নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট-সংক্রান্ত সংবাদ পরিবেশনে পেশাগত মানদণ্ড অনুসরণ ও বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের দুই বিচারপতির ছুটি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদকে ‘মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর’ আখ্যা দিয়ে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।
আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ বা বেঞ্চ না দেওয়ার কারণে কোনো বিচারপতি ছুটিতে যাননি। এ ধরনের সংবাদ প্রচার আদালতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি ‘আদালত অবমাননার’ শামিল বলেও বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রারের কার্যালয় থেকে প্রকৃত তথ্য স্পষ্ট করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম তাঁর মায়ের অসুস্থতাজনিত কারণে ছুটি নিয়েছেন। গণমাধ্যমে প্রচারিত ‘জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন’-এর দাবির সঙ্গে তাঁর ছুটির কোনো সম্পর্ক নেই।
হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ফরিদ আহমেদ অসুস্থ হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। অসুস্থতার কারণেই তিনি সাময়িকভাবে বিচারকার্যে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, কোনো প্রকার যাচাই ছাড়াই টিভি স্ক্রলসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ‘অসত্য’ খবর প্রচার করা অত্যন্ত দুঃখজনক। এতে জনমনে ভ্রান্ত ধারণার সৃষ্টি হয়।
সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছেন, আদালতসংক্রান্ত যেকোনো সংবাদ প্রচারের আগে সুপ্রিম কোর্টের মিডিয়া ফোকাল পারসন অথবা রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় থেকে সংবাদের সত্যতা যাচাই করতে হবে। যদি ভবিষ্যতে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সুপ্রিম কোর্ট সম্পর্কে মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করে, তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার দায়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট-সংক্রান্ত সংবাদ পরিবেশনে পেশাগত মানদণ্ড অনুসরণ ও বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের দুই বিচারপতির ছুটি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদকে ‘মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর’ আখ্যা দিয়ে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।
আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ বা বেঞ্চ না দেওয়ার কারণে কোনো বিচারপতি ছুটিতে যাননি। এ ধরনের সংবাদ প্রচার আদালতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি ‘আদালত অবমাননার’ শামিল বলেও বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রারের কার্যালয় থেকে প্রকৃত তথ্য স্পষ্ট করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম তাঁর মায়ের অসুস্থতাজনিত কারণে ছুটি নিয়েছেন। গণমাধ্যমে প্রচারিত ‘জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন’-এর দাবির সঙ্গে তাঁর ছুটির কোনো সম্পর্ক নেই।
হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ফরিদ আহমেদ অসুস্থ হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। অসুস্থতার কারণেই তিনি সাময়িকভাবে বিচারকার্যে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, কোনো প্রকার যাচাই ছাড়াই টিভি স্ক্রলসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ‘অসত্য’ খবর প্রচার করা অত্যন্ত দুঃখজনক। এতে জনমনে ভ্রান্ত ধারণার সৃষ্টি হয়।
সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছেন, আদালতসংক্রান্ত যেকোনো সংবাদ প্রচারের আগে সুপ্রিম কোর্টের মিডিয়া ফোকাল পারসন অথবা রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় থেকে সংবাদের সত্যতা যাচাই করতে হবে। যদি ভবিষ্যতে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সুপ্রিম কোর্ট সম্পর্কে মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করে, তবে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার দায়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশিসহ ৩৮ দেশের নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসা বন্ডের নিয়ম করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা স্টেট ডিপার্টমেন্ট বিষয়টি জানিয়েছে।
৩০ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে গণভোটের বিষয়ে সারা দেশে প্রচার চালানো হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। কিন্তু এই প্রচার যেন নামকাওয়াস্তে। প্রচারকাজে অংশ নেওয়া ভোটের গাড়ি সুপার ক্যারাভান শুধু শহর এলাকাতেই ঘুরছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে এসব গাড়ি না যাওয়ায় বেশির ভাগ ভোটার এই প্রচারণার বাইরে থেকে যাচ্ছেন।
১০ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিল সংক্রান্ত রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ১২২টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। মঙ্গলবার ইসির আইন শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মাইনুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
১২ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহার বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা, সহিংসতা ও সামাজিক বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বক্তারা। তাঁদের মতে, এই ঝুঁকি মোকাবিলায় নির্বাচন কমিশন ও সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ, সক্ষমতা—এমনকি সদিচ্ছারও ঘাটতি স্পষ্ট।
১৩ ঘণ্টা আগে