নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর রায়েরবাজার কবরস্থানে গণকবর থেকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে নিহত ১১৪ জনের মরদেহ উত্তোলন করে তাদের মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
আদেশে বিচারক, ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ (২) ধারার বিধান অনুযায়ী ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে (ডিসি) লাশ উত্তোলন কার্যক্রমে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছেন।
আদালতের অতিরিক্ত পিপি মোহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন এ তথ্য জানান।
মোহাম্মদপুর থানার এসআই মো. মাহিদুল ইসলাম মরদেহ উত্তোলন চেয়ে এ আবেদন করেন। ওই আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন বয়সের নারী ও পুরুষ শাহাদাত বরণ করেন। যাদের মধ্যে ১১৪ জন অজ্ঞাতনামা শহীদকে অশনাক্ত হিসেবে মোহাম্মদপুর থানাধীন রায়ের বাজার কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আইনতগত পদক্ষেপ গ্রহণ এবং শহীদদের মৃতদেহ শনাক্তকরণের জন্য মরদেহ যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কবর থেকে উত্তোলন করা প্রয়োজন। এসব মরদেহ পোস্টমর্টেম রিপোর্ট প্রস্তুত, মৃতদেহের ডিএনএ সংগ্রহের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত হতে হবে। এ ছাড়া আইনি কার্যক্রম শেষে ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিতকরণের পর পরিবারের চাহিদা মোতাবেক মরদেহ তাদের পরিবারের নিকট হস্তান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। শুনানির পরে আদালত আদেশ দেন।
এর আগে, গত ২ আগস্ট স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী রায়েরবাজার কবরস্থানে গণকবর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের জানান, এখানে ১১৪ জনকে দাফন করা হয়েছে। যাদের পরিচয় শনাক্তের জন্য ডিএনএ প্রফাইল দরকার এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ময়নাতদন্ত ও অন্যান্য কাজের জন্য প্রয়োজনে লাশ তোলা হবে।

রাজধানীর রায়েরবাজার কবরস্থানে গণকবর থেকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে নিহত ১১৪ জনের মরদেহ উত্তোলন করে তাদের মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
আদেশে বিচারক, ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ (২) ধারার বিধান অনুযায়ী ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে (ডিসি) লাশ উত্তোলন কার্যক্রমে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছেন।
আদালতের অতিরিক্ত পিপি মোহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন এ তথ্য জানান।
মোহাম্মদপুর থানার এসআই মো. মাহিদুল ইসলাম মরদেহ উত্তোলন চেয়ে এ আবেদন করেন। ওই আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন বয়সের নারী ও পুরুষ শাহাদাত বরণ করেন। যাদের মধ্যে ১১৪ জন অজ্ঞাতনামা শহীদকে অশনাক্ত হিসেবে মোহাম্মদপুর থানাধীন রায়ের বাজার কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আইনতগত পদক্ষেপ গ্রহণ এবং শহীদদের মৃতদেহ শনাক্তকরণের জন্য মরদেহ যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কবর থেকে উত্তোলন করা প্রয়োজন। এসব মরদেহ পোস্টমর্টেম রিপোর্ট প্রস্তুত, মৃতদেহের ডিএনএ সংগ্রহের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত হতে হবে। এ ছাড়া আইনি কার্যক্রম শেষে ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিতকরণের পর পরিবারের চাহিদা মোতাবেক মরদেহ তাদের পরিবারের নিকট হস্তান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। শুনানির পরে আদালত আদেশ দেন।
এর আগে, গত ২ আগস্ট স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী রায়েরবাজার কবরস্থানে গণকবর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের জানান, এখানে ১১৪ জনকে দাফন করা হয়েছে। যাদের পরিচয় শনাক্তের জন্য ডিএনএ প্রফাইল দরকার এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ময়নাতদন্ত ও অন্যান্য কাজের জন্য প্রয়োজনে লাশ তোলা হবে।

কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, তদন্ত অনুযায়ী, বরিশালের বলেশ্বর নদে সবচেয়ে বেশি হত্যাকাণ্ড ও লাশ গুমের ঘটনা ঘটেছে। শত শত গুমের শিকার ব্যক্তিকে হত্যা করে এই নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বুড়িগঙ্গা নদী ও মুন্সিগঞ্জে লাশ গুম করে ফেলার প্রমাণ তদন্তে পাওয়া গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
আক্তার হোসেন বলেন, ব্লুম সাকসেন ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড নামে একটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে সিভিল ওয়ার্ক কাজের ভুয়া চুক্তিপত্র ব্যবহার করে ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডে ঋণ আবেদন করা হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৬০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়। ঋণের টাকা উত্তোলন করে তা নগদ, পে-অর্ডার ও ক্লিয়ারিংয়ের মাধ্যমে
৩ ঘণ্টা আগে
আন্দোলনকারী ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, বৈধভাবে মোবাইল ফোন আমদানিকে সহজ করতে সরকার এরই মধ্যে আমদানি শুল্ক কমিয়েছে। জনশৃঙ্খলা ব্যাহত করে আন্দোলন চলতে থাকলে সরকার তা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
৩ ঘণ্টা আগে
পদোন্নতির পর সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সাইদুর রহমান খানকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক মোহাম্মদ মিজানুর রহমানকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে