা এসেছে। অনেকেই এটিকে নতুন নির্বাচন কমিশনের ওপর জনগণের আস্থা সৃষ্টির ক্ষেত্রে গুরুতর নেতিবাচক একটি পদক্ষেপ বলে মনে করছেন। টিআইবি মনে করে ইসির এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত বিতর্কিত এবং তা উল্লেখযোগ্যসংখ্যক রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ ও অংশীজনদের উদ্বেগকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছে।’
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান মনে করেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রয়োজন নেই, সাংবিধানিকভাবে এটি সম্ভব নয়।’ ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, ‘আমরা কোনো অবস্থায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা বলছি না। এটির প্রয়োজন নেই, আমরা মনে করি, এটি সাংবিধানিকভাবে সম্ভব নয়।’
সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা মূল উদ্বেগের জায়গা জানিয়ে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সেটি করার ক্ষেত্রে কিছু প্রতিবন্ধকতা আছে। ভোটের সময়ে সরকারের ভূমিকা কতটা নিরপেক্ষ হবে, স্বার্থের দ্বন্দ্ব কতটা হবে—সেটি নিশ্চিত করার জন্য আইনি সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে।
ইভিএমের ক্ষেত্রে বিতর্ক আছে জানিয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ইসির উচিত হবে এর রাজনৈতিক, কারিগরি ও অর্থনৈতিক দিক বিবেচনা করে দেখা।

সরকারের মন্ত্রী ও জাতীয় সংসদে এমপি পদে থাকা অবস্থায় ভোটে অংশ নিলে নির্বাচনের সময় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না বলে মনে করছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান। আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক দিবস উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার এক ভার্চুয়াল সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালকের মতে, ‘মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য থাকা অবস্থায় যখন ভোটে অংশ নেওয়া হয় তখন অটোমেটিক ফিল্ড নষ্ট হয়। স্থানীয় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মধ্যে চাপ থাকে। এ বিষয়ে খতিয়ে দেখে আইনের প্রয়োজনীয় সংস্কার দরকার।’
‘অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন: গণতান্ত্রিক সুশাসনের চ্যালেঞ্জ উত্তরণে করণীয়’ শীর্ষক এই ভার্চুয়াল সভায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার, ইভিএমসহ বেশ কিছু বিষয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।
সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন টিআইবির গবেষণা ও পলিসি বিভাগের পরিচালক মো. রফিকুল হাসান। তাঁর মতে, যদি সব দলের আস্থা সৃষ্টির মাধ্যমে তাদের নির্বাচনে নিয়ে আসতে আইনগত পরিবর্তন-সংস্কার প্রয়োজন হয়, তাহলে নির্বাচন কমিশনকে সে কথা স্পষ্টভাবে সরকারকে জানিয়ে দিতে হবে। চলমান আইনি কাঠামোর বিভিন্ন ঘাটতি, যা নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতা সৃষ্টিতে বাধা দেয়, সেগুলো দূর করার জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করা ইসির প্রাতিষ্ঠানিক ও নৈতিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।
রফিকুল হাসান আরও বলেন, ‘এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেছে যে ভোটগ্রহণের জন্য এবার সর্বোচ্চ ১৫০টি আসনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। তবে এই সিদ্ধান্তে বিভিন্ন মহল থেকে সমালোচনা এসেছে। অনেকেই এটিকে নতুন নির্বাচন কমিশনের ওপর জনগণের আস্থা সৃষ্টির ক্ষেত্রে গুরুতর নেতিবাচক একটি পদক্ষেপ বলে মনে করছেন। টিআইবি মনে করে ইসির এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত বিতর্কিত এবং তা উল্লেখযোগ্যসংখ্যক রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ ও অংশীজনদের উদ্বেগকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছে।’
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান মনে করেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রয়োজন নেই, সাংবিধানিকভাবে এটি সম্ভব নয়।’ ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, ‘আমরা কোনো অবস্থায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা বলছি না। এটির প্রয়োজন নেই, আমরা মনে করি, এটি সাংবিধানিকভাবে সম্ভব নয়।’
সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা মূল উদ্বেগের জায়গা জানিয়ে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সেটি করার ক্ষেত্রে কিছু প্রতিবন্ধকতা আছে। ভোটের সময়ে সরকারের ভূমিকা কতটা নিরপেক্ষ হবে, স্বার্থের দ্বন্দ্ব কতটা হবে—সেটি নিশ্চিত করার জন্য আইনি সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে।
ইভিএমের ক্ষেত্রে বিতর্ক আছে জানিয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ইসির উচিত হবে এর রাজনৈতিক, কারিগরি ও অর্থনৈতিক দিক বিবেচনা করে দেখা।

সাধারণ মানুষের কাছে কার্যত অজানা থাকলেও সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত হলে সড়ক পরিবহন আইনে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান রয়েছে। আইনে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের জন্য ৫ লাখ টাকা এবং আহত ব্যক্তির জন্য ৩ লাখ টাকা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
‘বিটিআরসির এনইআইআর সিস্টেমে আমার এনআইডির বিপরীতে ৫২টা ফোন নিবন্ধিত দেখাচ্ছে। এতগুলো ফোন কীভাবে আমার নামে নিবন্ধিত হয়! আমার ও পরিবারের সদস্যদের ধরলে মোট ৫-৭টা হতে পারে। তাই বলে ৫২টা?
৯ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৪টি আসনে ৮৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে জামায়াতের এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ ও নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্নার মতো নেতারাও রয়েছেন।
১০ ঘণ্টা আগে
এনইআইআর চালুর পরে ‘ক্লোন ফোন’ নিয়ে ভয়াবহ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। শুধু একটি আইএমইআই নম্বরেই পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৯১ লাখ ২২ হাজার ৫৩৪টি স্মার্টফোন।আজ শুক্রবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এ তথ্য জানিয়েছেন।
১৪ ঘণ্টা আগে