
গুমের তালিকা অবাস্তব উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘কোথাও দেখি ৬০০ জন গুম হয়েছে, আবার কোথাও ৭৯১ জন। আমার অনুরোধ কেউ একজন দয়া করে গুমের তালিকাটা দিন।’ আজ সোমবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনের জোট হিউম্যান রাইটস ফোরামের (এইচআরএফবি) এক অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে এইচআরএফবি নিখোঁজ থাকা ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা ও ক্রসফায়ারে নিহতের ঘটনায় স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন (ডিএসএ) বাতিলসহ বেশ কিছু দাবি জানিয়েছে।
দাবির পরিপ্রেক্ষিতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ডিএসএ বাতিলের কোনো সম্ভাবনা নেই। দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরে আসারও কোনো সুযোগ নেই।’
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, গুম ও ক্রসফায়ারে মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে নানা সংগঠন নানা তথ্য দেয়। এতে ভুল-বোঝাবুঝির অবকাশ থাকে। একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করলে অভিযোগগুলো নিরপেক্ষ তদন্ত হবে।
এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কোথাও দেখি ৬০০ জন গুম হয়েছে, আবার কোথাও ৭৯১ জন। আমার অনুরোধ কেউ একজন দয়া করে গুমের তালিকাটা দিন। সরকারের কাছে পৌঁছান। শেষ ৭৬ জনের তালিকা থেকে মাত্র ২৮ জনের খোঁজ নেই। অতীতে যেকোনো নির্বাচনী বছরের তুলনায় চলতি বছর রাজনৈতিক সংঘর্ষ কম হয়েছে।’
দেশি ও বিদেশি সংগঠনগুলোর উদ্বেগ জানানো নিয়ে প্রশ্ন তোলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘দেশে মানবাধিকার বললেই নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে আলোচনার হয়। কনসার্ন শব্দের অর্থ সব জায়গায় উদ্বেগ নয়। কিন্তু আমাদের বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বলা হয় অমুক উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।’
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক নূর খান বলেন, ‘আমাদের চাওয়া অনেক ছোট, কিন্তু ব্যাপ্তিটা বড়। যে মানুষ হারিয়ে গেছে, তার পরিবারের কষ্ট কেউ বোঝে না। স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন হলে, গুমের অভিযোগগুলো তদন্ত হবে। যারা দোষী তারা শাস্তি পাবে। ক্রসফায়ারের ঘটনাও কমে আসবে।’

গুমের তালিকা অবাস্তব উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘কোথাও দেখি ৬০০ জন গুম হয়েছে, আবার কোথাও ৭৯১ জন। আমার অনুরোধ কেউ একজন দয়া করে গুমের তালিকাটা দিন।’ আজ সোমবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনের জোট হিউম্যান রাইটস ফোরামের (এইচআরএফবি) এক অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে এইচআরএফবি নিখোঁজ থাকা ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা ও ক্রসফায়ারে নিহতের ঘটনায় স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন (ডিএসএ) বাতিলসহ বেশ কিছু দাবি জানিয়েছে।
দাবির পরিপ্রেক্ষিতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ডিএসএ বাতিলের কোনো সম্ভাবনা নেই। দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরে আসারও কোনো সুযোগ নেই।’
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, গুম ও ক্রসফায়ারে মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে নানা সংগঠন নানা তথ্য দেয়। এতে ভুল-বোঝাবুঝির অবকাশ থাকে। একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করলে অভিযোগগুলো নিরপেক্ষ তদন্ত হবে।
এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কোথাও দেখি ৬০০ জন গুম হয়েছে, আবার কোথাও ৭৯১ জন। আমার অনুরোধ কেউ একজন দয়া করে গুমের তালিকাটা দিন। সরকারের কাছে পৌঁছান। শেষ ৭৬ জনের তালিকা থেকে মাত্র ২৮ জনের খোঁজ নেই। অতীতে যেকোনো নির্বাচনী বছরের তুলনায় চলতি বছর রাজনৈতিক সংঘর্ষ কম হয়েছে।’
দেশি ও বিদেশি সংগঠনগুলোর উদ্বেগ জানানো নিয়ে প্রশ্ন তোলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘দেশে মানবাধিকার বললেই নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে আলোচনার হয়। কনসার্ন শব্দের অর্থ সব জায়গায় উদ্বেগ নয়। কিন্তু আমাদের বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বলা হয় অমুক উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।’
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক নূর খান বলেন, ‘আমাদের চাওয়া অনেক ছোট, কিন্তু ব্যাপ্তিটা বড়। যে মানুষ হারিয়ে গেছে, তার পরিবারের কষ্ট কেউ বোঝে না। স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন হলে, গুমের অভিযোগগুলো তদন্ত হবে। যারা দোষী তারা শাস্তি পাবে। ক্রসফায়ারের ঘটনাও কমে আসবে।’

দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রমের জট কমাতে এবং গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধান দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ১৫টি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব টাস্কফোর্সের মাধ্যমে কমিশনের চলমান অনুসন্ধান কার্যক্রমে গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
১১ মিনিট আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে অপপ্রচার ও ভুয়া তথ্য ঠেকাতে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর। আজ মঙ্গলবার জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্কের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ফোনালাপে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে গানম্যান (অস্ত্রধারী দেহরক্ষী) পাচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে তাঁর বাসভবনের নিরাপত্তায় পুলিশ মোতায়েন করা হবে।
২ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ১ মাস থেকে ১৭ বছর বয়সী মোট ১০০৮ জন শিশু নিহত হয়েছে। সড়ক ও সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং ট্রাফিক আইন বিষয়ে সচেতনতার অভাবকে এই মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
২ ঘণ্টা আগে