যুদ্ধবিধ্বস্ত লেবানন থেকে আরও ৩০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে আনা হলো। আজ মঙ্গলবার সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এ নিয়ে লেবানন থেকে মোট ১৮০ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হলো।
এক বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এসভি ৮১০ বিমানযোগে ফিরিয়ে আনা এই ব্যক্তিদের যাতায়াতের সমস্ত ব্যয় অন্তর্বর্তী সরকার বহন করেছে। ঢাকায় পৌঁছানোর পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে তাদের অভ্যর্থনা জানান। দেশে ফেরত আসা প্রত্যেক ব্যক্তিকে ৫ হাজার টাকা হাতখরচ, খাদ্যসামগ্রী এবং আইওএম-এর সহায়তায় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
যুদ্ধবিধ্বস্ত লেবানন থেকে ফিরলেন ৬৫ বাংলাদেশি, পথে ৩১ জন
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক মোস্তফা জামিল খান প্রত্যাবর্তনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং লেবাননে চলমান যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি প্রত্যাবর্তনকারীদের সুস্থতার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
লেবানন থেকে দেশে ফিরেছেন ৫৪ বাংলাদেশি
উল্লেখ্য, সরকার আগেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, চলমান সংঘাতের মধ্যে লেবানন থেকে স্বেচ্ছায় ফিরে আসতে ইচ্ছুক সব বাংলাদেশিকে রাষ্ট্রের খরচে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রচেষ্টা চালানো হবে। এখন পর্যন্ত লেবাননে কোনো বাংলাদেশি আহত বা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু দেশটিতে সফররত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সম্মানে চা-চক্রের আয়োজন করেছেন। খলিলুর রহমানের এ সরকারি সফরকে বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্কের জন্য ‘গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে মালদ্বীপের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
২ ঘণ্টা আগে
তুরস্কে পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষে শনিবার দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তুরস্ক পৌঁছে সেনাবাহিনী প্রধান সে দেশের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম রাষ্ট্রপতি মুস্তাফা কামাল আতাতুর্কের সমাধিসৌধ আনিতকাবির-এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
১১ ঘণ্টা আগে
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, যথাযথ তথ্য-উপাত্ত ছাড়া কোনো কিছু সংবাদ হতে পারে না, সেটি কেবল মতামত হতে পারে। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের নিরপেক্ষভাবে তথ্যভিত্তিক সংবাদ পরিবেশন করতে হবে এবং অ্যাক্টিভিস্টের ভূমিকায় যাওয়া উচিত নয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
বর্তমান সময়ে জাতীয় নিরাপত্তা শুধু সীমান্ত সুরক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাইবার নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাও জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশেষ করে সাইবার অপরাধ ও তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার মোকাবিলায় রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই।
১৮ ঘণ্টা আগে